তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
যমুনা অয়েলের বাঘাবাড়ি ডিপো ইনচার্জ সাদেকীনের নেতৃত্বে অনিয়মই যেখানে নিয়ম কালিহাতীতে এমপির নাম ভাঙ্গিয়ে চলছে বালুখেকোদের দৌরাত্ম্য শেরপুরে কৃষ্ণচূড়া ফুলে সেজেছে গ্রীষ্মের প্রকৃতি নারায়ণগঞ্জে অভিযানে হামলা, র‍্যাবের ৩ সদস্যকে কুপিয়ে জখম কেশবপুরে পুলিশের অভিযানে ১৭ আসামি গ্রেফতার টি-টোয়েন্টিতে শ্রীলঙ্কাকে পেছনে ফেলে অষ্টম স্থানে বাংলাদেশ শেরপুরে সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবিতে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় গুলিবিদ্ধ যুবক, ঢাকায় নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সেও গুলি বিদ্যুৎ নিয়ে যে সুখবর দিল পিডিবি সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা বকেয়া পরিশোধ ছাড়াই ঋণ পারবেন চামড়া ব্যবসায়ীরা বুধবার দেশে ফিরতে পারে বৃষ্টির মরদেহ আবারও ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছের রিমান্ডে চীনা নাগরিক পরিচয়ে বিয়ে করতে টাঙ্গাইলে ২ যুবক পরিচালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, অন্তঃসত্ত্বা ১২ বছরের শিশু পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় যেই আসুক বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে প্রভাব পড়বে না বৃষ্টির দিনে মন ভালো করার উপায় নারী ফুটবলারদের যৌন হয়রানি দায়ে, পাঁচ বছর নিষিদ্ধ ফুটবল কর্মকর্তা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে, আসামি ছিনতাই ট্রাম্পের প্রস্তাবে সাড়া দিলে কী ঘটবে, খতিয়ে দেখছে দক্ষিণ কোরিয়া নাটোরে পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে মৃত্যুকালীন ভাতা বিতরণ চলতি বছরের শেষ দিকে শুরু স্থানীয় নির্বাচন সুন্দরবনে পর্যটকদের ওপর হামলা ও ডাকাতির চেষ্টা, আটক ২ হাদি হত্যা মামলা, পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ফের পিছিয়েছে অর্থবছরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসানিক সার বিতরণ শ্যামনগরে অপহরণের ৩ দিন পর পশু চিকিৎসক উদ্ধার : আটক ৩ হামের টিকা কেন দেওয়া হয়নি, তা খতিয়ে দেখা হবে উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন সাব্বির সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে ইউপি সদস্য লাঞ্ছিত কোরিয়ান ইপিজেডে গাছ কাটা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত পুলিশ সদস্য শিক্ষার্থীদের জন্য আসছে পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক বাস তিন শিক্ষার্থীকে জুতার মালা পরিয়ে ঘোরালেন প্রধান শিক্ষক পথচারী নিহত, ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দিল জনতা দেশের বাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম কেরালায় মুসলিম তরুণীর বিজয়, নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন আজ দুপুরের মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা ঐতিহাসিক শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড দিবস আজ ঈদে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির সূচি প্রকাশ বিদ্যালয়ের ছাদ থেকে পড়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু ঝিনাইগাতীতে ধান কাটার কৃষকদের সুন্দর দৃশ্য নারী মাদ্রাসার সুরক্ষা: প্রতিষ্ঠান নয় সাংবাদিক এস.এম. শামীমের ওপর হামলা: সাংবাদিক সমাজের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ বাবার সামনে থেকে স্কুলছাত্রী অপহরণ : আসামির ১ দিনের রিমান্ডে আড়াই হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে রেইনকোট দিলো ডিএনসিসি ২৯ দেশের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদেরকে সতর্কবার্তা মাঠের ত্যাগী না অভিজ্ঞ নেতা-ঢাকা বিএনপিতে কোন পথে নতুন নেতৃত্ব লক্ষ্মীপুরে হামলা চালিয়ে প্রবাসীকে রক্তাক্ত পুলিশের পোশাক নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত, কেমন হবে জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ নিয়ে আপত্তি জানালেন মৌসুমী-ওমর সানী কোটি টাকার যন্ত্রপাতি আত্মসাতের অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আনসার এবং দালালদের চলছে প্রকাশ্যে ঘুষ বাণিজ্য 

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার:
নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে ঘুরছে ছকে বাঁধা ঘুষ দুর্নীতির চরকি। ঘুষ না দিলেই পাসপোর্টের আবেদন হয়ে যায় ত্রুটিপূর্ণ। দালাল চক্রের মাধ্যমে আনসার সদস্য ধরে ঘুষ দিলে ত্রুটি থাকলেও বিশেষ সংকেতে গ্রহণ করা হয় আবেদন। এখানে আনসার সদস্য ও দালালদের দৌরাত্ম্য এতই বেপরোয়া যে, তারা নিজেরাই দিচ্ছেন পুলিশ ভেরিফিকেশনের নিশ্চয়তা।
উপস্থিত সেবা গ্রহীতার মধ্যে অনেকেই বলেন, এভাবে মাছ কেনাবেচার মত পাসপোর্ট কেনাবেচা হচ্ছে কর্তৃপক্ষ কি জানেন না? সেবা গ্রহিতাদের দাবি অবশ্যই জানেন তারা এখানের সিংহভাগই অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। কর্মকর্তাদের যোগসাজশে গঠিত দালাল চক্র পাসপোর্ট করতে আসা লোকদের কাছ থেকে প্রতিমাসে কোটি টাকার বেশি হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে পাসপোর্ট অফিসটি বিশেষ সূত্রে জানা যায়। সূত্র মতে আরো জানা যায়,নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে আনসার সদস্য ও দালাল চক্রের অর্থ বাণিজ্য আর অফিসের অসাধু কর্মকর্তাদের অনিয়ম বেড়েই চলছে দীর্ঘ দিন ধরে । ফলে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন পাসপোর্ট সেবা গ্রহীতারা। এখানে র‌্যাব ও পুলিশ একাধিকবার অভিযান চালিয়ে দালালদের গ্রেপ্তার ও পুলিশসহ সরকারি বিভিন্ন কর্মকর্তাদের নাম পরিচয়ে বানানো নকল সিল জব্দ করলেও বন্ধ হচ্ছেনা তাদের দৌরাত্ম্য। অভিযোগ উঠেছে, আনসার সদস্য ও দালালের মাধ্যমেই পাসপোর্ট করতে আসা লোকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন অফিসের কর্তারাই। প্রত্যেক আনসার সদস্য বা দালালের আলাদা কোর্ড নম্বর রয়েছে। ফলে আবেদন জমা হলেই অফিস কর্তারা বুঝতে পারেন আবেদনটি কোন দালাল বা আনসার সদস্যের মাধ্যমে জমা হয়েছে। কৌশল করে আনসার সদস্য এমনকি দালালরা আবেদনকারীকে দিয়ে সরকারি ফি ব্যাংকে জমা করায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ৪৮ পৃষ্টার ৫ বছর মেয়াদি পাসপোর্টের ক্ষেত্রে সাধারণত ১৫-২১ কর্মদিবসে ফি ৪ হাজার ২৫ টাকা, জরুরি (১০ কর্ম দিবসে) ফি ৬ হাজার ৩২৫ টাকা ও অতীব জরুরি (২ কর্ম দিবসে) ফি ৮ হাজার ৬২৫ টাকা এবং ১০ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ৫ হাজার ৭৫০ টাকা, জরুরি ফি ৮ আজার ৫০ টাকা ও অতীব জরুরি ফি ১০ হাজার ৩৫০ টাকা। ৬৪ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদি পাসপোর্টের জন্য সাধারণ ফি ৬ হাজার ৩২৫ টাকা, জরুরি ফি ৮ হাজার ৬২৫ টাকা ও অতীব জরুরি ফি ১২ হাজার ৭৫ টাকা এবং ১০ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ৮ হাজার ৫০ টাকা, জরুরি ফি ১০ হাজার ৩৫০ টাকা ও অতীব জরুরি ফি ১৩ হাজার ৮০০ টাকা। সব ফির সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হবে। ১৮ বছরের কম এবং ৬৫ বছরের বেশি বয়সী আবেদনকারীরা কেবলমাত্র ৫ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট পাবেন। অতি জরুরি আবেদনের ক্ষেত্রে পুলিশ প্রতিবেদন সঙ্গে আনতে হবে। নাগরিকদের অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত ফি দিয়ে সরাসরি অফিসে আবেদন করে পাসপোর্ট পাওয়া ভাগ্যের ব্যপার। পাসপোর্ট অফিসে ছবি তোলা থেকে ফিঙ্গার প্রিন্ট সব খানেই অনিয়ম। নিয়ম অনুযায়ী সকল কাজ করলেও ঘুষ না দিলে মিলে না সেবা। ত্রুটি ও বিভিন্ন অজুহাতে গ্রহণ করা হয় না আবেদন। আনসার সদস্য বা দালাল ধরে অতিরিক্ত টাকা দিলে সহজে হয়ে যায় কাজ। দালাল ছাড়া সরাসরি আবেদন করলে দিনের পর দিন ঘুরতে হয়। ফলে পাসপোর্ট করতে আসা লোকজন বাধ্য হয়ে দালাল এমনকি আনসার সদস্যদের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। আনসার সদস্য ও দালালরাও পাসপোর্ট অফিসের সামনে ও আশপাশ এলাকায় কম্পিউটার দোকান খুলে দেদারছে চালিয়ে যাচ্ছে এই অবৈধ বাণিজ্য। অফিসটিতে দৈনিক কমপক্ষে ৪ শতাধিকের অধিক আবেদন জমা পড়ে। তার মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশই দালালদের মাধ্যমে। প্রতিটি পাসপোর্ট বাবদ ২ হাজার টাকা করে অফিস খরচ হিসেবে দৈনিক অন্তত ৬ লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। যা মাসে দাঁড়ায় কোটি টাকার উপরে। সরেজমিনে অনুসন্ধানে নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ের আনসার সদস্যরা আলাদা করে ফিঙ্গারপ্রিন্ট এর সুযোগ তৈরি করে দিতে দেখা গেছে। পাসপোর্ট করতে আসা একাধিক ব্যক্তি জানান, দালাল না ধরে সরাসরি আবেদন জমা দিলে সময় লাগে দুই থেকে তিন মাস। অফিসে আসলে তথ্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে বলা হয়। তথ্য কেন্দ্রে গেলে দু’তলায় যোগাযোগ করতে বলেন। এভাবে একজন আরেক জনের কাছে পাঠায়। পাসপোর্ট কবে পাব তা নিশ্চত হতে পারি না। পক্ষান্তরে দালাল ধরে সরকারি ফি বাদে, ২ হাজার টাকা অফিস খরচ, পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য ১ হাজার আর দালালকে দেড় হাজার টাকা দিয়ে মাত্র ১৬ দিনে পাসপোর্ট পাওয়া যায়। কেউ কেউ ওই দালালের নাম বা দেখিয়ে দিতে বলতে অনিহা প্রকাশ করলেও ভেতরের দৃশ্য দেখলে বোঝা যায় এখানে কেমন দুর্নীতি হয়। দালালদের ইচ্ছা মতো কান্ড ঘটে থাকে এখানে। পরিচয় গোপন রেখে ছদ্ম বেশে পাসপোর্ট করার কথা বলে “ইন্টারনেট অনলাইন সেবা” নামক কম্পিউটার দোকানের দালালের স্বরণাপন্ন হলে তিনি জানান, ৫ বছর মেয়াদে ১৫ দিনে পাসপোর্ট পেতে সরকারি ফি বাদে, সাড়ে ৪ হাজার টাকা দিতে হবে। এত টাকা বেশি কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২ হাজার টাকা অফিসের টেবিল খরচ, ১ হাজার টাকা পুলিশ ভেরিফিকেশন আর বাকি টাকা অন্যান্য খরচ ও তার নিজের পারিশ্রমিক। পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য আপনাকে টাকা দেব কেন প্রশ্নের জবাব না দিয়ে তিনি বলেন, বেশি বুঝলে ঘুরতে হবে।
দালালরা পুলিশ ভেরিফিকেশন বাবদ টাকা নেওয়ার কারণ খোঁজ করে জানা গেছে, চোখ কপালে উঠার মত তথ্য। তারা নিজেরাই পুলিশের সিল বানিয়ে স্বাক্ষর দিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করে। পাসপোর্ট অফিস তা যাছাই করে না। এসব অনিয়মের বিষয়ে জানাতে এবং তার মন্তব্য জানতে নারায়ণগঞ্জ জেলা অঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপপরিচালক গাজী মাহমুদুল হাসানকে তার মুঠো ফোনে একাধিক বার কল দিলেও তিনি মোবাইল কলটি রিসিভ করেননি।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

বাউফলে টিসি চেয়ে মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি মোঃ রাশিদুল ইসলাম: উপবৃত্তির টাকা না পাওয়ায় টুয়াখালীর বাউফলের উত্তর দাসপাড়া দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার নজির আহম্মেদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ক্লাস বর্জন করে কয়েক দফায় মাদ্রাসা বারান্দায় শিক্ষার্থীরা ওই বিক্ষোভ মিছিল করে। এ সময় মাদ্রাসায় উপস্থিত শিক্ষকরাও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে সুপারের নানা অনিয়মের বিচার দাবি করেন। মাদ্রাসার ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরাফাত জানায়, মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট না হলেও ভারপ্রাপ্ত সুপার নজির আহম্মেদ নিয়মিত মাদ্রাসায় না এসে তার ছেলে ইমরান হোসেনকে দিয়ে তার কাজ করিয়ে থাকেন। উপবৃত্তির জন্য খরচ করতে হবে বলে প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর কাছ থেকে ৫শ’ করে টাকা আদায় করেন। তবে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সরকারি উপবৃত্তির চলতি কিস্তির টাকা পেলেও তাদের মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা কোন টাকা পায়নি।

আরও পড়ুন
language Change