তারিখ লোড হচ্ছে...

সাত অঞ্চলের ঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত ইউএনও আল-আমীনের উদ্যোগে ঝিনাইগাতীতে দুই প্রতিবন্ধী ব্যক্তির হাতে হুইলচেয়ার ফেসবুকে ফ্রি ভেরিফায়েড ব্যাজ পাবেন না যারা প্রতিবন্ধী তিন ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী তিতাস এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকটের ফের সতর্কতা পোলাও চালের বাজারে অস্থিরতা, নেপথ্যে কী? হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় থেকে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার জাপানে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৮ আত্মসমর্পণের আগেই গ্রেফতার হতে পারেন শেখ হাসিনা: আইনমন্ত্রী বিআইডব্লিউটিএর সহকারী সমন্বয় কর্মকর্তা আহসান হাবীবের বিরুদ্ধে কোটি  টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ যশোর বিএডিসি কার্যালয়ে চরম অনিয়ম, একই স্থানে ৭ বছর এক কর্মকর্তা শ্রীমঙ্গলে নাহিদ-হাসনাতদের গাড়িবহর আটকে দিলো পুলিশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে ২৮ সদস্যের কমিটি অনুমোদন মাতুয়াইলের পেট কাটা শামীম ও সহযোগীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন ধর্মপাশা থানার ওসি সহিদ উল্ল্যা অর্থের বিনিময়ে নাসিম হত্যা মামলার ৯জনের নাম বাদ দেয়ার সংবাদ সম্মেলন উন্নয়ন ও সুশাসনের ধারা অব্যাহত রাখতে পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী বাঘ রক্ষা করা আমাদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হোয়াটসঅ্যাপে আসছে বড় পরিবর্তন, মিলবে একাধিক নতুন সুবিধা ধর্ষণ মামলায় মাগুরার সাবেক এসপির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা খুব শিগগিরই দেশে ফিরতে চান সাকিব শিক্ষার্থীদের সুখবর: গণিত ও বিজ্ঞানের ভীতি কমাতে চালু হচ্ছে নতুন পদ্ধতি অশ্লীল কনটেন্ট তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার গেজিল ওয়াল এবার দেশের সয়াবিন তেলে মিললো ভয়াবহ মাত্রার মাইক্রোপ্লাস্টিক ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টকে চোর বললেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট চট্টগ্রামের আলোচিত সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমন অনশনের দ্বিতীয় দিনে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইল সাংবাদিকের পরিবার কেশবপুরে ইয়াবাসহ যুবক আটক সাতক্ষীরা দেবহাটায় উপজেলা মাসিক আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত পজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) আল-আমীনের উদ্যোগে প্রতিবন্ধী হুইলচেয়ার,পেয়ে আনন্দ মুখে ফিরল হাসি স্বামীর পরকীয়ার সন্দেহে গৃহবধূর মৃত্যু, পরিবারের দাবি শ্বাসরোধে হত্যা চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিজিবির অভিযানে মোটরসাইকেলসহ দুই জন আটক নাটোর রাজবাড়ী পরিদর্শনে বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত ভারী বর্ষণ ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গরীব ও অসহায়দের মাঝে সাতক্ষীরা  বিজিবি'র ত্রাণ সহায়তা প্রদান কক্সবাজার উপকর কমিশনার নুরুর ইসলামের কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের পাহাড় শিল্পখাতে গ্যাস সংকট কাটাতে সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর রাঙামাটিতে পিসিএনপির প্রতিবেদন: অপহরণ, হত্যা ও চাঁদাবাজি নিয়ে উদ্বেগ খুলনায় চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রচারণায় ভূয়া সাংবাদিক আটক জুলাই নিয়ে আপতৎপরতা বিএনপি রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করবে: যোগাযোগ মন্ত্রী চাঁদপুরে বিদ্যালয় কতৃপক্ষের দায়িত্ব অবহেলা শিক্ষার্থীর মৃত্যু চাঁদপুর নদী বন্দরে বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি শফিউল বারী বাবুর স্মরণে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মিরপুর কলেজের দেয়াল ধস: তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা ও ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার  এমপির ফেরদৌসী আহমেদ  ঝিনাইগাতীর বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প পরিদর্শনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হ... পুনর্বাসন ছাড়া আজিমপুর কলোনির ৩১ ভবন ভাঙার উদ্যোগ, তদন্তের মুখে প্রকৌশলী ফিলোন ফিড শরীয়তপুর ডিপোর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত চিতলমারী থানা প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি: সভাপতি টিপু, সম্পাদক অরুণ ৩ ছেলে প্রবাসে, নিঃসঙ্গ চন্দনাইশের আবদুর রহমানের লাশ মিলল ঘরে আদালতে গিয়ে আইভী বললেন নির্দোষ হয়েও আমি অপরাধী মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে চাই: মির্জা ফখরুল কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য দুঃসংবাদ

অনিক ও সোহেলের ভুয়া “প্রাচীন পিলার ও কয়েন” চক্রে নিঃস্ব হচ্ছে অনেকে

অনিক ও সোহেলের ভুয়া “প্রাচীন পিলার ও কয়েন” চক্রে নিঃস্ব হচ্ছে অনেকে
পাঠক সংখ্যা
638


নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
দেশে এক অভিনব প্রতারণার চক্রের উন্মোচন ঘটেছে, যা সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে দেশের ধন্যাঢ্য ব্যবসায়ী, শিল্পপতি এবং উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের পর্যন্ত নিঃস্ব করে ফেলেছে। এই চক্রের মূল হোতারা হলেন অনিক ও মাজারুল ইসলাম সোহেল। তাদের প্রতারণা কৌশল ভুয়া “প্রাচীন পিলার” ও কয়েনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যা অত্যন্ত সুচিন্তিত, অভিনব এবং জটিল। প্রাথমিক তদন্ত ও ভুক্তভোগীদের বর্ণনার ভিত্তিতে দেখা গেছে, প্রতারণার কৌশল এতটাই সূক্ষ্ম এবং পেশাদার ছিল যে কেউ সহজে সন্দেহ করতে পারেননি।
মাজারুল ইসলাম সোহেল কৃষকলীগ ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সহ-সভাপতি হিসেবে পরিচিত। তিনি ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে নেত্রকোনা জেলার পূর্বধল্লা আসনে স্বতন্ত্র নির্বাচন করেছিলেন। তিনি নেত্রকোনা জেলার আওয়ামী লীগের নেতা ও যুবলীগের নেতা হিসেবেও পরিচিত বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া মাজারুল ইসলাম সোহেল হত্যা মামলার আসামি বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, এই প্রতারণা চক্রের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। অভিযোগে উঠে এসেছে যে প্রিমিয়ার ব্যাংকের চেয়ারম্যান ডা. এস বি ইকবালের কাছ থেকে প্রায় ৪০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। ডজলেন গ্রুপের আরিফ সাহেবের কাছ থেকে ১৬ কোটি টাকা এবং সিবিএম গ্রুপের জয়নাল ওরফে জামান সাহেবের কাছ থেকে প্রায় ১৪০ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও আরও অনেক কোম্পানি রয়েছে এবং তালিকাটি আরও দীর্ঘ বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগীদের সাক্ষাৎকার এবং অনুসন্ধান অনুযায়ী জানা গেছে, অনিক ও সোহেলের প্রতারণা কৌশল ছিল অত্যন্ত পরিকল্পিত। প্রতারকেরা সাধারণ কয়েন, পাথর বা সিলিন্ডার আকৃতির বস্তুকে প্রাচীন বলে দাবি করতেন। কৃত্রিমভাবে বয়স দেখানোর জন্য তারা প্যাটিনা, দাগ এবং বিভিন্ন চিহ্ন তৈরি করতেন। বস্তুগুলোকে ইতিহাসভিত্তিক ব্যাখ্যা দিয়ে “বিশেষ বিনিয়োগ” হিসেবে উপস্থাপন করা হত।
রূপা (ছদ্মনাম), একজন ভুক্তভোগী বলেন, “ওরা বলেছিল পিলারটি প্রাচীন মন্দিরের অংশ। আমরা ছবি এবং ইতিহাস দেখে বিশ্বাস করেছিলাম। পরে বুঝলাম এটি কৃত্রিম। আমাদের অর্থের সবটাই হারালাম।” ফরহাদ নামে আরেক ভুক্তভোগী জানান, “কয়েনগুলো ‘রেয়ার’ বলেই চাপ দেওয়া হয়েছিল। আমরা লেনদেন করেছি। পরে মেটাল টেস্টে বোঝা গেল সব ভুয়া।”
প্রতারকেরা ফাইভস্টার হোটেলের লাউঞ্জ, কনফারেন্স রুম এবং রেস্টুরেন্টে প্রদর্শনী ও ব্যক্তিগত ডিলের আয়োজন করতেন। বিলাসবহুল পরিবেশ ভুক্তভোগীদের মনে আস্থা তৈরি করত। হোটেলের পরিবেশ, সজ্জা এবং প্রফেশনাল আচরণ দেখেই ক্রেতারা বড় অঙ্কের লেনদেনে ঝুঁকতেন। ভুক্তভোগীরা বলেন, “হোটেলের বিলাসবহুল লাউঞ্জে বসে তারা এত পেশাদারীভাবে প্রেজেন্টেশন করেছিল যে কেউ সন্দেহ করতে পারেনি। আমরা বিশ্বাস করেছিলাম এটি নিরাপদ বিনিয়োগ।”
চক্রটির একটি প্রধান কৌশল ছিল দেশের ধন্যাঢ্য ও উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের টার্গেট করা। তারা নিজেদেরকে প্রফেশনাল, অভিজ্ঞ এবং ইতিহাস বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থাপন করতেন। বড় ব্যবসায়ী, শিল্পপতি এবং উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তিরা তাদের টার্গেট হয়েছিলেন। ভুক্তভোগীরা জানান, বিলাসবহুল পরিবেশ এবং পেশাদারী প্রেজেন্টেশন দেখে তারা ভুল করে বড় অঙ্কের অর্থ প্রদান করেছিলেন।
এই প্রতারণা প্রক্রিয়ায় শত শত মানুষকে বড় অঙ্কের অর্থ প্রদান করানো হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক অভিযোগ অনুযায়ী দেশের শতাধিক ব্যক্তি এই চক্রের শিকার হয়েছেন। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ধন্যাঢ্য ব্যক্তি—সবারই অর্থ ক্ষতি হয়েছে।
লেনদেনের পর অনেক সময় প্রতারকেরা আর উপস্থিত থাকতেন না। আবার কখনও অর্ধেক বস্তু বা কৃত্রিম কাগজপত্র দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করতেন। এই কৌশল ভুক্তভোগীদের হতবিহ্বল করে দিত এবং তদন্ত শুরু হওয়ার আগেই তারা অনেক দূরে চলে যেত।
প্রাথমিকভাবে জানা যায় সাধারণ মানুষ ৫০ থেকে ৭০ জন এই প্রতারণার শিকার হয়েছেন। বৃহৎ ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি প্রায় ২০ থেকে ৩০ জন এবং উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি প্রায় ১০ থেকে ২০ জন পর্যন্ত এই চক্রের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভুক্তভোগীরা বিভিন্ন শহর থেকে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা এবং রাজশাহী। প্রায় সকল ভুক্তভোগী একই পদ্ধতিতে অর্থ হারিয়েছেন—ফাইভস্টার হোটেলে প্রদর্শনী দেখার পর বড় অঙ্কের লেনদেনের মাধ্যমে।
প্রাথমিক অনুসন্ধান অনুযায়ী চক্রটি কয়েকটি ধাপে পরিচালিত হয়েছে। প্রথমে বিশ্বাস তৈরি করা হতো ফাইভস্টার হোটেলের বিলাসবহুল পরিবেশে প্রদর্শনীর মাধ্যমে। এরপর সম্ভাব্য ক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি বা অনলাইনে যোগাযোগ করে প্রচারণা ও বিক্রয় কার্যক্রম চালানো হতো। তারপর লেনদেন সম্পন্ন হওয়ার পর অর্থ গ্রহণ করে অনেক সময় অদৃশ্য হয়ে যাওয়া বা ভুয়া কাগজপত্র দেখানোর ঘটনা ঘটত। এভাবে বড় অঙ্কের অর্থ আত্মসাৎ করে দেশের ধন্যাঢ্য ব্যক্তিদেরও শিকার বানানো হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগীরা বিভিন্ন ধরনের প্রমাণ সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে লেনদেনের রশিদ, ব্যাংক ট্রান্সফারের তথ্য, ফেসবুক ও মেসেঞ্জারের কথোপকথনের স্ক্রিনশট, প্রদর্শিত বস্তু বা নমুনা এবং প্রত্যক্ষদর্শী ও হোটেলকর্মীদের বিবৃতি।
ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের মতে এসব বস্তু পরীক্ষা করার জন্য মেটাল কমপজিশন টেস্ট, স্ট্রাকচারাল বিশ্লেষণ এবং প্যাটিনা পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রফেশনাল বিশেষজ্ঞরা বলেন, “প্রাচীন বস্তু যাচাই করার জন্য শুধুমাত্র চেহারা বা ইতিহাসভিত্তিক ব্যাখ্যা যথেষ্ট নয়। ল্যাবরেটরি টেস্ট এবং প্রমাণভিত্তিক যাচাই প্রয়োজন।”
আইনগত দিক থেকে প্রতারণা, জাল বিক্রয় এবং প্রতারণামূলক ব্যবসায়িক কৌশল এই চক্রের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। ভুক্তভোগীরা থানায় জিডি বা মামলা দায়ের করে প্রমাণাদি জমা দিতে পারেন।
এই প্রতারণার ফলে দেশের শতাধিক মানুষ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সাধারণ মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভবিষ্যতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সতর্কতার প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়েছে।
অনিক ও সোহেলের এই প্রতারণা কেবল আর্থিক ক্ষতিই নয়, বরং দেশের ধন্যাঢ্য ও সাধারণ মানুষের আস্থাকেও নষ্ট করেছে। প্রমাণভিত্তিক তদন্ত এবং আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে এ ধরনের চক্র আরও বিস্তার লাভ করতে পারে। ভুক্তভোগীরা একত্রিত হয়ে মামলা করলে প্রমাণাদি ও ফরেনসিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে এই চক্র ভেঙে ফেলা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সামাজিক সচেতনতা এবং পেশাদারী যাচাই ছাড়া বিনিয়োগ না করার জন্যও সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

ঘুষ ও দুর্নীতির আখড়া বিআইএসএফ

ঘুষ ও দুর্নীতির আখড়া বিআইএসএফ

জান্নাত আশা ॥ স্বৈরাচার হাসিনার আমলে দেশে অরাজকতার কারনে পালালেও তার দোসররা বসে সেই অপর্কম করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত তেমনী ভাবে ঘুষ, অনিয়ম, দুর্নীতি আর উৎপাদিত পণ্য পাচার করছে ইনসুলেটর ও স্যানিটারিওয়্যার উৎপাদনকারী দেশের একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইনসুলেটর অ্যান্ড স্যানিটারিওয়্যার ফ্যাক্টরি লিমিটেড (বিআইএসএফ)। বছরের পর বছর ধরে এমন অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সফলতার মুখ দেখছে না প্রতিষ্ঠানটি। অথচ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করতে প্রতিবছর অর্থায়ন করছে শিল্প মন্ত্রণালয়। রহস্যজনকভাবে অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপও নেই শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান বিসিআইসি। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ ইনসুলেটর অ্যান্ড স্যানিটারিওয়্যার ফ্যাক্টরি লিমিটেডের সহকারী ব্যবস্থাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন। ঘুষের টাকা গুনে নেয়ার পরই তিনি ফাইলের দিকে নজর দেন। প্রতিষ্ঠানটিতে উৎপাদিত পণ্য পাচারের অভিযোগও রয়েছে। শুরুতেই প্রকাশ্য দিবালোকে সিরামিক পণ্য পাচারের চিত্র ধরা পড়ে সময় সংবাদের

আরও পড়ুন
language Change