তারিখ লোড হচ্ছে...

বোয়ালখালীতে লবণ কারখানায় আগুন, দগ্ধ ১০ আমতলীতে মিথ্যা মামলা, ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন জুলাই শহিদ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি মাদক ব্যবসায়ীদের ছাড় নয়, অপরাধী আমার ভাই হলেও ধরবেন: প্রতিমন্ত্রী জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উদযাপনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ‎বাগেরহাটে নিজ ঘর থেকে দম্পতির মরদেহ উদ্ধার গলাচিপায় উৎসবমুখর পরিবেশে শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত জিপে লুকিয়ে ৮০ হাজার ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার ভোলাহাটে কৃষক কার্ড বিতরণের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন রামগড়ে কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন জলবায়ু পরিবর্তন ও খাদ্যনিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর কৃষির নতুন দিগন্ত বাঁশখালীতে বন্যার্তদের পাশে ছাত্রদল নেতা আফজাল রহমান, ৩০০ পরিবার পেল ত্রাণ ঢাকায় এবার মনোরেল করতে চায় সরকার ৬০ বছর পর বিশ্বকাপে স্পেনের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা গলাচিপায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে যুবদল নেতা ইখতিয়ার রহমান কবির নলডাঙ্গায় সারবোঝাই ট্রাক উল্টে দুর্ঘটনা, চালক-হেলপার অক্ষত প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ উপলক্ষে শেরপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন বরগুনায় কৃষক স্মার্ট কার্ড বিষয়ক প্রশিক্ষণ মির্জা মোরাদুজ্জামানের ৩১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত জলাবদ্ধতায় ঘরেই নবজাতকসহ প্রসূতির মৃত্যু কেশবপুরে অবহেলিত নবজাতক প্রসূতির পাশে ইউএনও ৯ ঘণ্টা আত্মগোপন, অবশেষে গ্রামবাসীর হাতে আটক দুই গরু চোর রাঙামাটি সদর হাসপাতালে প্রথমবার চালু হলো কলপোস্কোপি সেবা বাজেট অধিবেশন শেষ ২৬ কার্যদিবসে, ১০ বিল পাস জুলাই শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান: রাষ্ট্রপতির ধরাছোঁয়ার বাইরে প্রধান বনরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী এনআইবির মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে ক্রয় অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ কেশবপুরে দিন দুপুরে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের মোল্লাপাড়া গ্রাম থেকে ২ শত পিস ইয়াবাসহ ৩ জন আটক বাঘাইছড়িতে সরকারি সহায়তার আশ্বাস এমপি দীপেন দেওয়ান মোংলা বন্দরে কর্মচারী সংঘের নির্বাচনের উদ্যোগ, ৩ সদস্যের কমিটি গঠন মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় নোবিপ্রবি-ডিপিডিটির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ও প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত রামগড়ে দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরন ফ্যাসিস্টের দোসর ও হাইব্রিডদের স্থান নেই বিএনপিতে দীঘিনালায় বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে ৭ বিজিবি জাহাঙ্গীর হত্যা মামলায় স্বামী, স্ত্রী ও কন্যাসহ ৫ জনের যাবজ্জীবন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একহাতে বদলির প্রজ্ঞাপন অন্ন হাতে সেই প্রজ্ঞাপন বাতিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জুনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার মফিজুর রহমান খান রিপনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ এলেনবাড়ি গণপূর্তে অনিয়মের অভিযোগ, ঠিকাদারদের ক্ষোভ ঘাগড়া গ্রামে প্রায় ৩ যুগেরও বেশি উন্নয়নের ছোঁয়া নেই: চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে সাড়ে ৩ কোটি টাকার স্বর্ণসহ যাত্রী আটক সিরাজগঞ্জে ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বিতরণ বিস্তীর্ণ জঙ্গলে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী চার দশকের রাজপথ পেরিয়ে সা.সম্পাদক পদপ্রার্থী রাশেদুল হাসান রঞ্জন হরিদাস থেকে তাওহীদ, ইলেকট্রিশিয়ান থেকে কোটিপতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে কখনো হারেনি আর্জেন্টিনা কেশবপুরে পানিবন্দি মানুষের পাশে এমপি মোক্তার আলী ঢাকাসহ ১৯ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস

শেরপুরে আমের মুকুলের স্বর্ণালী শোভা

শেরপুরে আমের মুকুলের স্বর্ণালী শোভা
পাঠক সংখ্যা
638

মিজানুর রহমানঃ

এসেছে বসন্ত, বইছে ফালগুনি হাওয়া। যোগ হয়েছে আমের মুকুলের স্বর্ণালী শোভা। অপরুপ সৌন্দর্য আর ঘ্রানে শেরপুরের বিভিন্ন উপজেলার গ্রামগঞ্জের গাছে উঁকি দিচ্ছে কঁচি আমের মুকুল। পাতার ফাঁকে ফাঁকে গুন গুন শব্দে ভ্রমরের গুঞ্জন। কৃষি প্রধান জেলা শেরপুর। জেলাসহ প্রতিটি উপজেলায় শোভা পাচ্ছে আমের মুকুল। জেলা-উপজেলার প্রত্যেক বসতবাড়িসহ বাগানে আমের মুকুলে ছেয়ে গেছে। শিলা বৃষ্টি বা কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে আমেরবাম্পার ফলনের আশা চাষিদের। শেরপুর জেলা ধান, গমের জেলা হিসেবে পরিচিত হলেও কৃষকরা ধান ও গমে লোকসানে উচুঁ, নিচু আবাদি জমিতে আম ও বিভিন্ন ফলদ এবং সবজি বাগান গড়ে তুলেছেন।

শেরপুর জেলার ৫ উপজেলায়ই প্রত্যেক বাড়ির আঙিনায় ছাড়াও আম বাগানের সংখ্যা প্রতি বছরই বাড়ছে। তাছাড়া বসতবাড়িতেও অনেকেরই বিভিন্ন জাতের আমের গাছ রয়েছে। এসব বাগানের গাছে প্রচুর মুকুল এসেছে। তবে ঝরো হাওয়া, পর্যাপ্ত পরিচর্যা ও পোকার আক্রমণে আমের মুকুল নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা ও রয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন প্রতিনিধি কে বলেন, ঝিনাইগাতিতে বড় কোন আমের বাগান নেই।তবে বিচ্ছিন্নভাবে বসতবাড়ির আশেপাশে ছোট ২-১ টি বাগান রয়েছে। এছাড়াও বসতবাড়িতে প্রচুর আম গাছ রয়েছে। এটি প্রায় ৩০ হেক্টর জমিতে আমের বাগান রয়েছে। 

ঝিনাইগাতী উপজেলার কৃষক আনোয়ার হোসেন বলেন, গাছ টানা ২০-৩০ বছর ফল দেয়। গাছ রোপনের ২ বছরের মধ্যেই আম ধরে। প্রতিকেজি বিক্রী হয় ২০০-২৫০ টাকায়। বাগানে সাথী ফসল হিসেবে আলু ও শাক,হলুদ,আদা সবজী আবাদ ও করতে পারেন। সময়মত কীটনাশক ছিটিয়ে ও পরিচর্যা করলে ভালো ফলন ও দাম পাবেন বলে জানান তারা। ধান ও অন্যান্য ফসল থেকে আম ও লিচু বাগান করে লাভ বেশি পরিশ্রমও কম। আম্রপালি ও লিচু জনপ্রিয় ও রসালো ফল। দেশ-বিদেশে খুবই চাহিদা রয়েছে। বাগানে কম বেশি লাভ হওয়ায় অনেক বেকার যুবক বাণিজ্যিকভাবে আম্রপালির বাগানের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। গাছ লাগানোর ২/৩ বছরের মধ্যেই আম পাওয়া যায়। লাগাতার ফল দেয় ১০/১২ বছর। বাগান মালিকরা জানান, আবহাওয়া ভালো থাকলে সর্বোচ্চ ফলন হবে। ফলন এবং রং ভালো রাখার জন্য গাছের গোড়ায় পানি দিচ্ছেন। মুকুল থেকে গুটি বের হলে নিয়ম মাফিক ভিটমিন ও কীটনাশক স্প্রে করবেন। ব্যবসায়ীরা ২/ ৩ বছর চুক্তিতে বাগান ক্রয় করেন। তারাই দেখভালও পরিচর্যা করেন। মালিকের লোকশানেরও চিন্তা থাকেনা। স্বুসাধু ফলের মধ্যে আমে যেমন ঘ্রান, তেমনি স্বাদে মজাদার ও ভিটামিন সমৃদ্ধ। ঝিনাইগাতী উপজেলা সদরের ফল ব্যাবসায়ী বিল্লাল হোসেন বলেন, ফল আসা শুরু করলে গাছ ১৫-২০ বছর টানা ফল দেয়। 

চিকিৎসকদের মতে, আম অনেক পুষ্টি গুন সমৃদ্ধ। উচ্চ মাত্রায় ভিটামিন সি, ক্ষনিজ লবন রয়েছে। যা শরীরকে সুস্থ-সতেজ রাখে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ভিটামিন ও খনিজ লবন দাত, নখ, চুল মজবুত রাখে। বাগানগুলোয় সাথী ফসল হিসেবে গমসহ সবজিরও আবাদ করা যায়। মুকুল আসা বাগানের পাশ দিয়ে হাঁটলেই মুকুলের ঘ্রাণে মন প্রাণ ভরে ওঠে। উপজেলা উপ-সহকারী এগ্রিকালচার এক্সটেনশন অফিসার ওহেদুজ্জামান নুর বলেন, জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে বাগান পরিষ্কার রাখা, আগাছা দমন ও রোগাক্রান্ত ডাল ছাঁটাই জরুরি। গাছের বয়স অনুযায়ী গোবর, ইউরিয়া, টিএসপি ও এমওপি সুষম হারে প্রয়োগ করতে হবে। পানি যেন জমে না থাকে, তবে মাটিতে আর্দ্রতা থাকতে হবে। প্রয়োজনে প্রতিরোধমূলকভাবে ম্যানকোজেব বা কপারজাতীয় ছত্রাকনাশক একবার স্প্রে করা যেতে পারে।

মুকুল বের হওয়ার সময়: সতর্ক নজরদারি এই পর্যায়ে আমের হপার, থ্রিপস বেশি দেখা যায়। ৫-১০ শতাংশ মুকুল বের হলেই বাগান নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে। হপার দেখা দিলে ইমিডাক্লোপ্রিড (২ মিলি/লিটার) গ্রুপের কীটনাশক ব্যবহার করা যায়। ছত্রাকজনিত রোগ পাউডারি মিলডিউ ও অ্যানথ্রাকনোজ দমনে হেক্সাকোনাজল বা কারবেন্ডাজিম  (২ গ্রাম / লিটার) কার্যকর। তবে পূর্ণ ফুলের সময় অতিরিক্ত স্প্রে পরাগায়নে বাধা সৃষ্টি করতে পারে, তাই সতর্কতা জরুরি। ফল সেটিং পর্যায়ে  ফল ঝরা রোধ
ফুল ঝরে ছোট ফল ধরার সময় ফল ঝরা বেশি হয়। এ সময় হালকা সেচ ও বোরনসহ মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট স্প্রে উপকারী। একই গ্রুপের কীটনাশক বারবার ব্যবহার না করে গ্রুপ পরিবর্তন করতে হবে। মার্বেল সাইজ ফলে পোকা দমন ছোট কাঁচা আমে ফল ছিদ্রকারী পোকা ও ফল মাছির আক্রমণ দেখা যায়। ফল মাছি দমনে ফেরোমন ট্র্যাপ (প্রতি বিঘায় ৪-৬টি) ব্যবহার কার্যকর ও পরিবেশবান্ধব। আক্রমণ বেশি হলে সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক (১ মিলি/লিটার) ব্যবহার করা যায়।

বৃষ্টির পর ছত্রাকনাশক স্প্রে করলে অ্যানথ্রাকনোজ কমে। ফল বড় হওয়া থেকে পাকা পর্যন্ত ১৫-২০ দিন পরপর বাগান পরিদর্শন জরুরি। ভারী ফলের চাপে ডাল ভেঙে গেলে সাপোর্ট দিতে হবে। সংগ্রহের অন্তত ১৫-২০ দিন আগে কীটনাশক প্রয়োগ বন্ধ রাখতে হবে, যাতে ফল নিরাপদ থাকে। ঝিনাইগাতী উপজেলা কৃষি অফিসার ফরহাদ হোসেন প্রতিনিধি কে বলেন, আবহাওয়া ভাল থাকায় ব্যাপক মুকুল দেখা যাচ্ছে। আশা করা যায় ব্যাপক ফলন হবে। শিলাবৃষ্টি বা ঝড় না হলে আমের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করেন তিনি।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

করলার তেতো স্বাদ কমানোর উপায়

স্টাফ রিপোর্টার: করলা একটি অবিশ্বাস্যরকম পুষ্টিকর সবজি, কিন্তু এর তীব্র তেতো স্বাদের কারণে অনেকেই খেতে পছন্দ করে না। এটি স্বাস্থ্যগত উপকারিতায় ভরপুর। করলায় প্রচুর ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, জিঙ্ক, ফাইবার এবং আয়রন রয়েছে, যা শরীরের ওপর এর অনেক ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। করলা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বিশেষভাবে উপকারী এবং যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্যও এটি দুর্দান্ত। তবে তেতো স্বাদ অনেকেরই বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কিছু সহজ কৌশল রয়েছে যা করলার তিক্ত স্বাদ কমাতে সাহায্য করে। চলুন জেনে নেওয়া যাক- ভিনেগার পানিতে ভিজিয়ে রাখুন করলাকে ভিনেগার পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এক বাটি পানিতে ২ থেকে ৩ চা চামচ ভিনেগার মিশিয়ে নিন, তারপর কাটা করলাকে প্রায় ৩০ মিনিটের জন্য ভিজিয়ে রাখুন। এই সহজ ধাপটি করলার

আরও পড়ুন
language Change