তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস পালিত শ্রীমঙ্গলে জমি দখলের চেষ্টা, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি অসহায় সাহেরা বানুর পাশে মেয়রপ্রার্থী বাচ্চু ‎কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদ সহ কুখ্যাত সন্ত্রাসী আটক অনিক ও সোহেলের ভুয়া “প্রাচীন পিলার ও কয়েন” চক্রে নিঃস্ব হচ্ছে অনেকে শেরপুর-৩ আসনের প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ মসজিদের উন্নয়নে সাউথ লন্ডন ফাউন্ডেশনের আর্থিক অনুদান আবাম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদ উপহার শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে শিলাবৃষ্টিতে ভুট্টার ব্যাপক ক্ষতি জামায়াত-এনসিপির এমপিদের শপথ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্য মোংলার চিলা ইউনিয়ন পরিষদে সরকার কর্তৃক বিনামূল্যে চাল বিতরণ শাহজাদপুরে বিএনপির প্রভাব খাঁটিয়ে জব্বারের বেপরোয়া চাঁদাবাজি ও দখল বানিজ্য ঈদের সাজে রঙিন বাজার ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইর্টস্ ক্রাইম রিপোর্টাস সোসাইটি ও সাপ্তাহিক পল্লীদূত পত্রিকার উদ্যোগে ইফতার মাহ... কেরানীগঞ্জে নিষিদ্ধ পলিথিন সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য ইসরায়েলে ২৪ ঘণ্টায় শতাধিক মানুষ আহত দেড় বছরের সন্তানকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল খুলনায় ভৈরব নদ থেকে নিখোঁজ রিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার শেরপুরের নকলায় নবনির্বাচিত এমপি ফাহিম চৌধুরীকে সংবর্ধনা লোকালয় থেকে অজগর উদ্ধার সিরাজগঞ্জে ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া প্রতিরোধে সচেতনতা অভিযান সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিঙ্গাপুরের পথে মির্জা আব্বাস সংসদে প্রশ্নোত্তর ও রাষ্ট্রপতির ভাষণ নিয়ে আলোচনা ময়মনসিংহ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদক কার্যালয় অভিযোগ ভোলাহাটে সরকারী রাস্তার ড্রেন পরিষ্কার করলেন যুব উন্নয়ন ক্লাব ঝিনাইগাতীতে উত্তরণ অ্যালামনাইয়ের কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা ঝালকাঠি সাংবাদিক সমিতির দ্বি-বার্ষিক কমিটি গঠিত রামগড়ে সৌ‌দি’র খেজুর বিতরণ সমপন্ন চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম উদ্বোধন রংপুরে ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ কেশবপুরে জাতীয় নাগরিক পার্টির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল মোংলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে বিদেশী মদ সহ আটক ১ আপন ভাই-বোনকে যাকাতের টাকা দেয়া যাবে কি? পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষ্যে নৌপথে সার্বিক নিরাপত্তায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ১ মাসের অবকাশকালীন চেম্বার কোর্ট গঠন পুঁজিবাজারে লেনদেন কমেছে ২৪ শতাংশ বরগুনায় শ্রমজীবী মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ খুলনায় চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার আসামি সায়মন গ্রেফতার সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করলে স্বনির্ভর দেশ গড়ে তুলতে পারব: প্রধানমন্ত্রী খুলনার চাঞ্চল্যকর রাজীব হত্যা মামলার প্রধান আসামি শিপন গ্রেফতার হত্যা মামলায় মা-বাবাসহ ছেলে গ্রেফতার রামগড়ে জ্বালানি তেলের সংকট, তেল দোকানে উপচে পড়া ভিড় সাদাকাতুল ফিতরের আলোচনা: মাওলানা শাহ মোহাম্মদ শফিকুর রহমান ভারতে ধনী তারকাদের শীর্ষে শাহরুখ খান আমতলীতে খাস জমি নিয়ে সংঘর্ষ, আহত-৭ মালদ্বীপে ৫ বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় জামায়াতের শোক মোংলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের দাফন সম্পুর্ন পাশে থাকার আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীর মির্জা আব্বাসের জন্য দোয়া চাইলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

প্রকৃত মুসলিম শাসকের প্রতিকৃতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু

পাঠক সংখ্যা
638

নূর আহমাদ ॥
এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। যুদ্ধবিধ্বস্ত ভূখণ্ডকে নানা প্রতিকূলতা ঠেলে ধ্বংস্তূপ থেকে টেনে তোলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

দেশ পুনর্গঠনের দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি দেখেন চারদিকে দুর্নীতির মহোৎসব। স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরে দেশে দুর্নীতির চিত্র আরও প্রকট হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর জীবনদর্শন ও রাষ্ট্রচিন্তায় ধর্মীয় প্রভাবের কারণেই দুর্নীতিবাজ ও ঘুসখোরদের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন অনমনীয়।

তার ব্যক্তিত্বে একজন সত্যিকার মুসলিম শাসকের গুণাবলির ছাপ ছিল। বঙ্গবন্ধুর দুর্নীতিমুক্ত সোনার বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করেছেন দেশবরেণ্য ইসলামি চিন্তাবিদ ও কুরআন গবেষক মাওলানা শাইখ মুহাম্মাদ জামাল উদ্দীন।

তিনি জামালী তালিমুল কুরআন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং ২৪ ঘণ্টায় কুরআন শিক্ষা মেথডের আবিষ্কারক। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন নূর আহমাদ

দুর্নীতিমুক্ত স্বচ্ছ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখতেন বঙ্গবন্ধু। এ নিয়ে আপনার বিশ্লেষণ জানতে চাই।

: একটি দেশ পিছিয়ে যায় দুর্নীতিবাজ-লুটেরাদের কারণে। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি স্বাধীন হয়েছে ৫০ বছর হলো। এগিয়ে যাওয়ার জন্য এটা কম সময় নয়। আমাদের অনেক পরের দেশ মালয়েশিয়া এখন উন্নয়নের রোল মডেল। আমরা এগোতে পারিনি দুর্নীতির কারণে। দুর্নীতি, ঘুস, কালোবাজারি এগুলো আজকের সমস্যা নয়। দেশ স্বাধীনের পর থেকেই একটি মহল হারাম উপার্জনের মহোৎসবে নামে। তাই তো আফসোস করে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, দেশ স্বাধীন হলে অন্যরা পায় তেলের খনি, স্বর্ণের খনি, আমি পেলাম চোরের খনি। এই চোরদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর আফসোসের সীমা ছিল না। ১৯৭৪ সালের ১৮ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের দ্বিবার্ষিক কাউন্সিলের উদ্বোধনী ভাষণে বঙ্গবন্ধু বলেন, আজ মনে হচ্ছে আমাদের কোথায় যেন গণ্ডোগোল রয়ে গেছে। মানুষ এত টাকা দিয়ে করবেটা কী। শুধু টাকা কামাইয়ের ধান্ধা।

আমি প্রায়ই আফসোস করে বলি, এ দেশে অশিক্ষিত চাষাভুষারা দুর্নীতি করেন না, দুর্নীতি কারা করেন? শিক্ষিত বুদ্ধিজীবীরা। আপনারা মন খারাপ করবেন না। এটাই সত্য কথা। কালোবাজারি কারা করে? খাদ্যে ভেজাল কারা মেশায়? ভেজাল ওষুধ তৈরির মেধা কি কৃষকের আছে? আপনাদের মতো একশ্রেণির শিক্ষিত মানুষই এসব দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। আমরা যারা লেখাপড়া শিখি, দামি গাড়িতে চড়ি, স্যুট টাই পরি, তারাই বাংলাদেশের মানুষের বিরুদ্ধে বিদেশি এজেন্ট হই। বঙ্গবন্ধু বলেন, আমরা মহাবিপদে আছি।

আপনারা যারা বুদ্ধিজীবী, শিক্ষিত, দেশকে নেতৃত্ব দেন, তাদের দায়িত্ব হবে আত্মসমালোচনা করা। আর আওয়ামী লীগের সহকর্মী ভাইয়েরা, তোমরা কালোবাজারিদের পেছনে লাগো, ঘুসখোরদের পেছনে লাগো। তোমরা আমার কথায় আগেও ঝাঁপিয়ে পড়েছ, এখনো ঝাঁপিয়ে পড়বে বলে আমার বিশ্বাস। শুধু আইন দিয়ে, শক্তি দিয়ে দুর্নীতি দমন করা যায় না, এ জন্য জনগণকে জাগতে হবে। দেশ স্বাধীনের পর এখন আমাদের সংগ্রাম দুর্নীতিবাজ-ঘুসখোর ও লুটেরাদের বিরুদ্ধে। এরা হলো মুনাফেক। আর মুনাফেকরা কখনোই নিজের দেশের ভালো চায় না। এরা দেশের অমঙ্গলে খুশি হয়। এদের ব্যাপারে সাবধান তোমরা থাক।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংগ্রাম তো আসলে হারাম উপার্জনের বিরুদ্ধেই জিহাদ ঘোষাণা করা, তাই নয় কি?

: তা তো অবশ্যই। যে কোনো রাষ্ট্রপ্রধানকেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স থাকতে হবে। নয়তো ফাঁকা বুলিতে পেট ভরবে না। বঙ্গবন্ধু বিষয়টি বুঝেছেন। তাই তিনি দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ার ব্যাপারে অঙ্গীকারবদ্ধ ছিলেন। আওয়ামী লীগের কর্মীদের দুর্নীতিবাজ-ঘুসখোরদের পেছনে লাগতে বলেছেন। শুধু তাই নয়, সুদিনে কেউ যেন আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে কালোবাজারি না করে সে ব্যাপারেও তিনি আমাদের সতর্ক করে গেছেন। আফসোস! আজ চারদিকে কালো মানুষদের জয়জয়কার।

একজন নিুবিত্ত শ্রমিক থেকে শুরু করে ওপরের লেভেলের সবাই যার যার অবস্থান থেকে অন্যায়-অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। হারাম উপার্জনের সঙ্গে জড়িত। ব্যবসায়ী ব্যবসায় ভেজাল দিয়ে, মজুতদারি করে নামাজে দৌড় দেয়। কর্মকর্তারা কাজে ফাঁকি দিয়ে, অবৈধ সুবিধা দিয়ে টাকা কামিয়ে বছরে বছরে হজে যায়। অর্থাৎ, আমরা কালোটাকাও উপার্জন করছি, ধর্মও ঠিক রাখছি।

কী বোকার রাজ্যে বসবাস আমাদের! হারাম উপার্জনের ইবাদত কবুল হবে না এ সত্যটি যেন আমরা ভুলেই গেছি। মনে রাখতে হবে, আমরা ভুলে গেলে বা এড়িয়ে গেলে আল্লাহ কিন্তু ভুলে যান না। আজ দেশে যে জ্বালানি সমস্যা, লোডশেডিং, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, ডাকাতি, প্রাণনাশ, অশান্তির আগুন-সব সমস্যা আসলে আমাদের হারাম উপার্জন তথা দুর্নীতির শাস্তি। এ জন্য কোনো দল, সরকার বা ব্যক্তি বিশেষকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। যে সরকারই থাকুকন না কেন, হারাম উপার্জন বন্ধ না হলে দেশে শান্তি ফিরে আসবে না।

বঙ্গবন্ধুর জীবনে ধর্মের প্রভাব সম্পর্কে জানতে চাই।

: বঙ্গবন্ধু ছিলেন আগাগোড়া ধর্মীয় মানুষ। তার লেখা, বক্তৃতা এর উজ্জ্বল প্রমাণ। সমস্যা হলো, যারা বঙ্গবন্ধুর বিরোধিতা করে তারা বঙ্গবন্ধুকে পড়ে না। তিনি ধর্ম বুঝতেন বলেই অন্যায়-অনাচার-দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্ছার ছিলেন। ভারতবর্ষে তখন হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা চরমে। মুসলমানরা ইসলামের শত্রু মনে করে ইংরেজদের থেকে দূরে থাকার মতো মারাত্মক ভুল করে বসে। এ সুযোগে ইংরেজ সরকারের পা-চাটা গোলাম সেজে শিক্ষিত হিন্দুরা কারণে অকারণে মুসলমানদের পিঠের চামড়া তুলে নিত। বঙ্গবন্ধু বলেন, বিষয়টি আমার খুবই খারাপ লাগত। তখনো তিনি রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েননি।

স্কুলের হিন্দু সহপাঠীদের ছুৎমার্গ আচরণ দেখে বেজায় কষ্ট পেতেন। এক মুসলিম ছাত্রকে মারার প্রতিবাদের হিন্দু সহাপাঠীদের মেরে জেলও খেটেছিলেন স্কুল জীবনেই। তবে ধর্র্মীয় গোঁড়ামি যাকে বলে তা বঙ্গবন্ধুর মাঝে কখনোই ছিল না। তিনি বলেন, ওই সময় হিন্দুরা যেমন মুসলমানদের দেখতে পারত না, মুসলমান নেতারাও বক্তৃতা শুরু করত হিন্দুদের গালিগালাজ করে। এসব আমার মোটেই ভালো লাগত না। এরপর আল্লামা ইকবাল, শহিদ সোহরাওয়ার্দীর প্রভাবে তিনি পাকিস্তান আন্দোলন শুরু করেন। মুজিব নিজেই লিখেন, ‘তখন রাজনীতি শুরু করেছি ভীষণভাবে। সভা করি, বক্তৃতা করি।

খেলার দিকে আর নজর নেই। শুধু মুসলিম লীগ আর ছাত্রলীগ। পাকিস্তান আনতেই হবে, নতুবা মুসলমানদের বাঁচার উপায় নেই।’ শুরু হয়ে গেল মুসলমানদের বাঁচানোর জেহাদ। বঙ্গবন্ধু লিখেন, ইংরেজদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে হাজার হাজার বাঙালি মুজাহিদরা কীভাবে জেহাদে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, সিপাহী বিদ্রোহ, ওহাবি আন্দোলন, শরিয়ত উল্লাহ ও তিতুমীরের জেহাদের ইতিহাস আমার জানা ছিল। ওইসব ঘটনা বলেই বাংলার মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতাম।

বঙ্গবন্ধুর এসব ইতিহাস আজ খুব একটা শোনা যায় না কেন?

: পড়াশোনার অভাব। যারা বঙ্গবন্ধুকে নাস্তিক-মুরতাদ বলে অপপ্রচার চালিয়েছে খোঁজ নিলে দেখা যাবে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে তারা দুই লাইনও পড়েনি। আফসোস! ইতিহাস বুঝি এভাবেই বিগড়ে যায়। আগাগোড়া ইসলাম মানা মানুষটিকে নিয়ে আজ কী সব কাণ্ডকারখানাই না হচ্ছে। চাঁদাবাজের মুখেও বঙ্গবন্ধু, ধর্ষকও ধর্ষণ করে বঙ্গবন্ধুর নাম করে। চোর-বাটপার দেশের সম্পদ লুট করছে নামের পাশে বঙ্গবন্ধু সার্টিফিকেট ঝুলিয়ে। যেন বঙ্গবন্ধু জীবন-যৌবন পানি করে চোর-বাটপারদের জন্য সোনার বাংলা গড়ে গেছেন।

বঙ্গবন্ধুর আমৃত্যু স্বপ্ন ছিল সোনার বাংলা সোনার মদিনার মতো সুখী-সমৃদ্ধিতে ভরে উঠবে। তার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাও মদিনার সনদে দেশ চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন। আজ যারা কথায় কথায় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের কথা বলে মুখে ফেনা তুলছে, তাদের মনে রাখতে হবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল ইসলাম, শান্তি, সম্প্রীতি। তিনি ছিলেন আগাগোড়া একজন দ্বীনদার, ইমানদার, সাচ্ছা মুমিন মুসলমান। প্রকৃত মুসলিম শাসকের সব গুণাবলির সন্নিবেশ ঘটেছিল বঙ্গবন্ধুর মাঝে। আল্লাহ তাকে জান্নাতের মহান সম্মানিত আসনে সমাসীন করুন।
সূত্রঃ যুগান্তর

 

 

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

চর দখল নিয়ে দু'পক্ষের সংঘর্ষে নিহত

চর দখল নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত

নোয়াখালী সংবাদদাতাঃ নোয়াখালীর হাতিয়ায় চর দখল নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন ৫ জন। এ ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেলে সুখচর ইউনিয়নের জাগল্লার চরে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মেঘনার বুকে জেগে ওঠা নতুন চর দখলকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন যাবৎই সুখচর ইউনিয়নের জাগলার চরে স্থানীয় মনির মেম্বার গ্রুপ ও শান্ত গ্রুপের সংঘর্ষ চলে আসছিল। একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজ সকাল থেকেও দুই পক্ষের মধ্যে থেমে থেমে সংঘর্ষ হয়। এতে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটে। এখন পর্যন্ত পুলিশ ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। বর্তমানে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছানোর পর সংঘর্ষ থামলেও সেখানে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল আলম বলেন, ঘটনাস্থলে বর্তমানে পুলিশ রয়েছে। এখন পর্যন্ত ৫টি মরদেহ উদ্ধার করেছে

আরও পড়ুন
language Change