তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
বৈশাখী শোভাযাত্রায় নতুন বছরকে বরণ রাজধানীতে জামায়াতে ইসলামীর বৈশাখী শোভাযাত্রা টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী কালিহাতীতে সিজারিয়ান অপারেশনে পর মৃত্যু কর্মকর্তাদের বাড়ি-গাড়িসহ ৯ খাতে ব্যয় কমালো সরকার দুই মামলায় জামিনের পর হত্যা মামলায় গ্রেফতার মন্ত্রী নুরুজ্জামান ইরানে নৌ অবরোধের হুমকি, যুক্তরাষ্ট্রকে যে বার্তা দিলো চীন ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে সাবেক পুলিশ সদস্য নিহত শেরপুরের শিক্ষার্থীদের সিলিং ফ্যান বিতরণ ৩০ লাখ থেকে ২.১৬ কোটি-রাজউক চেয়ারম্যানের বাংলো সংস্কারে 'লুকোচুরি' শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি নির্দেশনা ৩৬ আসনের বিএনপির ফরম কিনেছেন ১৩০০ জন নারী সাংবাদিককে হেনস্তা কারী ইমারত পরিদর্শক অপি রুবেল গ্রেফতার বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী লুটপাটের সঙ্গী হয়ে টানেল বানিয়ে লাভ নেই: সারজিস সাউন্ড কেলেঙ্কারি ও কোটি টাকার সম্পদ গণপূর্তের আনোয়ারের প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আওয়ামী দোসর শফিউল্লাহ আল মুনিরের বিরুদ্ধে অল্প বয়সে বিয়ে আমার জীবনের ভুল সিদ্ধান্ত ছিল প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনে থাকছে বাংকার, টানেল সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: যুবদল নেতাসহ গ্রেফতার ৭ শরিফুল-রানার ছাড়পত্রের মেয়াদ একদিন বাড়াল বিসিবি না ফেরার দেশে চলে গেলেন কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে হজযাত্রীদের সেবায় অনিয়ম করলে গুনতে হবে জরিমানা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য সুখবর দিল সরকার দুই কলেজ শিক্ষকের নামে পাঠানো হলো কাফনের কাপড় আমরা আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি : নাহিদ ইসলাম যেসব বিষয়ের গুরুত্বে দেওয়া হবে বিএনপির মনোনয়ন পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ডিএমপির কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জামিন পেলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন প্রথম পর্যায়ে কারা পাবেন কৃষক কার্ড, মিলবে কী কী সুবিধা চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ১৪ মে ঘোষণা ইসির শপথ নিলেন নতুন ২ এমপি বেড়াতে গিয়ে জিতলেন ১২ কোটি টাকার লটারি ঢাকায় তাপমাত্রা বাড়ার আভাস দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর শেয়ারবাজারে ৩০ মিনিটে ১৭২ কোটি টাকা লেনদেন পাহাড়ে কিংবা সমতলে, প্রত্যেকের সমান অধিকার: প্রধানমন্ত্রী নবনির্বাচিত দুই সংসদ সদস্যকে শপথ পাঠ করাবেন স্পিকার সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন নিলেন শফিউল বাবুর সহধর্মিনী হাসিনাকে কেন দিল্লিতে আশ্রয় দিয়ে রাখা হয়েছে বিকেলে শুরু যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা চিটাগং শপিং কমপ্লেক্সের আগুন নিয়ন্ত্রণে গোপনে ইরানে অস্ত্র পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন এনসিপির নতুন কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দুই পক্ষের মারামারি ঢাকাসহ সারা দেশে বাড়বে গরম চট্টগ্রামে শপিং কমপ্লেক্সে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারীর মৃত্যুতে নিন্দা অনিয়মের অভিযোগ এনে শেরপুর-৩ আসনে জামায়াত প্রার্থীর ভোট বর্জন পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণ, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী পেট্রোল-অকটেনে কতদিন চলবে, জানাল জ্বালানি বিভাগ জনস্বাস্থ্যের প্রধান প্রকৌশলীকে ঘিরে নতুন বিতর্ক, এনএসআই রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য

অবহেলিত আনসার বাহিনী

পাঠক সংখ্যা
638

জাহাঙ্গীর আলম শাহীন :

বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির অঙ্গীভূত আনসার সদস্যদের সাথে বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার দূপুর ২টা বেজে ৫০ মিনিট। তথ্য সংগ্রহের কাজে বাইক দিয়ে যাচ্ছিলাম উদ্দেশ্য নারায়ণগঞ্জ। সাইনবোর্ড পার হয়ে ডান দিকে যেতেই তীব্র গরমের যন্ত্রণায় তৃষ্ণা অনুভব করায় ভাবলাম, এখানে বসে হালকা খাবার ও একটু চা খেয়ে তৃষ্ণা নিবারণের চেষ্টা করব। জায়গাটা বেশি পরিচিত না হওয়ায় দোকানদার ও তেমন পরিচিত না। এমনকি দোকানে হালকা খাবার খেতে আসা লোকগুলো ও তেমনি পরিচিত না হওয়ারই কথা । যাইহোক রুটি- কলা খেয়ে, একটু চা নিয়ে মুখে দিচ্ছি। এমন সময় পাশ থেকে গলায় গামছা, শরীর ভেজা একজন বলল, স্যার কেমন আছেন।প্রথমে আমি গুরুত্ব দেয়নি। দ্বিতীয়বার, স্যার কেমন আছেন। পাশে তাকাতেই দেখি আমার পরিচিত একজন আনসার সদস্য( ছদ্মনাম সম্রাট)। ঘর্মাক্ত শরীরে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। বললাম ভাই আপনার শরীরের কাপড় তো পুরোটাই ভেজা! আপনি এখানে কি করেন ? প্রথমে বলতে অস্বীকৃতি জানালেও এক পর্যায়ে বলল, স্যার আমি রিক্সা চালাচ্ছি। আমি বললাম আপনার আনসারের চাকরি কি হলো? কথাটা এজন্যই বললাম যে আনসার সদস্য ও আনসার কমান্ডারদের নিয়ে নিউজ করার সুবাদে অনেক আনসার সদস্য এবং কমান্ডার আমাকে মোটামুটি চিনে। সে বলল স্যার, নয় মাস হল চাকরি নাই। বললাম কেন? সে জানালো আমাদের চাকরি সরকারি না এবং সরকার নিয়মিত ও করেন নাই। তাই তিন বছর পার হওয়ার পর ছয় মাসের ছুটি দিয়ে থাকেন বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি কর্তৃপক্ষ। ছয় মাসের ছুটি শেষ হওয়ার পরে একটি এসএমএস এর মাধ্যমে আমরা পুনরায় তিন বছরের জন্য চাকীিতে যোগদান করি। অথচ ১১ মাস চলে আমি কোন এস এম এস এখনো পাই নাই। তাছাড়াও বর্তমান বাজারে আমাদের এই সামান্য বেতনে চাকরিতে থাকা অবস্থায় কোনরকমে সংসার চলে। পাঁচ মাস যাবত এই এলাকাতে আমি রিক্সা চালাচ্ছি।বললাম প্রতিদিন আয় হয় কেমন? সে জানালো গাড়ি ভালো চালাতে পারি না, তাই এক বেলা দুপুর পর্যন্ত গাড়ি চালাই এবং প্রতিদিন ৭/৮০০ টাকা রোজগার হয়।আবেগাল্পুত কন্ঠে বলেন স্যার, রোজগার যাই হোক আমি যে এখন রিকশা চালাচ্ছি এবং এটা যদি পরিবার বা গ্রামের লোক জানে তাহলে আমি কিভাবে মুখ দেখাবো। আমি বললাম যে ভাই, কোন কাজই ছোট নয়। সে আরো বলল স্যার, আমি চার লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে এই সাধারণ আনসার পদে চাকরি নিয়েছি। যার ২ লক্ষ টাকা আমি শ্বশুর বাড়ি থেকে এনেছি। স্যার আবার ট্রেনিং শেষ করে ৮/ ৯ মাস বাড়িতে থেকে তারপর চাকরিতে যোগদান করেছি।তাছাড়াও সরকারি কোন হাসপাতাল, পাসপোর্ট অফিস, বি আর টি অফিস, কাস্টমস অফিস সহ কয়েকটি জায়গাতে পোস্টিং নিতে হলেও সবাইকে ঘুষ দিয়েইি পোস্টিং নিতে হয়। আমি বললাম যে ভাই তোমাদের সরকারি চাকরি না? কিছুক্ষণ মুখ গুমড়া করে দীর্ঘ শ্বাস নিয়ে বলে যে না স্যার , আমরা প্রতিদিনের হাজিরা হিসেবে কাজ করি।জানতে চাইলাম প্রতিদিনের হাজিরা বলতে আমাকে কি বোঝাতে চেয়েছেন, বুঝিয়ে বলুন। সে জানালো আমরা প্রতিদিন ৫৩৯ -৫৪৫ টাকা হাজিরাতে কাজ করি সেই সুবাদে যে মাস ৩১ দিন হয় সে মাসে পুরো ১৬ হাজার টাকা বেতন পাই। সে আরো বলল ৩/৪ বছর আগে আমাদের সকল আনসার সদস্যদের নিকট থেকে প্রতিমাসে ৫০০ টাকা করে জমা নিয়েছেন। আমি বললাম কি জন্য জমা নিয়েছেন, সে বলল এককালীন আমাদের কিছু দেবে এই মর্মে টাকাগুলো জমা নিয়েছে।

কয়েকদিন পূর্বে যাত্রাবাড়ী কাঁচাবাজার আড়ৎ এর ভিতর একজন আনসার কমান্ডার এর সাথে সামনা- সামনি হঠাৎ দেখা। আমাকে দেখার পর ভাবে বুঝতে পারলাম আমার সামনে থেকে দ্রুতই সটকে যেতে চাচ্ছে। আমি বিষয়টা বুঝতে পেরে তার সামনে গিয়ে হাত চেপে ধরে বললাম (ছদ্মনাম রাজা সাহেব) আপনি এখানে কাঁচা বাজারের আড়তে কি করেন? প্রথমে কিছু না বললেও প্রশ্নের মুখে একসময় মলিন কন্ঠে নিজেই স্বীকার করল যে ভাই আমি এই আড়তে আমার বন্ধুর কাঁচামাল নিয়ে এসেছি। সে বলল ভাই আমার নিজের কোন টাকা নাই এবং ১৭ মাস যাবত কোন এসএমএস পাইনা। তাই বাড়ি বসে থেকে সংসার চলে না। উপায়ান্তর না পেয়ে বন্ধুর কাঁচামালের গাড়ির সাথে আরও ২ জন লোক নিয়ে যাত্রাবাড়ী আড়তে আসি এবং গাড়ির মাল খালি করে চলে যাই। সপ্তাহে দুইদিন কাজ থাকে এবং খাওয়া খরচ বাদ দিয়ে সে আমাকে চার হাজার টাকা দেন। এটা দিয়েই কোন রকমে সংসার চালাচ্ছি। আপনি তো আনসার কমান্ডার(পিসি)? তাহলে আবার কাঁচামালের ব্যবসা করেন, বিষয়টা কি? দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে (ছদ্মনাম রাজা সাহেব) আমাকে বলল শাহিন ভাই আপনার সাথে দীর্ঘদিনের পরিচয় একজন আনসার কমান্ডার হিসেবে। আর আজকে আমাকে পেলেন যাত্রাবাড়ী কাঁচা বাজার আড়তে।। আর আমার কাছে কোন টাকাও নাই যে,, কোন না কোন ব্যক্তির মাধ্যমে দ্রুত এস এম এস নিয়ে চাকরিতে জোগদান করব। ঠিক এদের মত কয়েক হাজার আনসার সদস্য এবং কমান্ডারদের নিরব কান্না, যেন দেখার কেউ নেই। সারা দেশে প্রায় ৬০ হাজার সাধারণ আনসার সদস্য আছে এবং আনসার কমান্ডার ও আছেন কয়েক হাজার। এদের সকলেরই এস এম এস এর মাধ্যমে ৩ বছর পর পর চাকরিতে নতুন করে যোগদান করতে হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক আনসার সদস্য এবং আনসার কমান্ডার(পিসি) বলেন আমাদের তিন বছর পর ৬ মাস ছুটিতে থাকার নিয়ম থাকলেও বাস্তবে কথা কাজের কোন মিল খুজে পাওয়া যায় না। কেননা, আনসার সদস্য এবং আনসার কমান্ডার(পিসি)দের ৬ মাস ছুটিতে থাকার নিয়ম থাকলেও অনেকেই এক বছর, ১৩ মাস ১৫ মাস ২১ মাস পর্যন্ত এসএমএস এর অপেক্ষায় দিন গুনতে গুনতে তাদের জমানো টাকা শেষ করে একপর্যায়ে অন্যের বিকট থেকে ধার করে খেয়ে বসে থাকেন। এস এম এস এর অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন।তিনি আরও বলেন অনেকে ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমেও এসএমএস পেয়ে থাকেন, এমনকি এসএমএস পাওয়ার পরেও প্রত্যেকটা জায়গায় ঘুষ দিয়ে আবার তিন বছরের জন্য চাকরিতে যোগদান করতে হয়।

১৯৪৮ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর যাত্রা শুরু হলেও অনিয়মিত অর্ধেক রেশন ও সামান্য বেতন ছাড়া উন্নয়ের ছোয়া লাগেনি এই সাধারণ আনসার শিবিরে।
এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির অতিরিক্ত মহাপরিচালক
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ নাজিম উদ্দিন (বিএএম) এর সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি ফোন না ধরার কারণে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি থেকে হয়েছেন শত কোটি টাকার মালিক

স্টাফ রিপোর্টারঃ বাংলাদেশ শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি পদ যেনো এম এ মাসুদের সোনার হরিন, তিনি এই পদে বহাল থেকে আওয়ামী লীগের ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে অবৈধ পথে কামিয়েছেন শত শত কোটি টাকা। শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি পদে চাকুরীর সুবাদে নিয়োগ বানিজ্য, টেন্ডার বানিজ্য, বদলী বানিজ্য থেকে শুরু করে এম কোন বানিজ্য নেই যে তিনি করেন নাই। শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি এম এ মাসুদের কয়েক কোটি টাকার সম্পদের খোঁজ মিলেছে প্রকাশ্য। যএ সকল সম্পদের মালিকানায় রয়েছে ওই পুলিশ কর্তার স্ত্রী ও স্কুল-কলেজ পড়ুয়া দুই সন্তান সহ আর নিজেস্ব কয়েকজন আত্নীয়ের নামে। শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি এম এ মাসুদ নামের ওই কর্মকর্তা বর্তমানে শিল্প পুলিশের ঢাকার উত্তরা হেডকোয়ার্টারে কর্মরত আছেন। এর আগে তিনি চট্টগ্রামে কর্মরত ছিলেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই কর্মকর্তার কলেজ

আরও পড়ুন
language Change