তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী হলেন জিয়াউদ্দিন হায়দার সেচ পাম্পের ৩ ট্রান্সফরমার চুরি অন্তর্বর্তী সরকার হামের টিকা আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ হজযাত্রীদের নিরাপত্তা ও যাতায়াত নির্বিঘ্ন ব্যাপক প্রস্তুতি সৌদির প্রতারিত অভিবাসীদের পাশে ব্র্যাক: চাটখিলে অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শেরপুরের নতুন পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলাম অতিথি নিয়ে ব্যস্ত পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল শিশুর শেরপুরে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা পেলেন দুই শতাধিক রোগী হজে গিয়ে ১ বাংলাদেশির মৃত্যু গাছের ডালে ‘লাশ’ ভেবে আতঙ্ক, শেষ পর্যন্ত জীবিত উদ্ধার যুবক প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুখবর হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ শিশুর মৃত্যু এসএসসি পরিক্ষা ঘড়ি ও ক্যালকুলেটর ব্যবহারে নতুন নির্দেশনা ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই ৯ দোকান নৌপুলিশের প্রধান রেজাউল করিম, রংপুরে কমিশনার আবদুল মাবুদ নৃশংস হামলার শিকার সাংবাদিক আলী আশরাফ বোরো মৌসুমের ধান-চাল-গমের মূল্য নির্ধারণ ১০০ বছর বাঁচার উপায় জানুন বিএমইউর নতুন প্রো-ভিসি অধ্যাপক নজরুল ইসলাম গম দুর্নীতি মামলায় মুখোমুখি নুসরাত পাচার অর্থ ফেরাতে সরকারের উদ্যোগ লাশ চুরির ভয়ে সন্তানের কবর পাহারা দিচ্ছেন বাবা সভাপতি-সম্পাদক পদে একক প্রার্থী হয়ে বিজয়ের পথে রাজ্জাক রাজ ও রিপন বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম টেইলার্সের আড়ালে মাদক বিক্রি চানাচুরের প্যাকেটে শহীদ এম. মনসুর আলী থেকে ‘সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ’ বিএনপি সঙ্গে চীনের শীর্ষ নেতৃত্বের দ্বিপাক্ষিক সভা টাস্কফোর্সের বড় সাফল্য বিপুল পরিমাণ হেরোইন ও লক্ষাধিক টাকাসহ আটক ২ সামাজিক বনায়নের গাছ না কেটে বেড়িবাঁধ সংস্কারের অভিযোগ অবশেষে জয়ের দেখা পেল রিয়াল মাদ্রিদ কিশোরগঞ্জের এসপি হলেন মিজানুর রহমান শেলী শেরপুরে টিআরসি কনস্টেবল নিয়োগে ব্রিফিং প্যারেড কনটেন্ট ক্রিয়েটর দের জন্য দুঃসংবাদ  আগুনের ক্ষতিগ্রস্থ কলাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আবারও ক্লাসে ফিরল নকল বীজ বিক্রি ও লাইসেন্স না থাকায় দুই ডিলারকে জরিমানা সরকারি সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত বাস ভাড়া না বাড়ানোর নির্দেশ রাজশাহীতে র‍্যাবের অভিযানে বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার ২৪ ঘণ্টায় সাত খুন, জামায়াত আমিরের ক্ষোভ জাতীয়ভাবে পালন হবে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র বাছাই শুরু সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে, ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড আটক সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নে মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিবাচক: বিএমএসএফ ভারত যাওয়ার ১৯ মাস পর শেরপুর সীমান্তে যুবকের মরদেহ হস্তান্তর ধুতির ওপর অজানা পায়ের ছাপ, ‘গোপালের পদচিহ্ন’ বলছেন ভক্তরা বেলকুচিতে অভিযান চালিয়ে ১৭৪৪ লিটার ডিজেল জব্দ অ্যাম্বুলেন্সে ইয়াবা পাচার স্বামী-স্ত্রী আটক মোংলায় সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রী নিহতের প্রতিবাদে মানববন্ধন কমলো জ্বালানি তেলের দাম কালীগঞ্জে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু

পারলে তারা গণমাধ্যমেরও কবর রচনা করতে চান

পাঠক সংখ্যা
638

সাঈদুর রহমান রিমন:

মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন লাকীর বিরুদ্ধে এক হাজার কোটি টাকার মানহানী মামলার ঘোষণা দিতেই মুখ খুলেলেন তিনি, তড়িঘড়ি নিজের বক্তব্য দেয়ার কথাও অস্বীকার করলেন। এরপর থেকেই ‘সাংবাদিক বিরোধী অপপ্রচারকারীরা’ ভিডিও ক্লিপ খুঁজে বেড়াচ্ছেন। খুঁজছেন লাকীর সাংবাদিক কেনা সংক্রান্ত সেই বক্তব্যের ক্লিপ। কারণ, আদৌ লাকী বড় বড় সাংবাদিকদের টাকা দিয়ে কেনার কথা বলেছিলেন কিনা- সে ব্যাপারে নিশ্চিত না হয়েই ভণ্ডরা গোটা সাংবাদিক সমাজকে হেয় করার অপকর্মে নেমে পড়েছিলেন। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে টাকা নেওয়া সাংবাদিকদের সম্ভাব্য তালিকা তৈরির উদ্যোগ নিতেও দ্বিধা করেননি।

আসলে সাংবাদিক পরিচয়েই সাংবাদিকতাকে বিতর্কিত করে জঘণ্য ভাষায় বক্তব্য মন্তব্য প্রদানের খুব বাজে প্রবণতা ছড়িয়ে আছে। সাংবাদিকদের খাটো করে বক্তব্য, মন্তব্য দিতে পারলেই নিজেকে খুব যোগ্যতাসম্পন্ন উচু কাতারের লোক বলে ভাবেন। পেশার মর্যাদাকে ডুবিয়ে উদার আলোচক সাজতে চান। মাত্র ৮/১০ বছর আগেও গোটা পেশা তুলে যা খুশি বলার পরিবেশ ছিল না বললেই চলে। পেশাদারিত্বের ভুল ত্রুটি নিয়ে সাংবাদিকরা একান্ত বৈঠক বা আড্ডাতেই আলোচনা সমালোচনা করতেন।

অনেকের অস্থি-মজ্জা-রক্তের সঙ্গে মিশে আছে সাংবাদিকতা। তাদের কেউ কেউ নানা ঘাত প্রতিঘাত আর ধারাবাহিক বঞ্চণার মুখে পেশা থেকে বিদায় নিতে চান, কিন্তু বার কয়েক চেষ্টা করেও সাংবাদিকতাকে গুডবাই জানাতে পারেননি। নিষিদ্ধ নেশার মতো এ পেশাকেই আঁকড়ে ধরে পড়ে আছেন। ইদানিং শ্রদ্ধাভাজন সেই কলমযোদ্ধা বন্ধুদেরও দেখি, সুযোগ পেলেই সাংবাদিক ও সাংবাদিকতার চৌদ্দগুষ্ঠি উদ্ধার করে ছাড়েন। সাধ্যে কুলোলে গণমাধ্যমেরও কবর রচনা করে ফেলেন।

এই কষ্ট যন্ত্রণাতেই বোধহয় ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেছিলেন, ‘সাংবাদিকরাই কেবল সাংবাদিকতাকে বাঁচাতে পারে।’

একটা শ্রেণী সাংবাদিক পরিচয়েই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একাউন্ট খুলে, সেই সুবাদে গণমাধ্যম ও সাংবাদিক সম্পর্কিত গ্রুপগুলোতে ঢালাওভাবে সংযুক্ত হয়। রাত-দিনের সিংহভাগ সময় তারা গ্রুপগুলোতে বিচরণও করে থাকে। গত কিছুদিন তাদের টাইম লাইন ও গ্রুপসমূহে দেয়া পোস্ট ও মন্তব্যগুলো পর্যবেক্ষণ করে সবচেয়ে বেশি সাংবাদিক বিদ্বেষী কথাবার্তা দেখা যায়।

মিডিয়া নামের বেশ কিছু গ্রুপও সাংবাদিক বিদ্বেষী বক্তব্য-মন্তব্য ও সাংবাদিকদের বিতর্কিত করার হাতিয়ার হয়ে উঠছে। সাংবাদিক পরিচয়ধারীরা যখন গোটা সাংবাদিক সমাজকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, বাজারদরের মতো সব সাংবাদিককে ১০০ টাকার পণ্য ভাবে, সবাই বিক্রি হয় ভাবে- তখন তাদের পরিচয়ের গন্ডি নিয়ে প্রশ্ন জাগে মনে। কারণ, তাদের বিচরণ করা গন্ডির কথিত সাংবাদিকরা হয়তো ১০০/৫০০ টাকায় অহরহ বিক্রি হয়।

তবে আমাদের চেনাজানা অনেক অর্থ কষ্টে থাকা সাংবাদিককেও রাজউকের কয়েক কোটি টাকার প্লট অফার হাসিমুখে প্রত্যাখ্যান করতে দেখেছি। বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট একটি দপ্তরের কর্তা ব্যক্তির পাঠানো মাসিক ত্রিশ হাজার টাকার খামটাও যত্ন করে ওই অফিসে গিয়ে ফেরত দেয়া সাংবাদিকও আমাদেরই সহকর্মি। সাংবাদিকতায় এমন গৌরব করার মতো হাজারো নজির রয়েছে।

লায়লা লাকী নাকি সাংবাদিক কিনে ফেলেছে? এরপরেও মতিউর গংদের নিউজ কারা করছে? জ্বীন, ভূতে? কেউ কেউ বলেন, ক্ষমতার কাঠামো থেকে ছিটকে পড়লে, দাপুটে কর্তারা অবসরে গেলেই কেবল নিউজ হয়? গত দেড় মাসে “ক্ষমতায় আসীন” অর্ধ শতাধিক কর্মকর্তার দুর্নীতি লুটপাটের কাহিনী প্রকাশ হয়েছে মিডিয়ায়। একটু চোখ কান খোলা রাখলেই তা দেখতে পাওয়ার কথা। দুই-চার জন সাংবাদিক বা গণমাধ্যম মালিক কোনো লুটেরার পক্ষে সাফাই গাওয়ার চেষ্টা করলেও অন্য দশটা মিডিয়া তো তাদের ছাড় দেয়নি।

তারপরও গোটা সাংবাদিক সমাজের গায়ে ব্যর্থতা, দুর্ণাম, বদনামের কালিমা লেপনের আগে সাংবাদিক হিসেবে নিজের অপারগতার কারণটি তুলে ধরা উচিত। সেই ব্যর্থতার কারণ থেকে আমার মতো আধা দক্ষরা কিছু না কিছু শিখতে পারবে। কিন্তু নিজের অপারগতা চিহ্নিত করার যোগ্যতা এদের আছে কিনা এটাই তো প্রশ্ন।

তারা একবারও ভাবেন না- লায়লা লাকীর মতো লুটপাট সহযোগীরা যা খুশি বলতেই পারে, তাদের শব্দ চয়নের ক্ষেত্রে কোনো দায়বদ্ধতা নেই। তাই বলে তার সুরে সুর মিলিয়ে একজন সাংবাদিক যা খুশি লিখতে পারেন কি? ইচ্ছে হলেই কি কারো পক্ষাবলম্বন করতে পারেন? সাংবাদিকের জন্য নানারকম দায়বদ্ধতার গেট পার হতে হয়। শুধুই অনুমান আর ধারণামূলক বিশ্বাস থেকে কোনো খোঁজ খবর, প্রমাণ ছাড়াই একজন সাংবাদিকের যথেচ্ছা অভিমত প্রকাশ করাটাও অন্যায়।

সাংবাদিকদের বিতর্কিত করা, গণমাধ্যম বিরোধী কুৎসা রটানোসহ লুটেরা গোষ্ঠীর সব অপকৌশলের পেছনেই একশ্রেণীর সাংবাদিকের বেশ সমর্থন থাকে। না পাওয়ার বেদনা, হতাশা, কিছু করতে না পারার ব্যর্থতায় সৃষ্ট প্রতিহিংসার নির্মম শিকার হয় তারই সহকর্মী, এমনকি গোটা পেশাটাও। পেশায় কিছু খারাপ লোকের অনুপ্রবেশ রয়েছে ঠিক, তাই বলে তারাই সাংবাদিকতার সবকিছু নয়।

বলতে দ্বিধা নেই যে, ‘সমাজ ও রাষ্ট্রের সব জায়গা যদি ঘুণে ধরে তা থেকে সাংবাদিকতা মুক্ত থাকবে কিভাবে? এরমধ্যেও যারা সৎ সাংবাদিকতা করেন, সাংবাদিকতার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াই করেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা রাখতেই হবে। এ কারণে একচেটিয়া সবাইকে দোষারোপ করলে সেই শ্রদ্ধাভাজনদের প্রতি অবিচার হয়ে যায়।’

লেখক: সিনিয়র অনুসন্ধানী সাংবাদিক

——-

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

ডায়াবেটিস হাসপাতাল ভুল চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগ

ডায়াবেটিস হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের নলতা ডাইবেটিক এন্ড জেনারেল হাসপাতালের এক সিজারকৃত রোগীর ক্ষতস্থানে ইনফেকশন হলেও তাকে চিকিৎসা না দিয়ে দুর্ব্যবহার করে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও কর্তব্যরত ডাঃ নাসরিন নাহার এর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ ও শাস্তির দাবিতে সাতক্ষীরা সিভিল সার্জেন বরাবর অভিযোগ করলেও তদন্তকারী কর্মকর্তা পক্ষপাত মূলক প্রতিবেদন দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগী পরিবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পুনঃ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। ঘটনার বিবরণে ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগে জানা যায়, দেবহাটা উপজেলার ঘোনাপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ ওমর ফারুকের স্ত্রী জাফরিন গত ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে নলতা ডাইবেটিক এন্ড হাসপাতালে দায়িত্বরত ডাঃ নাসরিন নাহারের নিকট হইতে সিজার অপারেশন করান। কয়েকদিন পর অপারেশনের স্থানে ইনফেকশন সহ অন্যান্য অনেক সমস্যা দেখা দেয়। পরবর্তীতে নলতা ডাইবেটিক এন্ড জেনারেল

আরও পড়ুন
language Change