তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
বাজারে এলো নতুন ডিজাইনের ৫ টাকা রামগড়ে ভূমি সেবা মেলা উদযাপিত শেরপুরের আন্তর্জাতিক প্রসবজনিত ফিস্টুলা নির্মূল দিবস উপলক্ষে র‍্যালি সভা কালীগঞ্জে জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা মেলা উদ্বোধন হাম রোগীর জন্য আলাদা ওয়ার্ড বাধ্যতামূলক ব্রাজিল দল থেকে বাদ পড়লেন যেসব তারকা ফুটবলার সৌদিতে সেনা ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন পাকিস্তানের দুপুরের মধ্যে ৫ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির আশঙ্কা দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে: তথ্যমন্ত্রী জাল টাকা তৈরির মেশিনসহ কারবারি গ্রেফতার ফুটপাতে হকারদের জায়গা বরাদ্দ কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্ট ইতিহাসের একটি দলিল এবং আগামী প্রজন্মের জন্য এক প্রেরণার উৎস হবে বইটি- এস.এম জিলানী এমপি মির্জা আব্বাসকে দেখতে মালয়েশিয়ার জামায়াত সেক্রেটারি অপসাংবাদিকতার থাবায় গণমাধ্যম: পত্রিকার আইডি কার্ড বাণিজ্যে কলঙ্কিত হচ্ছে পেশা সন্ত্রাসীদের গুলিতে দুই অটো চালক গুলিবিদ্ধ দীঘিনালা থেকে জাতীয় পর্যায়ে হানজালা সানির সাফল্যের যাত্রা বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদ নেতা সওজের প্রধান প্রকৌশলী মঈনুল এখনো ক্ষমতাবান! সিলেট সীমান্তে বিএসএফ-বিজিবি গোলাগুলি নলডাঙ্গায় দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের হেনস্থার ঘটনায় থানায় অভিযোগ ৩ দিনব্যাপী শুরু হচ্ছে ভূমিসেবা মেলা, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নতুন পে স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার টাকা কালীগঞ্জে দুই হোটেল মালিককে জরিমানা ঝিনাইগাতীতে আন্তর্জাতিক প্রসবজনিত ফিস্টুলা নির্মূল দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা সুন্দরবনে গুলি করে শিকারিকে হত্যার অভিযোগ বনবিভাগের বিরুদ্ধে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত চাটখিল উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব স্থানীয় নির্বাচনে থাকছে না দলীয় প্রতীক মুশফিকের রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে বাংলাদেশ খাগড়াছড়ি প্রথমবারের মতো গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী বলী খেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবির অভিযান ১৪টি ভারতীয় গরু ও ৩৫ বোতল মদ জব্দ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট গলাচিপায়ার প্রধানমন্ত্রীর বরাবরের স্মরক লিপি সংবাদ সম্মেলন রাজস্ব না বাড়লে বাণিজ্য চুক্তিই হবে অর্থনীতির বোঝা টোল ফ্রি করার দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে সড়ক ভবন ঘেরাও পুলিশের এলিট ফোর্স হিসেবে থাকবে র‌্যাব যুক্তরাষ্ট্রের পতাকায় মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র ঢেকে দিলেন ট্রাম্প নতুন ভিসিকে ক্যাম্পাসে ঢুকতে বাধা, চলছে ব্লকেড কর্মসূচি ৯৫ বারের মতো পেছালো বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলার প্রতিবেদন রামগড়ে পৃথক পৃথক দুর্ঘটনায় দুই ব্যক্তির মৃত্যু সন্ধ্যার মধ্যে যে সকল জেলায় ঝড়ের আভাস ২৫ মে থেকে ৭ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা বিএনপির সিলেট টেস্টে ২৪৯ রানের লিড নিয়ে লাঞ্চে বাংলাদেশ চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি ‎সুন্দরবনের সুমন বাহিনীর প্রধান অস্ত্র সহ আত্মসমর্পণ করেছেন ‎রামগড়ের কৃতি সন্তান ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ মুকাররমকে বাসায় ডেকে সাত টুকরা করলেন প্রেমিকা রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী‎ রাজশাহীতে সব রুটের বাস চলাচল বন্ধ আমির হামজাকে গ্রেফতারে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ চট্টগ্রাম নগরের প্রধান সড়কে আন্দোলনে নিষেধাজ্ঞা চাঁদ দেখার পর মিলবে ঈদের বিশেষ ট্রেনের টিকিট

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১৩ কিলোমিটার যানজট

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টারঃ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ১৩ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রী ও চালকরা।

সোমবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল সাতটার দিকে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ার বাউশিয়া এলাকায় কুমিল্লাগামী লেনে সড়ক দুর্ঘটনা এবং যানবাহন বিকল হওয়ার কারণে এ যানজট সৃষ্টি হয়। যা সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ১৩ কিলোমিটার এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, যানবাহনের দীর্ঘ সারি। যাত্রী ও চালকরা গন্তব্যে পৌঁছাতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। কেউ কেউ ফোনে স্বজনদের বলছেন, যানজট ছাড়লেই এসে পড়বো। চিন্তার কারণ নেই।

এ সময় কথা হয় বাসচালক কুরবান আলীর সঙ্গে। তিনি বলেন, জামালদী থেকে ভবেরচর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত আসতে ঘণ্টাখানেক সময় লেগে গেলো। জানি না কতক্ষণে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবো।

তবে যানজটের কারণ জানেন না ট্রাকচালক শফিক। তিনি বলেন, মেঘনা সেতু পার হওয়ার পর থেকে যানজট পেয়েছি। কিন্তু কী কারণে যানজট, তা জানি না।

এ বিষয়ে গজারিয়া ভবেরচর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. হুমায়ুন কবির গণমাধ্যমকে বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত এবং বিকল হওয়া গাড়িগুলো মহাসড়ক থেকে সরানোর কার্যক্রম চলছে।

তিনি আরও বলেন, ধীরগতিতে যানবাহন চলছে, শিগগিরই যান চলাচল স্বাভাবিক হবে।

 

সবা:স:জু- ৭৮৩/২৫

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

প্রস্রাব চেপে রাখলেই বড় বিপদ

অনলাইন ডেস্ক: কাজের প্রয়োজনে রাস্তায় বের হলে বা কোনো কাজের চাপে অনেকেই প্রস্রাব আটকে রাখেন। কিন্তু এটি অভ্যাসে পরিণত হলেই বড় বিপদ হতে পারে! এতে মূত্রনালিতে উপস্থিত ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বেড়ে যায়। ফলে দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা। মানবদেহের মূত্রথলির ধারণক্ষমতা খুবই কম জানিয়ে চিকিৎসকেরা বলছেন, একজন সুস্থ পূর্ণবয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে মূত্রাশয়ে ২০০ মিলিলিটার পরিমাণ প্রস্রাব জমা হলেই ত্যাগ করার প্রয়োজন অনুভূত হয়। সুস্থ অবস্থায় মূত্রাশয় ৩৫০ থেকে ৫৫০ মিলিলিটার প্রস্রাব ধরে রাখতে সক্ষম। তবে মূত্রাশয় অধিক পরিমাণ প্রস্রাব ধরে রাখতে সক্ষম হলেও দীর্ঘ সময় তা ধরে রাখা শরীরের পক্ষে মোটেও ভালো নয়। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম আনন্দ বাজারের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রস্রাব ধরে রাখার অভ্যাস করলে মূত্রাশয়ের পেশি ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ে। দেখা দিতে পারে আরও নানা সমস্যা। দীর্ঘদিন ধরে এই

আরও পড়ুন
language Change