তারিখ লোড হচ্ছে...

আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ৩৪ শতাংশ ঋণই খেলাপি তুরস্কের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বগুড়ায় হচ্ছে ড্রোন কারখানা: মীর শাহে আলম ডিএসসিসির পিডি রাজীব খাদেমের বিরুদ্ধে নিয়োগ দুর্নীতি ও হত্যা মামলার অভিযোগ রাজউকে বেপরোয়া সোহাগ মিয়ার সিন্ডিকেট স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সাচ্চুর ক্যাশিয়ার জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে গৃহকর্মী কুমু বেগমকে নির্যাতনের অভি... সীতাকুণ্ডে জঙ্গল সলিমপুরে পাহাড় ধসে শিশুর মৃত্যু দীঘিনালায় বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে  বিজিবি, শতাধিক পানিবন্দি পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ও চিকিৎসাসেবা... কোস্টগার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করলেন সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ৩ সদস্য রংপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপিত: বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বৃক্ষরোপণ ও খাল খনন জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় ভূমিকা রাখবে: প্রধানমন্ত্রী সিরাজগঞ্জে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১৫ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফিফা সভাপতি-রেফারির বিরুদ্ধে মামলা চেয়ে থানায় তরুণ, ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি সরকারে ভাবমূর্তি বিনষ্টে ষড়যন্ত্র করছে একটি গোষ্ঠী: রিজভী মেঘালয়ের পাহাড়ি ঢলে মহারশি নদীর পানি বৃদ্ধি, ভাঙন আতঙ্কে সোমেশ্বরী নদী তীরবর্তী মানুষ দুর্গত মানুষের পাশে সরকার, প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন সুনামগঞ্জের শাল্লায় চলন্ত নৌকায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন, অভিযুক্ত যুবক গ্রেফতার কাঁথা,বালিশ নিয়ে বিএনপি,র কার্য়ালয়ে আশ্রয় নিলেন-স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা বিশ্বকাপের খেলা দেখা নিয়ে ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয় রণক্ষেত্র শপথ নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করল নতুন কমিটি যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা: স্বামীর যাবজ্জীবন আইপিও প্রক্রিয়া সহজ হবে, পাবলিক ইস্যু রুলস বদলাচ্ছে শিগগিরই সাতক্ষীরা ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে সার্ভিস উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত টসে জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে পরিবর্তন পরিবেশ মেলা ও জাতীয় বৃক্ষমেলার উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশজুড়ে ভারী বর্ষণের আভাস সিলেট-চট্টগ্রামে ১০ পয়েন্টে বিপৎসীমার উপরে পানি: বন্যার শঙ্কা ১৬ আগস্ট কটিয়াদী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মার্কিন রণতরীতে হামলা চালিয়েছে ইসলামিক রিপাবলিক জাপান: ট্রাম্প বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ফ্রান্স-মরক্কো সারোয়ার আলমগীর এমপি হিসেবে শপথ নিতে পারবেন: হাইকোর্ট রাজধানীর শীর্ষ সন্ত্রাসী ফারুককে গ্রেফতার করলো পুলিশ প্রাথমিকে বৃত্তির ফল প্রকাশ হচ্ছে না আজ ৪৬ হাজার পরীক্ষার্থীর ফল পুনঃপ্রকাশের নির্দেশ সংবিধানে ফিরছে গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ ভোলাহাট সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি গড়ে তুলতে স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াচ্ছে সরকার উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ৫ শিক্ষার্থীর মৃত্যু তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ বরিশাল বিআরটিসিতে জুলফিকারকে ঘিরে অভিযোগের ঝড় জেলা-উপজেলায় নতুন কমিটি গঠন করা হবে: যুবদল ভালো কাজের স্বীকৃতি: কেএমপিতে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের বিশেষ সম্মাননা দীঘিনালায় বন্যার্তদের সহায়তায় সেনাবাহিনী, কোবাখালীতে ত্রাণ বিতরণ সুরের জাদুতে মিশরে মঞ্চ মাতাবেন শাকিরা আর্জেন্টিনার ফুটবল ম্যাচ জয়ের পর অতিরিক্ত উল্লাসে জর্দা খেয়ে ভ্যানচালকের মৃত্যু ঢাকায় নামছে ৪০০ ইলেকট্রিক বাস মিরসরাইয়ে পানিবন্দি শতাধিক পরিবার, ফসলের ব্যাপক ক্ষতির শঙ্কা এল নিনোর নতুন চক্রে কৃষিতে বড় ঝুঁকি, সবচেয়ে বেশি ক্ষতির আশঙ্কায় যেসব অঞ্চল জলবায়ু পরিবর্তনে নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য বেশি ঝুঁকিতে: গবেষণা চার দিনের টানা বৃষ্টিতে রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের শঙ্কা, প্রস্তুত ২০৪ আশ্রয়কেন্দ্র

পাটুরিয়া ঘাটে বাস চালকদের সিন্ডিকেট, যাত্রী হয়রানি চরমে !

পাঠক সংখ্যা
638

মোঃ হাসানুজ্জামান:

দেশজুড়ে ঈদকে কেন্দ্র করে স্বস্তির যাত্রা নিশ্চিতের আশ্বাস দিয়েছিলেন অনেকেই। তবে বরাবরের মতো এবারও বাড়তি ভাড়া আদায় ও বাস সিন্ডিকেটের ভেলকিবাজিতে চরমভাবে ভুগতে হয়েছে পথযাত্রাীদের। বিশেষ করে ঈদের ছুটি শেষে ঢাকাগামী মানুষের স্রোতকে পুঁজি বানিয়ে পাটুরিয়া ফেরিঘাটে চলছে হরিলুট। অন্যন্য দিনের তুলনায় আজ শনিবার (২২ জুন) পাটুরিয়া ফেরিঘাটে দুপুর ২ টার সময় বাস যাত্রীদের এমনই হয়রানি, নাজেহালের চিত্র চোখে পড়ে।

মুখে যাত্রী সেবার বুলি আউড়ালেও বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। মূলত বাস চালকদের ভেলকিবাজি নাকি বাস মালিকদের সিন্ডিকেট, তা বুঝে ওঠা খুবই দুষ্কর। পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে পরিবারের সাথে আননে ভাগাভাগি করতে অনেকেই ছুটে যান গ্রামে। তাই অবশ্যই তাদেরকে আবার ফিরতে হবে। ব্যস- এটাই সুযোগ।

ঢাকা থেকে যাওয়ার সময় যেমন নেয়া হয়েছে বাড়তি ভাড়া। তেমনিভাবে ফেরার সময়ও কোনো ছাড় নেই। সামান্য পাটুরিয়া ফেরিঘাট থেকে গাবতলী পৌঁছাতে প্রতিটি যাত্রীকে গুনতে হচ্ছে ৩০০ টাকা। এমনকি গাবতলীর আগে কোথাও নামলেও দিতে হবে সম্পূর্ণ ভাড়া।

হয়রানি এখানেই শেষ নয়। তারা মুখে সিটিং সার্ভিস বললেও বিভিন্ন যায়গা থেকে ওঠানো হচ্ছে অতিরিক্ত যাত্রী। যা নিয়ে রীতিমতো ক্ষিপ্ত সাধারণ যাত্রী। অবশ্য এতে বাস চালক, হেলপারদের কিছু আসে-যায় না। কিছু বলতে গেলেই তারা ক্ষিপ্ত হয়ে জড়াচ্ছে বিবাদে।

সকল দুষ্টচক্রের মধ্যে কাউকে ভালো বলার উপায় নেই। একনামে পরিচিত গাবতলি সার্ভিস মানেই সেলফি পরিবহন। অথচ সেই সেলফির গন্তব্য নবীনগর, ভাড়া ২০০ টাকা। অনেক কষ্টে দু-একটা বাসকে রাজি করিয়ে যেতে হচ্ছে গাবতলি সহ দূর দূরান্তে।

মূলত বাসের কোনো ঘাটতি নেই। সেলফি, শুভ যাত্রা, ঠিকানা, নীলাচল সহ রয়েছে অসংখ্য বাস। কিন্তু তারা সিন্ডিকেট করে পাকিয়েছে কূটকৌশল। প্রত্যেকটা বাস যাচ্ছে সাভার, নবীনগর সহ আশপাশের এলাকায়। দ্রুত যাত্রী নামিয়ে আবারো ফিরছে ঘাটে। এভাবেই চলছে।

দীর্ঘক্ষণ পর যখন বাসের সিরিয়াল কমে যাচ্ছে, তখনই ঝোপ বুঝে কোপ মারা হচ্ছে। কারণ তখন ভাড়া যতোই চাওয়া হোক, বাধ্য হয়ে যাত্রী রাজি হবেই। অর্থ্যাৎ তাদের কুচক্রের হাতে যাত্রী সাধারণ নিরুপায় জিম্মি।

কথা হয় কয়েকজন বাস চালক, হেলপার, টিকিট কাউন্টারে। তবে তাদের প্রধান শর্ত ছবি তোলা যাবে না, ভিডিওতো বহু দূরের কথা। নাম পরিচয় গোপন রাখার শর্তে সেলফি পরিবহনের দুজন চালক ও হেলপার বলেন- “ভাই আমরা নিজেরা চাইলেই কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারিনা। ও-ই দেখেন মাঠের কোনায় বাস মালিক, কমিটির লোকজন বসে আছে। তাদের সিদ্ধান্তেই আমরা সব করি।” তবে তাদের সাথে কথা বলার জন্য এগিয়ে গেলেই তারা গায়েব হয়ে যান।

অন্যান্য বাসের মতোই নীলাচল পরিবহনেরও একই অবস্থা। কখনো বলছেন গাবতলী যাবেন, কখনো বলছেন চিটাগং রোড যাবেন, আবার কখনো বলছেন নবীনগর পার হবে না। বাসে তোলা হচ্ছে যাত্রী, আবার নামিয়েও দেয়া হচ্ছে। এভাবেই খামখেয়ালি করে চলছে তাদের সিন্ডিকেট।

কথা হয় বিভিন্ন পয়েন্টের যাত্রীদের সঙ্গে। বেজায় ক্ষিপ্ত যাত্রীদের অভিযোগের যেন অন্ত নেই। বিশেষ করে ঝিনাইদহ থেকে আসা রাশেদ নামে একজন যাত্রী বলেন- “ভাই আমরা পাটুরিয়া ঘাটে এসেছি প্রায় ৩০ মিনিট। এখানে এতোগুলা বাস, অথচ সবাই যুক্তি করে নবীনগর পর্যন্ত যাবে। সেখানে ভাড়া ২০০ টাকা। তাহলে রাজধানীর অন্যান্য গন্তব্যে কতো টাকা লাগবে হিসাব করেছেন ? মূলত এই বাস চালকেরা সিন্ডিকেট করে এভাবে যাত্রীদের হয়রানি করছে। কারণ এতোদিন যে বাসগুলো গাবতলী সহ অন্যান্য পয়েন্টে যেতো। সেগুলো আজ নবীনগর পর্যন্ত যেয়েই স্টপ। আমাদের এসব ভোগান্তি কে দেখবে ভাই ?”

মাঝ বয়সী আরেকজন যাত্রী বলেন- “সেলফি পরিবহন সারাজীবন গাবতলি, টেকনিক্যাল যায়। আজ তারা নবীনগর পর্যন্ত যাবে। নীলাচল, ঠিকানা সহ যে বাসগুলো রুট মেইনটেইন করতো। তারা এখন নিজেদের ইচ্ছামতো চলছে। একেতে বাড়তি ভাড়া, তার উপরে কয়েকবার গাড়ি বদলাতে হবে। এভাবে একটা সেক্টর চলতে পারে না। তারা নির্দিষ্ট গন্তব্যে যাচ্ছে না। আবার অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছে। দেশটা কি মগের মুল্লুক নাকিরে বাবা…..?”

মূলত এভাবেই কথা হয় অনেক যাত্রীর সাথে। তাদের অভিযোগ, সরজমিন প্রত্যক্ষণ থেকে এটা স্পষ্ট যে, গাবতলী থেকে পাটুরিয়া রুটে নিয়মিতই বাড়তি ভাড়া নেয়া হচ্ছে। সেই সাথে নতুন সিন্ডিকেটের কারণে যাত্রীদের নির্দিষ্ট গন্তব্য যেতে পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

রাজসাক্ষী হিসেবে সহায়তার শর্তে চৌধুরী মামুনকে ক্ষমা

ডেস্ক রিপোর্ট: নিজেকে দোষী স্বীকার করে রাজসাক্ষী হিসেবে জুলাই গণহত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ত বিস্তারিত বিষয় তুলে ধরা ও ট্রাইব্যুনালকে সার্বিক সহায়তা করার শর্তে সাবেক পুলিশ প্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে ক্ষমা করে দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে রাজসাক্ষী হওয়ায় তাকে কারাগারে অন্য বন্দীদের থেকে আলাদা জায়গায় রাখতে বলা হয়েছে। শনিবার (১২ জুলাই) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারে নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ বিষয়ে লিখিত আদেশ প্রকাশ করেছেন। চৌধুরী মামুনের আইনজীবী জায়েদ বিন আমজাদ বলেন, রাজসাক্ষী হিসেবে জুলাই গণহত্যার সব বিষয় ট্রাইব্যুনালে তুলে ধরে বিচার প্রক্রিয়াকে সহায়তা করলে ক্ষমার আদেশ বাস্তবায়ন হবে। এর আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় স্বীকার করেছেন সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বলেছেন, ‘জুলাই-আগস্টে আন্দোলন চলাকালে আমাদের

আরও পড়ুন
language Change