তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
সিন্ডিকেটের কবলে প্লাস্টিক খাত, দিশেহারা ব্যবসায়ীরা কেরানীগঞ্জে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার ‎৫ বছরে এক টাকাও ভাড়া দেয়নি এডোটকো সরকার এত ভীত কেন, প্রশ্ন রুমিন ফারহানার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো গোপন চুক্তি নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সবশেষ যা জানা গেল চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিপুল মাদকসহ আটক ১ খুলনায় ১০ হাজার ৩০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ‎মোংলায় কৃষিজমি ধ্বংসের প্রতিবাদে মানববন্ধন খুলনা মফস্বল প্রেসক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন মোঃ মাসুম বিল্লাহ তানিয়া বৃষ্টির স্মৃতিচারণ করে কী বললেন তানভীন সুইটি? বরিশালে আলোচনায় চার নারী নেত্রী মানব পাচার মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর পার্টনার যারা টাঙ্গাইলে অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি কারায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জরিমানা ৩ মে থেকে সারা দেশে মিলবে হামের টিকা : স্বাস্থ্যমন্ত্রী যে ৬ ধরনের খাবারে দ্রুত সেরে উঠবে হাম তেজগাঁও লিংক রোড অবরোধ কাসেম ও মুশফিকুর সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি সাউথইস্ট ব্যাংক যাত্রীদের কল্যাণের নামে নিজে টাকার পাহাড় গড়েছেন মোজাম্মেল বিএনপি সবসময় জনগণের ভোটের অধিকারে বিশ্বাসী: আবদুস সালাম আজ ইস্টার সানডে ইরানে নিখোঁজ থাকা ক্রুকে উদ্ধার করল মার্কিন স্পেশাল ফোর্স শুরু হচ্ছে জাতীয় সিরাত প্রতিযোগিতা হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধিতে জেলা হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন এমপি নূরুল ইসলাম বুলবুল রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক বিজয় মজুমদারের হামলা সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ২ বনদস্যু আটক কেশবপুরে মৎস্য ঘেরে শিক্ষকের লাশ প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা পেলেন ৫ হাজার রোগী রাজধানীতে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৭ ইউনিট ৩০ উপজেলায় শুরু হচ্ছে হামের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি ১৭ বছর উন্নয়নের বুলি, বাস্তবে হয়নি কাজ-প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম শেরপুরের মেধাবী ছাত্র আমিনুল ইসলাম বিসিএস ক্যাডারে সুপারিশ প্রাপ্ত সয়াবিন তেলে সংকট, খোলা তেলের কেজি বেড়ে ২১০ টাকা রূপসা-মোংলা মহাসড়কে প্রাণ গেল নারীর দলীয় প্রধানের পদ ছাড়লেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি যৌতুক মামলায় পাথরঘাটার বাইনচটকি স্কুলের প্রধান শিক্ষক কারাগারে আমরা এখন তিনজন বিয়ের মাস কাটতে না কাটতেই সুখবর লালবাগ দেলোয়ার হোসেন খেলার মাঠ সবার জন্য উন্মুক্তের নির্দেশ নাচোল থানার হাল ধরলেন ওসি সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ আতঙ্কিত হবেন না, করোনার মতো হামও কন্ট্রোলে আনা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে প্রধান শিক্ষকের রাজকীয় বিদায় ফরিদপুরে বিস্তারকে কেন্দ্র করে চার গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত শতাধিক টাঙ্গাইল সখীপুরে মা হত্যা কারী সেই ছেলে গ্রেফতার তেল সংকটে সেচ বন্ধ: পাহাড়ের কৃষিতে ফসলহানির শঙ্কা আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধের অধ্যাদেশ সংশোধনীসহ পাস হচ্ছে সংসদে আওয়ামী সরকারের সচিব উপ-সচিবদের দুর্নীতির মিডিয়াম্যান ফায়ার ফাইটার সাদ্দাম ৬ দশমিক ৩ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত ইনজুরি থেকে ফিরেই রোনালদোর জোড়া গোল স্বৈরাচারের প্রতিমন্ত্রীর আস্থাভাজন আলাউদ্দিন এবার ফায়ার সার্ভিসে পিরটালক পদ বাগালেন শাহবাগে ট্রান্সজেন্ডারদের হামলায় সাংবাদিক আহত

এনসিটিবিতে চলছে ই- টেন্ডার বাণিজ্য; ঝুঁকিতে মুদ্রণ শিল্প

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার:

শিক্ষা খাতের দুর্নীতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রাক্কলন, টেন্ডারের তথ্য ফাঁস, সমঝোতার নামে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে সাপোর্টিং বা এজেন্ড ঠিকাদার নিয়োগের কথা, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কর্তৃক বেনামে বা ঘনিষ্ঠ আত্মীয়-স্বজনদের মাধ্যমে ঠিকাদারি কাজ পরিচালনা করাসহ বহু অভিযোগ। বিশেষ করে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহে হয় মহাচুরি। মূলত এনসিটিবিতে দুর্নীতির মূল জায়গায় হলো পাঠ্যবই ও কাগজ কেনার দরপত্র প্রক্রিয়া এবং বিভিন্ন কাজের কমিটি গঠনে দাবি করেছে দুনীতি দমন কমিশন। ২০২২ সালের জুলাইয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ইইডিকে পাঠানো সুপারিশপত্রে এসব তথ্য জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। সেই সুপারিশে বোর্ডে কর্মরত কর্মকর্তাদের কেউ কেউ স্বনামে ও বেনামে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের মালিক বনে গেছেন বলেও উল্লেখ করেছে দুদক।

২০২২ সালের সুপারিশ আমলে না নিয়ে একই কায়দায় এখনো এনসিটিবিতে চলছে ই- টেন্ডার বাণিজ্য। ফলে  ঝুঁকিতে পড়েছে  মুদ্রণ শিল্প। মানবেতর জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন এ শিল্পের সাথে জড়িত হাজারো ব্যবসায়ি এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু এনসিটিবি কর্মকর্তাদের কোন ভ্রুক্ষেপ নেই।

মুদ্রণ শিল্পের সাথে জড়িত একাধিক ব্যবসায়ি জানিয়েছেন, আমরা বিগত দশ (১০) বছর যাবৎ জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহের কাজ দরপত্র প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে সফলতার সাথে করে আসছি। এ শিল্পের সাথে জড়িত প্রায় ছোট-বড় ৪০০টি প্রতিষ্ঠান সরকারের সুনাম অক্ষুন্ন রেখে কাজ করে যাচ্ছি, ফলে বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী মুদ্রণ শিল্প তৈরি হয়েছে। কিন্তু ২০২০-২০২৪ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত দরপত্রে অংশগ্রহণের পূর্বশর্ত হিসেবে কোয়ালিফিকেশন ক্রাইটেরিয়ায় পূর্ববর্তী বছরের কাজের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয় কাজের মূল্যের ৩০-৪০ শতাংশ। বিগত ৫ বছরের দরপত্রে যেসব অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়েছিলো তা সব মুদ্রণ ব্যবসায়িদের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিলো। ফলে দরপত্রে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে সকলেই। দরপত্রের সুসম প্রতিযোগিতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত হয়েছে।

অথচ ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ১ম ও ৬ষ্ঠ শ্রেণির দরপত্রে পূর্ববর্তী কাজের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়েছে লটের মূল্যের প্রায় ৭০-৮০ শতাংশ অধিক, যা অধিকাংশ মুদ্রণ ব্যবসায়ির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এতে, হাতে গোনা ৫-১০ টি প্রতিষ্ঠান ছাড়া বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান অংশ নিতে পারবে।  ফলে এইসব মুদ্রণ ব্যবসায়িরা মনে করছেন, হাতে গোনা ৫-১০টি প্রতিষ্ঠানের কাছে এনসিটিবি জিম্মি হয়ে যাবে, যথাসময়ে কাজ উঠানো চ্যালেঞ্জিং হবে এবং বাকি ব্যবসায়িরা কাজ না পাওয়ার ফলে এ মুদ্রণ শিল্প মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। পাশাপাশি সিন্ডিকেট করে দরপত্রের দর বিগত সময়ের চেয়ে প্রায় ২০-৩০% বেশি অর্থাৎ, প্রায় ২ শত কোটি হতে ৩ শত কোটি টাকা লুটপাটের নীল নকশা আঁকা হয়েছে বলেও মনে করছেন মুদ্রণ শিল্পের সাথে জড়িত ব্যবসায়িরা।  ব্যবসায়িদের দাবি, এটি  অবাধ, সুষ্ঠু ও সকলের সাথে সমআচরণের পরিপন্থী।

ব্যবসায়িরা বলছেন, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ এর উদ্দেশ্য হলো সরকারী তহবিলের অর্থদ্বারা কোন পণ্য, কার্য বা সেবা ক্রয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং উক্তরূপ ক্রয়কার্যে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক সব ব্যবসায়ির প্রতি সম-আচরণ ও অবাধ প্রতিযোগিতা নিশ্চত করা। কিন্তু এনসিটিবির উর্ধতন কমকর্তা বর্তমান নির্দেশে দরপত্র দলিল প্রস্তুত কমিটি, উৎপাদন নিয়ন্ত্রক ও আইসিটি সেলের সহকারী মেইনটেনেন্স ইঞ্জিনিয়ার (ভারপ্রাপ্ত প্রোগ্রামার) নির্দিষ্ট সংখ্যক ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য যোগসাজসে এ ধরনের শর্ত আরোপ করেছে। সহকারি মেইনট্যানেন্স ইঞ্জিনিয়ার মো: সালাউদ্দিন লেনদেনের বিনিময়ে এ শর্ত দেওয়ার বিষয়ে সকলকে প্ররোচিত করেছে বলে অভিযোগ করছেন ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, দুর্নীতির মাধ্যমে গত বছর এ সিন্ডিকেটটি অনেককে কাজ পাইয়ে দিয়েছে এবং এ থেকে কোটি কোটি টাকা আয় করেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারি মেইনট্যানেন্স ইঞ্জিনিয়ার মো: সালাউদ্দিন প্রতিবেদককে বলেন, প্রথমত আমার কথা বলা নিষেধ। উর্ধতন কর্মকর্তার নির্দেশ ছাড়া আমি কথা বলতে পারবো না। আপনি আমার উর্ধতন কর্মকর্তার সাথে কথা বলুন। দ্বিতীয়ত. আমি যা করেছি, তার অফিসের নির্দেশেই করেছি। ব্যক্তিগতভাবে কোন উদ্যোগ নেই নাই।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোডের সদস্য (অতিরিক্ত দায়িত্ব, চেয়ারম্যান) প্রফেসর মশিউজ্জামান প্রতিবেদককে জানান, নির্দেশিকা মোতাবেক টেন্ডার ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা সচেতনভাবেই সকলেই যাতে সমানভাবে বিড করতে পারে সে ব্যবস্থা রেখেছি। আর পক্ষপাতিত্বের কোন সুযোগ এখনো তৈরি হয় নি। আগামী ২৫ জুনের পর আমরা জানবো কতজন টেন্ডারে অংশ নিয়েছেন। পক্ষপাতিত্বে অভিযোগ তাই অমূলক বলে প্রতিবেদককে তিনি জানান।

এদিকে, ক্রয়কার্যে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক সকল ব্যক্তির প্রতি সম-আচরণ ও অবাধ প্রতিযোগিতা নিশ্চত করতে এবং এ দুর্নীতির সাথে যারা জড়িত তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরূদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়িরা।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

পেঁয়াজের কেজিতে কমল ১৫-২০ টাকা

অনলাইন ডেস্কঃ গতকাল সোমবার থেকে আমদানির অনুমতি পাওয়ার পরপরই আসতে শুরু করেছে পেঁয়াজ। এর প্রভাবে বিভিন্ন জেলায় কেজিতে ১৫-২০ টাকা কমেছে পেঁয়াজের দাম। ১০০ টাকা থেকে নেমে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায়। এতে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ভোক্তারা। আমদানিকারকরা বলছেন, বন্দরে আসা পেঁয়াজ সারা দেশের বাজারে পৌঁছে গেলে দাম আরও কমবে। সোমবার (৫ জুন) সকালে আমদানির অনুমতি দেওয়ার পর দুপুর থেকেই বিভিন্ন বন্দর দিয়ে ভারত থেকে আসতে থাকে পেঁয়াজ। পেঁয়াজ আমাদানি শুরু হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে। ৫৭টি ট্রাকে পেঁয়াজ আসে ১১শ টন। সোমবার সন্ধ্যায় হিলি স্থলবন্দর দিয়ে তিনটি ট্রাকে আসে আরও ৬৩ টন পেঁয়াজ। পেঁয়াজ আমদানিকারক শহিদুল ইসলাম জানান, ২০ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি পেয়েছেন তারা। বিকালে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে আসে ৭ ট্রাক

আরও পড়ুন
language Change