তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়া শিশু কিশোর মেলার সাধারণ সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত আটককৃত চাঁদাবাজকে ছেড়ে দিলো পুলিশ শেরপুরে ডায়াবেটিক সমিতির আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বিজিবির পৃথক অভিযানে ভারতীয় ১০ গরু জব্দ দুর্গম পাহাড়ে সেনাবাহিনীর বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারতে এম নাসের রহমান এমপি বরগুনায় পৌর মেয়র পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছাত্রদলের সভাপতি সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি: গণধোলাই, আটক ১ সীমান্তে ডিএনসি’র অভিযানে হেরোইনসহ আটক ১ কাতারে বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কতা জারি ভোটের ফলাফল নিয়ে আইনি চ্যালেঞ্জ, হাইকোর্টে বিএনপির ৪ প্রার্থী ইকরার আত্মহত্যার পর আলভীকে নিয়ে ধোঁয়াশা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে কে কার মুখোমুখি রাজধানীতে ট্রাকচাপায় কিশোরের মৃত্যু বাংলাদেশসহ কিছু দেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে নতুন বার্তা নারীদের জন্য বিশেষ বাস চালু করতে চায় সরকার প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ এই দিনে উড়েছিল স্বাধীন বাংলার প্রথম পতাকা আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি মখদুমীসহ সারাদেশে সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিচার দাবি সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ মার্চেই কালবৈশাখী ঝড়ের আভাস, তাপমাত্রা উঠতে পারে ৩৯ ডিগ্রি পর্যন্ত অনৈতিক প্রস্তাবে অতিষ্ঠ হয়ে রুমমেটকে ৭ টুকরা পুলিশের লোমহর্ষক বর্ণনা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের কাজ ৫ মার্চের মধ্যে শেষ হবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী প্রবাসীদের নিরাপত্তার বিষয়ে খোঁজখবর নিলেন প্রধানমন্ত্রী গোমতীর নদীর অবৈধ মাটি নিয়ে প্রশ্ন: তোপের মুখে সাংবাদিকরা যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ইরান খেলবে না বিশ্বকাপ রাজপথে হঠাৎ বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিলো জামায়াত নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত অর্থমন্ত্রী হাসপাতালে ভর্তি মর্গে ইকরার মরদেহ, তবে কোথায় আছেন আলভী ও তার পরিবার? কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে পুলিশি পাহারায় থাকা ব্যবসায়ীর বাসায় মুহুর্মুহু গুলি ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশ কেশবপুরে সাবেক মেয়রের বাসায় দুর্বৃত্তদের হানা পারিবারিক কলহে বাবার ঘরে আগুন জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত পবিত্র ঈদুল ফিতর ঈদ সামনে রেখে ব্যস্ত দর্জিরা মেট্রোপলিটন খ্রীষ্টান কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি’র প্রহসনের নির্বাচন ইস্তাম্বুলে আটকা পড়েছেন নুসরাত ফারিয়া এলজিইডির আনোয়ারুল ইসলাম এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে প্রেসক্লাবের আয়োজনে নবনির্বাচিত এমপিকে সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল কবিতা আবৃত্তি, বিশ্লেষণ ও সাহিত্যিক আড্ডা অনুষ্ঠিত আরও ৫ আসনে কারচুপির অভিযোগে মামলা খামেনির মৃত্যুসংবাদ পোস্ট করে যা লিখলেন ট্রাম্প আমতলীতে পূর্বশত্রুতার জেরে তরমুজ ক্ষেত নষ্ট বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী চুরি হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইজিবাইক উদ্ধার অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী এ.কে.এম আজাদ ও তার সহযোগীর প্রভাব ও সিন্ডিকেট ইতিহাসের ভয়াবহতম হামলার ঘোষণা দিল ইরান শত্রুরা চূড়ান্ত পরাজিত না হওয়া পর্যন্ত হামলা চলবে : আইআরজিসি স্ত্রীর আত্মহত্যা নিয়ে যা বললেন জাহের আলভী

নৌপরিবহন অধিদপ্তরেরর ১১ তলা ভবন নির্মাণে দেলোয়ারের নয় ছয়

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার॥

নৌপরিবহন অধিদপ্তরের ১১ তলা ভবন নির্মাণে চরম অনিয়ম ও দুর্নীতির নয় ছয়ের অভিযোগ উঠেছে। নির্মাণকাজে নিম্নমানের সরঞ্জাম ব্যবহার ও নকশাবহির্ভূত কাজ করতে গিয়ে নানা জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। কালক্ষেপণের কারণে দুই দফায় মেয়াদ বাড়িয়েও তিন বছরের কাজ ৯ বছরে শেষ করা যায়নি। সর্বশেষ বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে কাজ শেষ করা যাবে কিনা, তাও অনিশ্চিত।

অভিযোগ উঠেছে, ভবনটি নির্মাণে দীর্ঘসূত্রতার পেছনে প্রকল্প-সংশ্লিষ্টদের অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি দায়ী। প্রকল্পের সময় ও ব্যয় বাড়িয়ে অর্থ লোপাটের উদ্দেশ্যেই ধীরগতিতে নির্মাণকাজ চালানো হচ্ছে। প্রকল্প পরিচালক ও নৌপরিবহন অধিদপ্তরের নটিক্যাল সার্ভেয়ার আবু সাঈদ মোহাম্মদ দেলোয়ার রহমান ও ভবন নির্মাণের কোরীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্টদের দিকেই অভিযোগের তীর।

নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর নিজামুল হকও (সদ্য বিদায়ী) ভবন নির্মাণ নিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতির কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, এসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণসহ প্রকল্প পরিচালককে প্রত্যাহার করে নতুন প্রকল্প পরিচালক নিয়োগের জন্য নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছেন তিনি।
সংশ্লিষ্টরা জানান, নৌ খাতের উন্নয়ন ও নিরাপত্তার স্বার্থে ২০১৪ সালে গ্লোবাল মেরিটাইম ডিস্ট্রেস অ্যান্ড সেফটি সিস্টেম (জিএমডিএসএস) নামে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়। এটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয় নৌপরিবহন অধিদপ্তরকে। প্রকল্পের মোট ৩৮২ কোটি টাকার মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার ঋণ সহায়তা ৭০ শতাংশ ও বাকি ৩০ শতাংশ বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব তহবিলের। তিন বছরমেয়াদি প্রকল্প বাস্তবায়নের শেষ সময় ছিল ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর। পরে দুই দফায় প্রকল্পটির কাজের পরিধি বাড়িয়ে এর নামকরণ হয় এস্টাবলিশমেন্ট অব গ্লোবাল মেরিটাইম ডিস্ট্রেস অ্যান্ড সেফটি সিস্টেম অ্যান্ড ইন্ট্রিগ্রেটেড মেরিটাইম নেভিগেশন সিস্টেম (ইজিআইএমএনএস)। একই সঙ্গে ব্যয় বরাদ্দ বাড়িয়ে করা হয় ৭৭৯ কোটি টাকা এবং বাস্তবায়নের সময়সীমা ২০২৪ সালের ৩০ জুন চূড়ান্ত করা হয়।

উপকূলীয় অঞ্চলে বিভিন্ন অবকাঠামো স্থাপনের পাশাপাশি ইজিআইএমএনএস প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ করা হচ্ছে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের জন্য ১১ তলা ভবন। অন্যান্য স্থাপনার মতোই এই ভবনটির নির্মাণ শেষ করার কথা ছিল ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর। পরে সময় বাড়িয়ে করা হয় ২০১৭ সালের ২৯ ডিসেম্বর থেকে ২০২১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। কিন্তু নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় পুরো প্রকল্পের পাশাপাশি ভবনটি নির্মাণেরও সময়সীমা বাড়িয়ে ২০২৪ সালের ৩০ জুন করা হয়।

সূত্র জানায়, প্রকল্পের আওতায় ১১ তলা ভবনটির নিচতলা থেকে অষ্টম তলা পর্যন্ত নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৪০ কোটি টাকা, যা দক্ষিণ কোরিয়া সরকার দেশটির এক্সিম ব্যাংকের মাধ্যমে দেবে। পরে আরও তিনতলা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিয়ে নবম থেকে ১১ তলা পর্যন্ত নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১০ কোটি টাকা। এই অর্থ দেওয়া হচ্ছে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে। এ প্রকল্পের মূল ঠিকাদার কোরীয় কোম্পানি এলজি সামিহ। কোম্পানি এ কাজে বাগদাদ কনস্ট্রাকশনসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে সহঠিকাদার নিয়োগ করেছে। তারাই ভবন নির্মাণসহ সাজানোর কাজ করছে।
সম্প্রতি ভবনটিতে গিয়ে জানা গেছে, নিচতলায় ফায়ার ফিটিংসের যে কাজ করা হয়েছে, তাতে নানা অসংগতি রয়েছে। এমনকি ভবনের নকশা অনুমোদনের সময় রাজউকের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের যে ছাড়পত্র জমা দেওয়া হয়েছে, সেটিও জাল। গত ৭ মে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে জানানো হয়, এই ভবনের অনুকূলে কোনো ছাড়পত্রই প্রদান করেননি তাঁরা।

ভবনটির বেজমেন্টে পাওয়ার সাব-স্টেশন ও জেনারেটর হাউস পাশাপাশি স্থাপন করে ভয়াবহ অগ্নিঝুঁকি সৃষ্টি করা হয়েছিল। এই ঝুঁকি এড়াতে অতিরিক্ত প্রায় ৬ লাখ টাকা ব্যয় করে স্থাপনা দুটিকে আলাদা করতে হয়েছে। ভবনের বিভিন্ন তলা ছিদ্র করে সিঁড়ির সামনে ফায়ার ফাইটিং কেস বসানো হয়েছে। এটিও যে কোনো সময় ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন।

ভবনের দ্বিতীয় তলার সিলিংয়ে কিছু এয়ার কন্ডিশনের তার এলোমেলো পড়ে আছে। এ পর্যন্ত একটিও এসি লাগানো হয়নি। মহাপরিচালকের কক্ষ ছাড়াও তৃতীয় তলার সব জায়গায় নিম্নমানের সামগ্রী লাগানো হয়েছে। তৃতীয় তলায় কোনো এসি লাগানো হয়নি, লাইটও নেই। অথচ এই ফ্লোরের জন্য ৬ কোটি ৪২ লাখ টাকা খরচের কথা বলা হচ্ছে। সাততলা পর্যন্ত ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন তলায় অধিকাংশ দরজা নিম্নমানের প্লাস্টিকের তৈরি। অথচ দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী কাঠের দরজা লাগানোর কথা। এ ছাড়া কয়েকটি তলায় মেঝেতে টাইলস বসানো হয়নি। ওয়াশরুমে স্থাপন করা বেসিন, কমোড ও অন্যান্য ফিটিংসও নিম্নমানের। বৈদ্যুতিক তারও মানসম্মত নয় বলে জানান নির্মাণসংশ্লিষ্টরা।
জানতে চাইলে কমডোর মোহাম্মদ নিজামুল হক সম্প্রতি বলেন, তাঁকে না জানিয়ে এবং কোনো ধরনের অনুমোদন না নিয়ে যাচ্ছেতাইভাবে ১১ তলা ভবন নির্মাণসহ পুরো প্রকল্পের কাজ চলছে। এ জন্য প্রকল্প পরিচালক দেলোয়ার রহমান ও কোরীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘এলজি আল সামিহ’ দায়ী।এরাই নয় ছয় করেছে সকল কাজে, সমন্বয়হীনতার কারণে প্রকল্পের কাজে ভাটা পড়েছে। তাঁর দাবি, মহাপরিচালক হিসেবে তাঁর যোগদানের আগে প্রকল্পের কাজ মাত্র ৩০-৩৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছিল। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রকল্পের কাজ প্রায় ৭০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন– এ প্রশ্নের জবাবে কমডোর নিজামুল হক বলেন, ‘প্রকল্পের কাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয় নজরে আসার পর ব্যবস্থা নিতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার চিঠি দিয়েছি। কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেও বলেছি। প্রকল্প পরিচালককে প্রত্যাহার করে নতুন প্রকল্প পরিচালক নিয়োগের জন্য চিঠি দিয়ে মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানিয়েছি।’

এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক আবু সাঈদ মোহাম্মদ দেলোয়ার রহমানের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তাঁর দপ্তর থেকে বলা হয়, ‘প্রকল্প পরিচালক অসুস্থ থাকায় তাঁর পক্ষে বক্তব্য দেওয়া সম্ভব নয়।’ পরে উপপ্রকল্প পরিচালক (ডিপিডি) ফরহাদ জলিল বিপ্লব প্রকল্প পরিচালকের পক্ষ থেকে দাবি করেন, ১১ তলা ভবন নির্মাণে কোনো অনিয়ম হয়নি। দরপত্রের শর্ত এবং এ-সংক্রান্ত সরকারি বিধিবিধান মেনেই সবকিছু করা হচ্ছে।
আরো আসছেপ্রকল্প পরিচালক আবু সাঈদ মোহাম্মদ দেলোয়ার রহমানের মহা র্দূনীতির বিবরণ আর তা দেখতে চোখ রাখুন দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ এর পাতায়।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

কাঙ্খিত দেশ বিনির্মানে যুবকদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে – ড. আহমদ আবদুল কাদের

স্টাফ রিপোর্টার: অপার সম্ভাবনার দেশ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ। কিন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে যারাই ক্ষমতাসীন হয়েছেন, সবাই দেশের সম্পদকে নিজেদের পৈতৃক সম্পত্তি হিসেবে ব্যবহার করেছেন। দেশের সম্পদকে লুট করার এক নগ্ন প্রতিযোগিতায় মেতে উঠেছিলেন। অথচ আমাদের দেশে যে পরিমাণ সম্পদ রয়েছে এর সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারলে দেশ বিশ্বের মানচিত্রে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে যেত। শাখা দায়িত্বশীলদের নিয়ে ইসলামী যুব মজলিসের লিডারশীপ ডেভেলপমেন্ট ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথির আলোচনায় খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ডক্টর আহমদ আবদুল কাদের উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। কেন্দ্রীয় সভাপতি তাওহীদুল ইসলাম তুহিন এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সোহাইল আহমদ এর পরিচালনায় আজ সকাল ৯ টা থেকে পল্টনস্থ হোটেল অরনেট অডিটোরিয়ামে দিনব্যাপি “লিডারশীপ ডেভেলপমেন্ট ওয়ার্কশপ-২০২৫” অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপি উক্ত ওয়ার্কশপে দারসে কুরআন পেশ করেন বিশিষ্ট অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট ও

আরও পড়ুন
language Change