তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
দেশ ছাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেক্ষাগৃহে দম শিবগঞ্জে হেরোইন-ইয়াবা উদ্ধার ১৩ জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ে শঙ্কা সড়ক যেন মরণ ফাঁদ-দিঘলিয়ার সেনহাটিতে ইটের সড়কের ভয়াবহ অবস্থা জ্বালানি খাতে অনিয়ম রোধে সরকারকে আইনি নোটিশ তালতলীতে কাবিখা প্রকল্পে অনিয়ম ঈদ শেষে রাজধানীমুখী মানুষের ঢল কবে বিয়ে করছেন কৃতি শ্যানন? এলজিইডি’র পিডি এনামুল কবিরের অনিয়ম দুর্নীতি এক-এগারোর নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য, তালিকায় প্রভাবশালী নাম বাহারি রঙের গোলাপ পরামর্শ না পাওয়ায় দিশেহারা কৃষক জ্বালানি তেল সংকটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে অভিযান ১১ জেলায় নতুন ডিসি প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ বাতিল করল সরকার বিমানের প্রশিক্ষণার্থী নারী পাইলটকে নির্যাতনের অভিযোগ সাদিফ হোসেনের বিরুদ্ধে আইপিএলকে না বলে দেশকেই আগে রাখলেন তারা সিটি নির্বাচনে এনসিপির প্রার্থী চূড়ান্ত, ঘোষণা আজ বটিয়াঘাটায় রাস্তার পাইলিং কাজে চরম দুর্নীতির অভিযোগ ইরান যুদ্ধ কত দিন গড়াতে পারে, জানালেন বিশ্লেষক যমুনা সেতুতে ২৪ ঘন্টায় টোল আদায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা সিন্দুকছড়ি জোন কর্তৃক মেডিকেল ক্যাম্পেইন জ্বালানি সংকটে পুরনো ছায়া র‍্যাবের অভিযান ঢাকাগামী বাসে ৮০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার রানা প্লাজার আলোচিত নাসিমা, পদ্মার সলিলে হার মানলেন ফের পদত্যাগের মিছিল এনসিপিতে এবার সুযোগ পাচ্ছে বুমরাহ-পান্ডিয়ারা হঠাৎ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর পরিদর্শন ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির আভাস, বাড়বে তাপমাত্রা এসএসসি পরীক্ষা কক্ষে সিসি ক্যামেরা স্থাপনসহ ১১ নির্দেশনা ঈদের ছুটি শেষে সংসদের অধিবেশন বসছে আজ যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ সংসদের কার্যক্রমে গতি আনতে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠক দাকোপ ও বটিয়াঘাটায় তরমুজের বাম্পার ফলনের হাতছানি কালিগঞ্জে র‍্যাব ও পুলিশের অভিযানে ডাকাত অস্ত্রসহ গ্রেফতার শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু গোপনে ইরানকে ভয়ংকর ড্রোন দিচ্ছে রাশিয়া ফুলতলায় অস্ত্র ও গুলিসহ দুই যুবক গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে নয়াপল্টনে নেতাকর্মীদের ঢল ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান এটুআই প্রকল্পে সিন্ডিকেট ভাগ্য খুলেছে জামায়াত নেতার ছেলের স্বপ্নের ডাটাবেজ লিক, লাখ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁস টাঙ্গাইলে কালিহাতিতে একই পরিবারের নারী শিশুসহ পাঁচজন নিহত বর্তমান পোশাকে সন্তুষ্ট নয় পুলিশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দীর্ঘদিন তালাবদ্ধ ভান্ডারকোট ২ নং ওয়ার্ড বিএনপি অফিস বনে তিন কর্মকর্তা মিলে কোটি টাকা লুটপাট কালীগঞ্জে পৃথক অভিযানে ২০ কেজি ১৮০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার র‌্যাবের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আহসান হাবীব পলাশ বেস্ট হোল্ডিংয়ের ভয়াবহ জালিয়াতি করে ধরাছোয়ার বাহিরে আমিন রামগড়ে সিএনজি পরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া, ভোগান্তিতে সাধারণ যাত্রী খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক নেতাকে গুলি করে হত্যা

সাবেক মন্ত্রীর বিশ্বস্ত আইন সচিব সারোয়ারের দুনীতি- চক্রান্ত:

পাঠক সংখ্যা
638

# নোবেল বিজয়ী ডক্টর মুহম্মদ ইউনুসকে মামলায় নাজেহাল|| জামাতের নিষিদ্ধ করা ও আন্দোলনরত ছাত্র জনতাকে জামিন নামঞ্জুর সবকিছুই সচিব সারোয়ারের কারিশমা #
——————————————–
এইচ আর শফিক: —
সারা পৃথিবী জুড়ে সম্মানীয় হলেও ডঃ মুহাম্মদ ইউনুসকে নিজ দেশে বাংলাদেশের সাবেক আওয়ামী স্বৈরাচার সরকারের জুলুম নির্যাতন ও অপমানের গ্লানি সইতে হয়েছে যা বাঙালি জাতির জন্য লজ্জাজনক বলে অনেকেই মনে করেন। পৃথিবী বরেণ্য ডক্টর ইউনুস বর্তমানে দেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জামায়েত ইসলামকে নিষিদ্ধ ছাত্র জনতা কে বিভিন্ন মামলায় গণহারে গ্রেফতার করা হয় পরে জামিন না দেয়ার জন্য সারা দেশের সকল আদালতকে শেখ হাসিনা সরকারের হয়ে সকল ধরনের নির্দেশনা দেন আইন সচিব গোলাম সরোয়ার।

আইন সচিব সরোয়ারের নির্লজ্জ আওয়ামী গোলামীর ও বিরোধীদের আইনের জালে ফেলার নীল নকশায় নাজেহাল হয়েছেন পৃথিবীর বরেণ্য ব্যক্তিত্ব নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ডঃ মোঃ ইউনুস সহ দেশের রাজনৈতিক মহল ও ছাত্র জনতা। জানাযায় মেরিনা সুলতানা লেবার কোটের জর্জ সে চেয়েছিলো জরিমানা করতে, কিন্তু আইন সচিব ৬ মাসের আদেশ দিতে বলে। এর পর জামিন দেযার কারনে মেরিনাকে ঝিনাইদহ বদলি করে। তিনি নারী ও শিশু আদালতে আছেন।

সম্প্রতি দেশের ছাত্র জনতার আন্দোলন যে উত্থান হয়েছে সেই আন্দোলনের প্রথম ভাগে ছাত্র জনতা সহ রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীদের সকলকে ছাত্রশিবির ত্যাগ লাগিয়ে জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর সকল ব্যবস্থা করার নির্দেশনা দিয়েছেন এই আইন সচিব।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে সঙ্গে নিয়ে আইন ও বিচার মন্ত্রনালয়ে মহা-দুর্নীতির সিন্ডিকেট গড়ে তোলা সচিব গোলাম সারওয়ার এখনো বহাল। মন্ত্রনালয়সহ মাঠ পর্যায়ে বিস্তৃত সচিবের সাঙ্গপাঙ্গরাও এখনো রয়েছেন দাপটের সঙ্গেই।
বিচারের নামে ড. মোহাম্মদ ইউনুসকে বছরের পর বছর হয়রানি করা, তড়িঘড়ি লিখিত নোট দিয়ে জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ ঘোষণা এবং সর্বশেষ ছাত্র আন্দোলনে গুলি বন্ধের রীটকে ধমক দিয়ে খারিজ করানোর মূল হোতা হচ্ছেন এই সচিব গোলাম সারওয়ার।
জামাতকে নিষিদ্ধ করতে হাফিজ আহাম্মেদ চৌধুরী অতি: সচিব ডাপ্ট করে থাকেন । ওম্মে কুলসুম যুগ্ন সচিব, সচিব ও মন্ত্রী মিলে ডাপ্ট করে সেই ডাপ্ট সচিব নিজে হাতে হাতে গিয়ে দিয়ে আসেন স্বরাস্টমন্ত্রীর কাছে ।

ব্রাম্মনাড়ীয়ার কসবা থানার বাসিন্দা গোলাম সারওয়ার আত্মীয়তার সম্পর্কে মন্ত্রী আনিসুল হকের বেয়াই। আইন সচিবের চাচাতো ভাই বিয়ে করেছে মন্ত্রীর ফুফাতো বোনকে। সেই হিসেবে পারিবারিকভাবে আত্মীয়তার যেমন বন্ধন রয়েছে তাদের, তেমনি মন্ত্রনালয়েও দুই বেয়াই মিলেমিশে গড়ে তুলেছিলেন দুর্নীতির মহাসিন্ডিকেট। সাথে যুক্ত ছিল আইনমন্ত্রীর গোপন প্রেমিকা তৌফিকা।

বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরীর অধস্তন আদালতে যতো নিয়োগ হয়েছে তার অধিকাংশেই খাতা পরিবর্তন, জালিয়াতি, পরীক্ষা না দিয়েও চাকুরী হওয়ার নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, ঘুস বানিজ্য সহ পাহাড়সম অপরাধ সংঘটিত হয়েছে সরাসরি আইনমন্ত্রী আনিছুল হকের নির্দেশে সাবেক সচিব (মৃত) জহুরুল হক দুলাল ও বর্তমান সচিব গোলাম সারোয়ারের তত্ত্বাবধানে।

মন্ত্রী আনিসুল তার ক্ষমতা খাটিয়ে ব্রাহ্মবাড়িয়ার সন্তান তার চরম অনুগত গোলাম সারোয়ারকে সচিব পদে বসিয়েছেন আইনবহির্ভুতভাবে, অতঃপর নির্বিঘ্নে চালিয়েছেন দুর্নীতির রামরাজত্ব। গোলাম সারোয়ারও সততার ভাণ ধরে আইজিআর অফিসসহ বিভিন্ন অধস্তন দপ্তরে আর্থিক বড় লেনদেনের খাতগুলো থেকে নিয়মিত বিপুল অংকের টাকার ভাগ পান। মুখোশের আড়ালে নিয়মিত বিপুল অংকের মাসোহারা নেন।

আনিসুল ও গোলাম সারওয়ার সিন্ডিকেট প্রভাব ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে অধস্তন আদালতের নিয়োগ কমিটিকে বাধ্য করে সারাদেশে চতূর্থ শ্রেনীর পদে প্রায় দুই হাজারের মতো কর্মচারী নিয়োগ দিয়েছেন কেবলমাত্র নিজেদের কসবা উপজেলা থেকে। অথচ বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্ট ও সরকারী চাকুরী সংক্রান্ত নিয়োগ বিধিমালায় স্পষ্ট উল্লেখ আছে যে, চতূর্থ শ্রেনীর চাকুরীতে নিয়োগে প্রাধান্য পাবে স্থানীয় জেলার আবেদনকারীরা। অথচ আইনমন্ত্রী ও তার অনুগত আইন সচিব এই বিধান লংঘন করে বিভিন্ন জেলায় বিপুল সংখ্যক নিয়োগ দেন। অব্যাহত চাপ প্রয়োগ করে বহু বিচারককে অপরাধকর্মে জড়াতেও বাধ্য করেছে খোদ আইনমন্ত্রী ও সচিব।

উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, শুধুমাত্র চট্টগ্রামেই কসবা উপজেলার বাসিন্দা নিয়োগ পেয়েছে ৩৪ জন। এরমধ্যে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ১৪ জন, মহানগর দায়রা জজ আদালতে ৪ জন, সন্ত্রাস বিরোধী ট্রাইব্যুনাল ১ জন, নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনালে ১২ জন, সিএমএম কোর্টে ৩ জন কসবা উপজেলার। এভাবে ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, খুলনা, রাজশাহী সহ সারাদেশে অধস্তন আদালতে মোট কর্মরত কর্মচারীদের প্রায় এক চতূর্থাংশই কসবা উপজেলার।

সাদাসিধা ভাব ধরে থাকা মন্ত্রী আনিসুল ও তার সচিব নিয়োগ দুর্নীতি করেই কামিয়ে নিয়েছে শত শত কোটি টাকা। একই সাথে আইন মন্ত্রণালয়ের রেজিষ্ট্রেশন ডিপার্টমেন্ট যেন মন্ত্রী সচিবের টাকার খনি। গুলশানের সাব-রেজিস্ট্রারের বাড়ীও ব্রাহ্মবাড়িয়ায়, যিনি গুলশান এলাকার একটি দলিল করতে ১ কোটি থেকে ৩/৪ কোটি টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেন। ঢাকার ডেপুটি রেজিস্ট্রার সাবেকুন ঢাকার বিভিন্ন সাব-রেজিস্ট্রার অফিস থেকে বস্তা বস্তা টাকা কালেকশন করে তুলে দেন মন্ত্রী ও সচিবকে।

সূত্র জানায়, আইজিআর এর ব্যংক একাউন্টে জমা থাকা ১৪৩ কোটি টাকা থেকে সচিব নিজের সিটিজেন ব্যাংকে ১০০ কোটি টাকা নিয়ে নেয়।
জমাকৃত টাকা থেকে প্রতিমাসে ৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন সাবেক আইন মন্ত্রী ।

তার বান্ধবী আইনজীবী তৌফিকা করিম। এই আইনজীবীর মাধ্যমেই সচিব যত তদবির বানিজ্য করে শত শত কোটি টাকার দুর্নীতি করেছেন।
আইন সচিব এর নিজ এলাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার
কসবা থানায় একই এলাকার প্রতিবেশী হওয়ায় যুগ্ম সচিব কুলসুমের সাথে তার রয়েছে গভীর সখ্যতা। তাই দুজনে মিলে ভূমি কর থেকে লুটপাট করেছেন শত কোটি টাকা। জমির স্খানীয় কর সেটা তারা মানে আইন মন্ত্রী সিএনএস নামের একটি কোম্পানী করে এন আরবিসি হেড অফিসে জমা করেন সেই একাউন্টে । ভলিয়মে টাকার টাকা বছরের পর বছর রেখে দেয় হাজার হাজার টাকা এ থেকে মাসিক ৪ কোটি টাকা নেয় যা অবৈধ্য। এ টাকা আগে সরাসরি সোনালি ব্যাংকে জমা হতো
আইনমন্ত্রীর মা জাহানারা হক জীবদ্দশায় দৃশ্যমান কোন আয়ের বৃহৎ উৎস না থাকলেও আলাদীনের চেরাগ বলে হয়ে গেছেন সিটিজেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান, কেবলমাত্র তার পুত্রের টাকার খনির বদৌলতে। এর আগে কোনো আইনমন্ত্রীই কখনই কোনো ব্যাংকের মালিক ছিলেন না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ছোট ভাই আরিফুল হকের কাছে মন্ত্রী আনিসুল পাচার করেছিলেন দুর্নীতিলব্ধ শত শত কোটি টাকা। আরিফের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী, দুই পুত্র ও এক কন্যা সন্তান আমেরিকাতেই বসবাস করে। সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞার পর আনিছুল হক তার দুর্নীতির সম্পদগুলো ম্যানেজমেন্ট করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন বলে শোনা যায়।

মন্ত্রী আনিসুলের স্ত্রী মারা গেছে বহু বৎসর আগে। এরপর তিনি আর বিবাহ করেননি এটা দেখিয়ে তিনি নিজের সরলতা প্রকাশ করেন, অথচ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ্যাডভোকেট তৌফিকা করিম মন্ত্রী আনিসুলের বান্ধবী পরিচয় দিলেও আইন ও বিচার বিভাগে তিনি মন্ত্রীর আন-রেজিস্টার্ড স্ত্রী এবং মূর্তিমান আতংক হিসাবে সবাই তাকে চিনে এবং সমীহ করে।

বাংলাদেশের বিভিন্ন আদালতে তদবীর, চাপ প্রয়োগ করে জামিন, ইচ্ছামত রায় নেয়া প্রায় সবই সম্ভব মন্ত্রীর এই আনরেজিস্টার্ড স্ত্রীর মাধ্যমে। কাবিননামা অনুসারে এ্যাডভোকেট তৌফিকা ব্যবসায়ী আফতাব-উল ইসলাম মঞ্জুর স্ত্রী। কিন্তু মঞ্জুর সাথে তার কাগজের সম্পর্ক ছাড়া বাস্তবে কোন সম্পর্কই নেই, বরং মন্ত্রী আনিস হলো তৌফিকার সবকিছু- কাবিনবিহীন স্বামী!

ধূর্ত সচিব গোলাম সারওয়ার এই তৌফিকাকে সঙ্গে নিয়েই বিচার বিভাগে যেকোন তদবীরে ও বিপুল অংকের টাকা দিয়ে ইচ্ছামতো রায় করানোর সবচেয়ে কার্যকর সিন্ডিকেট গড়েন। শত শত কোটি টাকা লেনদেনও এদের কাছে ডাল ভাতের মতো। গোলাম-তৌফিকা সিন্ডিকেটই বসুন্ধরার এমডি আনভীর কর্তৃক মুনিয়া হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দিতে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সিটিজেন ব্যাংকে মন্ত্রী আনিস চেয়ারম্যান আর পরিচালক বানিয়েছেন তৌফিকাকে, আর বর্তমানে এই তৌফিকাই হলো ব্যাংকটির চেয়ারম্যান।

 

সচিব গোলাম সারওয়ারকে আইনি নোটিশ:
—————————–
আইনজীবী মহাসমাবেশে স্বাগত বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার বরাবরে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী। কোন কর্তৃত্বে মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন, সেটি আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে নোটিশে। অন্যত্থায় তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান খান ২০২৩ সালের ২৪ অক্টোবর ই–মেইলে ও ডাকযোগে ওই নোটিশ পাঠান। নোটিশদাতা আইনজীবী জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের প্রচার সম্পাদক ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সহসম্পাদক।

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ২১ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের আইনজীবী মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ বিষয়টি উল্লেখ করে আইন সচিবের উদ্দেশে দেওয়া নোটিশে বলা হয়, ‘আপনি নিশ্চয়ই অবগত আছেন, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ একটি রাজনৈতিক সংগঠন। ওই আইনজীবী সমাবেশে উপস্থিত হয়ে আপনি স্বাগত বক্তব্য দিয়েছেন। মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দেশে প্রচলিত আইন, সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯ ও সাংবিধানিক আইন সম্পর্কে আপনি অবগত আছেন। সরকারি চাকরিতে থাকা অবস্থায় একটি রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেওয়া প্রচলিত আইন ও বিধির পুরোপুরি লঙ্ঘন।’

সচিবের উদ্দেশে নোটিশে বলা হয়, ‘একজন সরকারি কর্মচারী/আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে একটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিতে স্বাগত বক্তব্য দেওয়ার মাধ্যমে ১৯৭৯ সালের সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালার ২৫ (১) বিধি লঙ্ঘন করার কারণে আপনি ওই পদে কর্মরত থাকার বৈধতা হারিয়েছেন। এ সত্ত্বেও ২১ অক্টোবরের পর অদ্যাবধি স্বপদে দায়িত্ব পালন করছেন। কোন কর্তৃত্ববলে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তা নোটিশদাতাকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে অবহিত করার জন্যও বলা হয়েছে।

 

 

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

খাগড়াছড়িতে আগুনে পুড়ে ছাই ১৯ দোকান

খাগড়াছড়িতে আগুনে পুড়ে ছাই ১৯ দোকান

খাগড়াছড়ি সাংবাদদাতা: খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার জালিয়াপাড়া বাজারে শনিবার গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে ইসমাইল মার্কেটসহ ১৯টির মতো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা জানান, শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক পৌনে ২টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। রামগড় ও মাটিরাঙ্গা থেকে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ করে। খবর পেয়ে বিজিবি ও সেনাবাহিনীও আগুন নেভাতে কাজ করেন। সমন্বিত পদক্ষেপের ফলে রাত প্রায় ৩টার দিকে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে। ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে- মটর গ্যারেজ, ইলেকট্রনিক্স, ফার্নিচার ও মুদি মালের দোকান। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বাজারের একটি গাড়ির ওয়ার্কশপ অথবা বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারণে আগুন লেগে থাকতে পারে। সেনাবাহিনীর সিন্দুকছড়ি জোনের কমান্ডার ও গুইমারা উপজেলা নির্বাহী

আরও পড়ুন
language Change