তারিখ লোড হচ্ছে...

জলবায়ু পরিবর্তনে চাপে কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তায় বাড়ছে শঙ্কা প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ বৃহস্পতিবার ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিল সৌদি আরব বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বরগুনায় টানা বৃষ্টিতে গৃহবন্দী শ্রমজীবী মানুষ সিরাজগঞ্জে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপন কেশবপুরে পুলিশের অভিযানে নারীসহ ১১ ওয়ারেন্টভূক্ত আসামি গ্রেফতার জনগণের ম্যান্ডেটে ক্ষমতায় এসেছে সরকার: রিজভী পলির অভিযোগ নিয়ে মুখ খুললেন শিবা শানু শিশু মাহফুজ হত্যায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, ২ জনের যাবজ্জীবন পাঁচ বছরে ১ কোটি বৈদেশিক কর্মসংস্থানের লক্ষ্য সরকারের বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল গ্যাস ও তেলের দাম আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচে কে জিতবে, জানাল এআই স্বাস্থ্যখাতে জনবল সংকট বড় চ্যালেঞ্জ, তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান দুর্নীতির অপ্রতিরোধ্য রথ চালাচ্ছেন রাজউক জোন ৬/১- এর ইমারত পরিদর্শক সুমন আহমেদ নৌ পরিবহন অধিদপ্তরকে দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে করেছে মহাপরিচালক ও গিয়াস সিন্ডিকেট দীর্ঘদিনের পলাতক, ৯ ওয়ারেন্টের বোঝা কাঁধে-শেষ রক্ষা হলো না ফখরুলের ৩৩ বছরের রেকর্ড বৃষ্টির মধ্যেই অর্ধবার্ষিকী পরীক্ষা কেশবপুরে ভারী বৃষ্টিতে সরকারি দপ্তরের প্রবেশপথ তলিয়ে, দুর্ভোগে সেবাগ্রহীতা রিটায়ার্ড জাজেস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সাধারণ সভা ও ঈদ পুনর্মিলনী ঢাকায় অনুষ্ঠিত মোংলা বন্দরে ১৫৩৮ কোটি টাকার ম্যান্টেন্যান্স ড্রেজিং প্রকল্প: নাব্যতা ধরে রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ জুলাই আন্দোলনের নেতৃত্ব দাবি করলে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন: নাহিদ ইসলাম গলাচিপায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত কেশবপুরে হতদরিদ্রদের মাঝে সেলাই মেশিনসহ বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ মাদকের পক্ষে তদবির করলে দলের নেতাদেরও গ্রেফতার করা হবে: খোকন পানছড়িতে ব্রাশফায়ারে ৩ জেএসএস সদস্যকে হত্যা বাঁশখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু খাগড়াছড়িতে ৭ বছরের মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ, একজনের মৃত্যুদণ্ড কিন্ডারগার্টেন সহ স্কুল কলেজের নামে চলছে নিজেদের আখের গোছানো রাঙ্গুনিয়ায় গাছ পড়ে ছাত্রদল নেতার ১৮ দিন পর মৃত্যু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক স্মার্ট প্রশাসন গড়তে তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রীর সহযোগিতার আশ্বাস রাঙামাটিতে বৃষ্টিপাত অব্যাহত, পাহাড়ধস মোকাবিলায় প্রশাসনের সতর্কতা জারি, খালেদা জিয়া বেতনের ১ টাকা রেখে বাকিটা এতিমখানায় দান করতেন ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃত বেড়ে ৩ হাজার ৫৩৫, গৃহহীন ১৮ হাজার বিশ্বকাপ শেষ রোনালদোর, পর্তুগালকে কাঁদিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেন ৬ দিনের বিরতি শেষে আজ বসছে সংসদ অধিবেশন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই থেকেই বিশ্বজুড়ে তাণ্ডব চালাবে শক্তিশালী ‘এল নিনো’ বটিয়াঘাটায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপিত রাজনগরে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে আটক স্বামী, মরদেহ উদ্ধার রামগড়ে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে আসামীর মৃত্যুদণ্ড নোয়াখালীতে ধর্ষণ মামলার আসামির মৃত্যুদণ্ড রহিমের আর্থিক দুর্নীতিতে মুখ থুবড়ে পড়েছে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অতিথি ডটকমের ফাঁদে ফেলতে তরুণদের অভিনব প্রলোভন ডিএফও মারুফের বিরুদ্ধে সুফল প্রকল্পের টাকা লুটপাটের অভিযোগ রাজধানীতে হানিট্র্যাপে ফাঁসিয়ে ব্ল্যাকমেইল, সংঘবদ্ধ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার বিআইডব্লিউটিএ ৮০ কোটি টাকার টেন্ডারে কবিরস সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অভিযোগ গণপূর্তে আসবাব সরবরাহে হাতিলের অঘোষিত আধিপত্য ভোলাহাটে পালিত হচ্ছে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস ২০২৬ দীঘিনালায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসে পালিত হচ্ছে র‍্যালি, আলোচনা সভা, ও চারা বিতরণ

পাঁচ বছরে ১ কোটি বৈদেশিক কর্মসংস্থানের লক্ষ্য সরকারের

পাঁচ বছরে ১ কোটি বৈদেশিক কর্মসংস্থানের লক্ষ্য সরকারের
পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্টঃ

আগামী পাঁচ বছরে ১ কোটি বাংলাদেশির জন্য বৈদেশিক কর্মসংস্থানের উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। শ্রমবাজার বহুমুখীকরণ, ব্যাপক দক্ষতা উন্নয়ন, অভিবাসন ব্যয় কমানো, অভিবাসন সেবার ডিজিটালাইজেশন এবং প্রবাসী কর্মীদের জন্য কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাড়ানোর মাধ্যমে এ লক্ষ্য বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর সরকারি বার্তা সংস্থা বাসসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ রোডম্যাপ তুলে ধরেন। মধ্যপ্রাচ্যের গতানুগতিক শ্রমবাজারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিদেশে অভিবাসনকে আরও স্বচ্ছ, সাশ্রয়ী ও দক্ষতাভিত্তিক করার কথাও বলেন তিনি। তিনি বলেন, আমাদের নির্বাচনি অঙ্গীকার হলো পাঁচ বছরে এক কোটি বৈদেশিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। আমরা এরই মধ্যে সেই লক্ষ্য অর্জনে কাজ শুরু করেছি। প্রতিমন্ত্রী জানান, মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলো থেকে চাহিদার পূর্বাভাস সংগ্রহ করেছে। সেখানে প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ বিদেশি কর্মীর চাহিদা চিহ্নিত হয়েছে। এ চাহিদাই লক্ষ্য অর্জনের শক্ত ভিত্তি তৈরি করেছে। তিনি বলেন, এখন আমাদের কাজ দক্ষ জনশক্তি তৈরি করে তাদের বিদেশের ওই সুযোগের সঙ্গে যুক্ত করা। আমার বিশ্বাস, অভিবাসন প্রক্রিয়া আরও সুশৃঙ্খল করে পাঁচ বছরের মধ্যেই আমরা এ লক্ষ্য অর্জন করতে পারব। নুর জানান, বর্তমানে প্রতিবছর প্রায় ১১ থেকে ১২ লাখ বাংলাদেশি কাজের জন্য বিদেশে যান। আরও দক্ষ কর্মী তৈরি করে সরকার ধীরে ধীরে এ সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, অভিবাসন প্রক্রিয়া সহজ করা, অভিবাসন ব্যয় কমানো, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা এবং প্রবাসী কল্যাণ জোরদার করা; এই চারটি প্রধান অগ্রাধিকারের ওপর সরকারের অভিবাসন সংস্কার কৌশল দাঁড়িয়ে আছে। তিনি জানান, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও দালালের ওপর অপ্রয়োজনীয় নির্ভরতা কমাতে বিদেশগমন প্রক্রিয়াকে ধীরে ধীরে ওয়ান-স্টপ সার্ভিস ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা চাই প্রবাসী কর্মীরা যেন এক জায়গা থেকেই সব সেবা পান। হয়রানি কমানো, প্রক্রিয়া সহজ করা এবং সাধারণ মানুষের জন্য বিদেশ যাওয়া সহজ করাই আমাদের উদ্দেশ্য। নুর বলেন, বিদেশে যাওয়ার আগে কর্মীদের খরচ কমাতে সরকার দেশভিত্তিক অভিবাসন ব্যয় কাঠামো চালুর পরিকল্পনাও করেছে। একই সঙ্গে সরকার এখন অদক্ষ অভিবাসনের বদলে দক্ষতাভিত্তিক বৈদেশিক কর্মসংস্থানের দিকে বেশি মনোযোগ দিচ্ছে। বিশ্ব শ্রমবাজারের দ্রুত পরিবর্তনশীল চাহিদা মাথায় রেখে দেশের ১১০টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রকে (টিটিসি) আধুনিক করছে মন্ত্রণালয়। এর লক্ষ্য আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতায় সক্ষম কর্মী তৈরি করা। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দক্ষতা ছাড়া বিদেশে চাকরি পাওয়া বা টিকে থাকা এখন কঠিন হয়ে যাচ্ছে। সে কারণেই দক্ষতা উন্নয়ন আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। বাংলাদেশ প্রশিক্ষিত কর্মীদের একটি ডিজিটাল ডাটাবেজও তৈরি করছে। এর মাধ্যমে বিদেশি নিয়োগকর্তারা পেশার চাহিদা অনুযায়ী সরাসরি প্রার্থী বাছাই করতে পারবেন। তিনি বলেন, কোনো দেশের যদি ১০ হাজার জাহাজ নির্মাণ শ্রমিক বা প্রশিক্ষিত নারী কেয়ারগিভার দরকার হয়, নিয়োগকর্তারা আমাদের ডাটাবেজে খুঁজে সঙ্গে সঙ্গেই যোগ্য কর্মী খুঁজে পাবেন। তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যের ওপর অতিনির্ভরতা কমাতে সরকার ইউরোপ ও এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে শ্রমবাজার সম্প্রসারণ করছে। ওই অঞ্চলে দক্ষ কর্মীর চাহিদা বাড়বে বলেও ধারণা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ এরই মধ্যে কয়েকটি দেশের সঙ্গে শ্রম চুক্তি করেছে। অন্যদের সঙ্গেও আলোচনা চলছে। নুর বলেন, জনমিতিক পরিবর্তন ও প্রযুক্তিগত রূপান্তরের কারণে দক্ষ জনশক্তির চাহিদা বাড়ায় ইউরোপ ও এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল বাংলাদেশি কর্মীদের বড় গন্তব্য হবে। এখন প্রশিক্ষণ কর্মসূচিগুলো দেশভিত্তিক শ্রম চাহিদার সঙ্গে মিলিয়ে সাজানো হচ্ছে। জাপানের বিষয়ে নুর বলেন, দেশটিতে ১ লাখ কর্মী পাঠানোর বিষয়ে বাংলাদেশের চুক্তিটি এখনো কার্যকর রয়েছে, তবে নিয়োগ প্রক্রিয়া ধীরে ধীরে এগোচ্ছে।

তিনি বলেন, বড় পরিসরে নিয়োগ বাড়ানোর আগে জাপান বাংলাদেশি কর্মীদের কাজের মান, শৃঙ্খলা ও কাজের সংস্কৃতি মূল্যায়ন করছে। আস্থা তৈরি হলেই নিয়োগের গতি বাড়বে। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়ে আশা প্রকাশ করে নুর বলেন, স্বচ্ছ ও প্রায় শূন্য খরচের নিয়োগ ব্যবস্থা চালু করতে দুই দেশ নীতিগত সমঝোতায় পৌঁছেছে। এর লক্ষ্য কর্মী শোষণ ও অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় বন্ধ করা। তিনি জানান, শিগগির মালয়েশিয়ার একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করবে। এরপর দুই দেশের যৌথ ওয়ার্কিং কমিটি বিদ্যমান সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সংশোধনের কাজ করবে। নুর বলেন, ভবিষ্যৎ নিয়োগের ক্ষেত্রে মধ্যস্বত্বভোগী কমানো, ন্যায্যতা নিশ্চিত করা এবং কর্মী শোষণ বন্ধে দুপক্ষই অঙ্গীকারবদ্ধ। এ উদ্যোগ বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার সাম্প্রতিক আলোচনার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। ওই আলোচনায় স্বচ্ছ, প্রযুক্তিনির্ভর নিয়োগ এবং অভিবাসন ব্যয় কমানোর কথা বলা হয়েছিল। শ্রমবাজার সম্প্রসারণের পাশাপাশি সরকার বেশ কিছু কল্যাণমূলক উদ্যোগ নিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যাংকিং সুবিধা এবং কিউআর-কোড-ভিত্তিক যাচাইকরণ সুবিধা সম্বলিত একটি ডিজিটাল ‘প্রবাসী কার্ড’। মন্ত্রণালয় বৈদেশিক কর্মসংস্থান সেবাও ডিজিটাল করছে। ফলে অভিবাসন ছাড়পত্র ও কাগজপত্র জমা দেওয়া অনলাইনে সম্পন্ন করা যাবে। প্রবাসীদের দেশে ফেরার পর বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে সরকার একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল, একটি স্কিল ইনভেস্টমেন্ট পার্ক, আবাসন প্রকল্প এবং একটি ‘প্রবাসী সিটি’র করার কথাও বিবেচনা করছে। নুর বলেন, প্রবাসীদের সন্তানদের জন্য বৃত্তি কর্মসূচি, আহত হয়ে ফেরা কর্মীদের আর্থিক সহায়তা এবং বিপদগ্রস্ত অভিবাসী, বিশেষ করে নারীদের পুনর্বাসন সহায়তা চালু থাকবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য শুধু বেশি কর্মী বিদেশে পাঠানো নয়, বরং তারা যেন নিরাপদে যেতে পারে, মর্যাদার সঙ্গে কাজ করতে পারে এবং পুরো অভিবাসন যাত্রায় সঠিক সহায়তা পায়, সেটা নিশ্চিত করা।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

বিআইডব্লিউটিএর প্রকৌশল শাখায় সাইদুরের দুর্নীতির ভয়াবহ চিত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এর ড্রেজিং শাখায় দীর্ঘ ১৫ বছরের দুর্নীতির মূলে উঠে এসেছেন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. সাইদুর রহমান। অভিযোগ রয়েছে, এই কর্মকর্তা ক্যাপিটাল ড্রেজিং প্রকল্পে নদী খননের নামে ১৩৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে গড়েছেন অঢেল সম্পদ। সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে রয়েছে ভোগাই ও কংস নদ খননের নামে ভয়াবহ অর্থ লোপাট, জাল সনদ ব্যবহার, একাধিক গাড়ি ও বেনামী সম্পদের মালিক হওয়া, এবং সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কর্মকর্তাদের জিম্মি করে রাখার অভিযোগ। জানা গেছে, তার নেতৃত্বে ড্রেজিং শাখায় তৈরি হয়েছে একটি দুর্নীতিবাজ চক্র, যারা দরপত্র, নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে কয়েকশ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। দুদক তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করলেও মামলা কার্যক্রম দীর্ঘসূত্রতায় ঝুলে আছে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু দুর্নীতিপরায়ণ দুদক কর্মকর্তার সহায়তায় তার মামলা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চলছে। এ পর্যন্ত

আরও পড়ুন
language Change