তারিখ লোড হচ্ছে...

হত্যা মামলায় সাবেক চিফ হুইপ আসম ফিরোজকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের পাশে ইশরাক নলডাঙ্গায় পাটুল হালতি বিলে রাতভর ভ্রাম্যমান আদালত,৫ জনের কারাদণ্ড ও ৩৩ হাজার টাকা জরিমানা দীঘিনালায় ছোট মেরুং বাজার দারুল সুন্নাহ মাদ্রাসায় কোরআনের সবক প্রদান ও দোয়া মাহফিল বন্য হাতির আক্রমণ প্রতিরোধে ঝিনাইগাতীতে পাহাড়ি এলাকার কৃষকদের মাঝে জগ লাইট বিতরণ রোগী সেজে সোনার চেইন চুরি, এক্সরে করে পেটে শনাক্ত বরগুনার আমতলীতে গৃহবধূকে জোরপূর্বক ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ মানসম্মত মজুরি দাবি বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সিরাজগঞ্জে সংসদ সদস্যের বহরে হামলার প্রধান আসামি তমাল রিমান্ডে চাঁদপুরে অগ্নিকাণ্ডে বসঘর পুড়ে চাই রাঙামাটিতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সমাবেশ ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি আয়কর কর্মকর্তা সাইফুলের সম্পদের তেলেসমাতি, দুদকের অনুসন্ধানে একাধিক ফ্ল্যাট-বাড়ি-জমি জমকালো আয়োজনে ভিওডি বাংলার দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন শহীদনগরে পানির সংকট নিরসনে উদ্যোগ রাজস্ব ফাঁকি রোধে বেনাপোলে কড়াকড়ি, কমছে আমদানি; না পেয়ে চাঁদা অপপ্রচার বিবাহিত নারীদের ব্ল্যাকমেইল ও মাদক ব্যবসা: যাত্রাবাড়ীতে আত্মগোপনে থাকা সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তাওসীফকে ... বিদ্যুৎমন্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি দ্বিতীয় শ্রেণির পদে থেকে কোটি টাকার সাম্রাজ্য: লুৎফা বেগমের অলৌকিক রাজত্ব আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়মের অভিযোগে শিগগিরই তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রত্যাশা ট্রাম্পের শ্রীমঙ্গলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ঝিনাইগাতীতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন সাতক্ষীরা সদরের তালতলা এলাকা থেকে অজ্ঞাত নারীর মৃতদেহ উদ্ধার কাউখালীতে উন্নয়নকাজে চাঁদার চাপ, বাধা-হামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন সুন্দরবনের চার জলদস্যু বাহিনীর ৫২ সদস্যের আত্মসমর্পণ ‎ বাপার ইবিটি কার্যক্রমে প্রশিক্ষণ পেল ৪৬ হাজার মানুষ বৈশাখীকে বাদ দিয়ে টেন্ডার ছাড়াই মেট্রোরেলে নতুন চুক্তি রক্ষমতার আড়ালে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গণপূর্তের সাইফুর রহমানে ওবায়দুল কাদের বিশেষ স্নেহধন্য সওজের আবু হেনা তারেক ইকবাল এখন নব্য জাতীয়তাবাদী লালবাগের শহীদ নগরে তীব্র পানি সংকট, দুর্ভোগে ২৪ নম্বর ওয়ার্ডবাসী নাটোরের নলডাঙ্গায় মাদক সেবনের অপরাধে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড সিন্দুকছড়ি জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ সুনামগঞ্জে বিজিবির অভিযানে ৩ কোটি ৫৮ লাখ ১৯ হাজার টাকার ২৬৮৩ পিস অবৈধ ভারতীয় শাড়ি জব্দ যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা বাংলাদেশিদের জন্য বড় সুখবর শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানালেন তারেক রহমান সুন্দরবনে দীর্ঘ তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে আগামীকাল থেকে মফস্বলে স্বাভাবিক প্রসবের দৃষ্টান্ত চাটখিল নরমাল ডেলিভারি হাসপাতাল অনিয়মকারীদের অভয়ারণ্য অগ্রণী ব্যাংক সাতক্ষীরার ভোমরা কাস্টমস কর্মকর্তা মুশফিকুর রহমানকে ঘিরে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ কেশবপুরে নজরুল বর্ষ-২৬/২৭-এর উদ্বোধন বরগুনার তালতলী ভূমি অফিসে ঘুষ ছাড়া কাগজে স্বাক্ষর করে না কানুনগো সজল ফোন থেকে গোপন ছবি-ভিডিও ফাঁস হয় যেভাবে অভিষেক ম্যাচেই ৩ গোল হজম করলেন মার্তিনেজ মাগুরার আলোচিত শিশু আছিয়া হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করল হাইকোর্ট বিবাহিত পুরুষদের যে বিষয়ে সতর্ক করলেন অমিতাভ নেপালে ভয়াবহ দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা ৮০০ ছাড়িয়েছে খাগড়াছড়িতে শান্তি- সম্প্রীতি বজায় রাখতে জেলা পরিষদের প্রতি রিজিয়ন কমান্ডারের আহ্বান সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসক কাপ ফাইনাল খেলা. টাইব্রেকারে কালিগঞ্জ কে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন আশাশুনি দল বিক্রি ও মুনাফায় বড় ধাক্কা ওয়ালটনের সংসদের সামনে শিক্ষিকা রনজিনা হত্যা, উদ্ধার মোটরসাইকেলের রং নিয়ে প্রশ্ন

শেরপুরে আমের মুকুলের স্বর্ণালী শোভা

শেরপুরে আমের মুকুলের স্বর্ণালী শোভা
পাঠক সংখ্যা
638

মিজানুর রহমানঃ

এসেছে বসন্ত, বইছে ফালগুনি হাওয়া। যোগ হয়েছে আমের মুকুলের স্বর্ণালী শোভা। অপরুপ সৌন্দর্য আর ঘ্রানে শেরপুরের বিভিন্ন উপজেলার গ্রামগঞ্জের গাছে উঁকি দিচ্ছে কঁচি আমের মুকুল। পাতার ফাঁকে ফাঁকে গুন গুন শব্দে ভ্রমরের গুঞ্জন। কৃষি প্রধান জেলা শেরপুর। জেলাসহ প্রতিটি উপজেলায় শোভা পাচ্ছে আমের মুকুল। জেলা-উপজেলার প্রত্যেক বসতবাড়িসহ বাগানে আমের মুকুলে ছেয়ে গেছে। শিলা বৃষ্টি বা কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে আমেরবাম্পার ফলনের আশা চাষিদের। শেরপুর জেলা ধান, গমের জেলা হিসেবে পরিচিত হলেও কৃষকরা ধান ও গমে লোকসানে উচুঁ, নিচু আবাদি জমিতে আম ও বিভিন্ন ফলদ এবং সবজি বাগান গড়ে তুলেছেন।

শেরপুর জেলার ৫ উপজেলায়ই প্রত্যেক বাড়ির আঙিনায় ছাড়াও আম বাগানের সংখ্যা প্রতি বছরই বাড়ছে। তাছাড়া বসতবাড়িতেও অনেকেরই বিভিন্ন জাতের আমের গাছ রয়েছে। এসব বাগানের গাছে প্রচুর মুকুল এসেছে। তবে ঝরো হাওয়া, পর্যাপ্ত পরিচর্যা ও পোকার আক্রমণে আমের মুকুল নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা ও রয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন প্রতিনিধি কে বলেন, ঝিনাইগাতিতে বড় কোন আমের বাগান নেই।তবে বিচ্ছিন্নভাবে বসতবাড়ির আশেপাশে ছোট ২-১ টি বাগান রয়েছে। এছাড়াও বসতবাড়িতে প্রচুর আম গাছ রয়েছে। এটি প্রায় ৩০ হেক্টর জমিতে আমের বাগান রয়েছে। 

ঝিনাইগাতী উপজেলার কৃষক আনোয়ার হোসেন বলেন, গাছ টানা ২০-৩০ বছর ফল দেয়। গাছ রোপনের ২ বছরের মধ্যেই আম ধরে। প্রতিকেজি বিক্রী হয় ২০০-২৫০ টাকায়। বাগানে সাথী ফসল হিসেবে আলু ও শাক,হলুদ,আদা সবজী আবাদ ও করতে পারেন। সময়মত কীটনাশক ছিটিয়ে ও পরিচর্যা করলে ভালো ফলন ও দাম পাবেন বলে জানান তারা। ধান ও অন্যান্য ফসল থেকে আম ও লিচু বাগান করে লাভ বেশি পরিশ্রমও কম। আম্রপালি ও লিচু জনপ্রিয় ও রসালো ফল। দেশ-বিদেশে খুবই চাহিদা রয়েছে। বাগানে কম বেশি লাভ হওয়ায় অনেক বেকার যুবক বাণিজ্যিকভাবে আম্রপালির বাগানের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। গাছ লাগানোর ২/৩ বছরের মধ্যেই আম পাওয়া যায়। লাগাতার ফল দেয় ১০/১২ বছর। বাগান মালিকরা জানান, আবহাওয়া ভালো থাকলে সর্বোচ্চ ফলন হবে। ফলন এবং রং ভালো রাখার জন্য গাছের গোড়ায় পানি দিচ্ছেন। মুকুল থেকে গুটি বের হলে নিয়ম মাফিক ভিটমিন ও কীটনাশক স্প্রে করবেন। ব্যবসায়ীরা ২/ ৩ বছর চুক্তিতে বাগান ক্রয় করেন। তারাই দেখভালও পরিচর্যা করেন। মালিকের লোকশানেরও চিন্তা থাকেনা। স্বুসাধু ফলের মধ্যে আমে যেমন ঘ্রান, তেমনি স্বাদে মজাদার ও ভিটামিন সমৃদ্ধ। ঝিনাইগাতী উপজেলা সদরের ফল ব্যাবসায়ী বিল্লাল হোসেন বলেন, ফল আসা শুরু করলে গাছ ১৫-২০ বছর টানা ফল দেয়। 

চিকিৎসকদের মতে, আম অনেক পুষ্টি গুন সমৃদ্ধ। উচ্চ মাত্রায় ভিটামিন সি, ক্ষনিজ লবন রয়েছে। যা শরীরকে সুস্থ-সতেজ রাখে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ভিটামিন ও খনিজ লবন দাত, নখ, চুল মজবুত রাখে। বাগানগুলোয় সাথী ফসল হিসেবে গমসহ সবজিরও আবাদ করা যায়। মুকুল আসা বাগানের পাশ দিয়ে হাঁটলেই মুকুলের ঘ্রাণে মন প্রাণ ভরে ওঠে। উপজেলা উপ-সহকারী এগ্রিকালচার এক্সটেনশন অফিসার ওহেদুজ্জামান নুর বলেন, জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে বাগান পরিষ্কার রাখা, আগাছা দমন ও রোগাক্রান্ত ডাল ছাঁটাই জরুরি। গাছের বয়স অনুযায়ী গোবর, ইউরিয়া, টিএসপি ও এমওপি সুষম হারে প্রয়োগ করতে হবে। পানি যেন জমে না থাকে, তবে মাটিতে আর্দ্রতা থাকতে হবে। প্রয়োজনে প্রতিরোধমূলকভাবে ম্যানকোজেব বা কপারজাতীয় ছত্রাকনাশক একবার স্প্রে করা যেতে পারে।

মুকুল বের হওয়ার সময়: সতর্ক নজরদারি এই পর্যায়ে আমের হপার, থ্রিপস বেশি দেখা যায়। ৫-১০ শতাংশ মুকুল বের হলেই বাগান নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে। হপার দেখা দিলে ইমিডাক্লোপ্রিড (২ মিলি/লিটার) গ্রুপের কীটনাশক ব্যবহার করা যায়। ছত্রাকজনিত রোগ পাউডারি মিলডিউ ও অ্যানথ্রাকনোজ দমনে হেক্সাকোনাজল বা কারবেন্ডাজিম  (২ গ্রাম / লিটার) কার্যকর। তবে পূর্ণ ফুলের সময় অতিরিক্ত স্প্রে পরাগায়নে বাধা সৃষ্টি করতে পারে, তাই সতর্কতা জরুরি। ফল সেটিং পর্যায়ে  ফল ঝরা রোধ
ফুল ঝরে ছোট ফল ধরার সময় ফল ঝরা বেশি হয়। এ সময় হালকা সেচ ও বোরনসহ মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট স্প্রে উপকারী। একই গ্রুপের কীটনাশক বারবার ব্যবহার না করে গ্রুপ পরিবর্তন করতে হবে। মার্বেল সাইজ ফলে পোকা দমন ছোট কাঁচা আমে ফল ছিদ্রকারী পোকা ও ফল মাছির আক্রমণ দেখা যায়। ফল মাছি দমনে ফেরোমন ট্র্যাপ (প্রতি বিঘায় ৪-৬টি) ব্যবহার কার্যকর ও পরিবেশবান্ধব। আক্রমণ বেশি হলে সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক (১ মিলি/লিটার) ব্যবহার করা যায়।

বৃষ্টির পর ছত্রাকনাশক স্প্রে করলে অ্যানথ্রাকনোজ কমে। ফল বড় হওয়া থেকে পাকা পর্যন্ত ১৫-২০ দিন পরপর বাগান পরিদর্শন জরুরি। ভারী ফলের চাপে ডাল ভেঙে গেলে সাপোর্ট দিতে হবে। সংগ্রহের অন্তত ১৫-২০ দিন আগে কীটনাশক প্রয়োগ বন্ধ রাখতে হবে, যাতে ফল নিরাপদ থাকে। ঝিনাইগাতী উপজেলা কৃষি অফিসার ফরহাদ হোসেন প্রতিনিধি কে বলেন, আবহাওয়া ভাল থাকায় ব্যাপক মুকুল দেখা যাচ্ছে। আশা করা যায় ব্যাপক ফলন হবে। শিলাবৃষ্টি বা ঝড় না হলে আমের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করেন তিনি।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

৫ আগস্ট নিয়ে আতঙ্কের কোনো কারণ নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

৫ আগস্ট নিয়ে আতঙ্কের কোনো কারণ নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ডেস্ক রিপোর্ট: ৫ আগস্ট নিয়ে সরকার সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং কোনো ধরনের নিরাপত্তা শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী । সোমাবর (০৪ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন তিনি। উপদেষ্টা বলেন ৫ আগস্ট নিয়ে কোনো ধরনের আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। মহান আল্লাহর রহমতে সকলের সহযোগিতায় সব ধরনের অনুষ্ঠান ও কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সতর্কতাও রয়েছে। সরকারকে সব কিছুর বিষয়েই সতর্ক থাকতে হয়। এজন্যই বিভিন্ন ধরনের সভা আয়োজন করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা চাওয়া হয়। সরকারের বিশেষ অভিযান নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, বিশেষ অভিযান পুরো দেশব্যাপী চলতেছে যেটা নির্বাচনের আগ পর্যন্ত চলবে।

আরও পড়ুন
language Change