তারিখ লোড হচ্ছে...

বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় লীরা গ্রুপের এমডি আলমগীর ইকবালের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ বিপিসির কর্মকর্তা এটিএম সেলিমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ভুয়া বিল-ভাউচার দিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ডলার কারসাজিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুমন ডিএই তে প্রধান সহকারী নাসির উদ্দীনের বদলি ঘিরে উত্তেজনা, নানা অনিয়মের অভিযোগ দুর্নীতির অভিযোগে বরখাস্ত আরিফুরের পুনর্বহালের তদবির পিপিআর বিধিমালা ভেঙে সমাজসেবা অধিদপ্তরের কামরুল- ফিরাদুলের পৌনে ৭ কোটি টাকা দুর্নীতি কাস্টমস কর্মকর্তা ওয়াসেক বিল্লাহর বিরুদ্ধে ঘুষ-চোরাচালান সিন্ডিকেটের অভিযোগ বিএমইটি ঘিরে একচেটিয়া প্রভাবের অভিযোগ ৮৮৪ কোটির রেল প্রকল্প গিলছে মাফিয়া চক্র, সুবিধা পাচ্ছেন বিতর্কিত ঠিকাদাররা উত্তর কাস্টমস বন্ডে মাসুম-হাসনাইন সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী উজির আলীর বিরুদ্ধে টেন্ডার সিন্ডিকেটের অভিযোগ বঙ্গবন্ধু পরিষদ নেতা প্রধান প্রকৌশলী আবদুল আউয়ালের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় নলডাঙ্গা হালতি বিলে মোবাইল কোর্ট: ২০ হাজার টাকা জরিমানা, জাল ধ্বংস ও নৌকা জব্দ পুরস্কৃত ডেইরি খামারে হামলা-অবরোধ, দৃষ্টিশক্তি হারানোর শঙ্কায় উদ্যোক্তার বাবা মোংলায় কোস্টগার্ডের তত্বাবধানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন: প্রতিমন্ত্রী সাতক্ষীরায় জেলা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ কর্মসূচি ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে সুনামগঞ্জে জসনে জুলুছ অনুষ্টানে রাজাপুরা পীর হোসাইনীয় শেরপুরে সরকারি চাল সংগ্রহে আওয়ামী লীগ নেতাদের মালিকানাধীন মিল, বরাদ্দ নিয়ে প্রশ্ন রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানার উদ্যোগে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও পথসভা নব-নিযুক্ত পাজেপ চেয়ারম্যান ম্রাসাথোয়াই মারমাকে খাগড়াছড়ির সর্বস্তরের মানুষের ফুলের শুভেচ্ছা কেশবপুরে চায়ের দোকানে কেরামবোর্ড খেলা বন্ধের ঘোষণা বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে মাদার তেরেসার ১১৬তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন ও শান্তি পুরস্কার প্রদান লালবাগে সিনিয়র-জুনিয়র নাইট ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ উদ্বোধন হানিয়া আমিরের গোপন ভিডিও ভাইরাল, নেটদুনিয়ায় তুমুল বিতর্ক সংসদে সরকারদলীয় এমপিদের নিয়ে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সিরাজগঞ্জে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত স্বামীর করা যৌতুক মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে হানি ট্র্যাপে টিকটকাকে বিয়ে পড়ে বড় মাশুল গুনলেন ফ্রিল্যান্সার আমার আর বোধ হয় চাকরি করা হলো না, ফেসবুকে পুলিশ কর্মকর্তার আবেগঘন পোস্ট কেশবপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা নাটোরের নলডাঙ্গায় ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল সাতক্ষীরা দেবহাটায় শ্মশানের জমি দখলের অভিযোগে মানববন্ধন ও গণমিছিল বুশরা গ্রুপের সম্পত্তি বিক্রি ঠেকাতে ডিসির কাছে আমানতকারীদের আবেদন গভীর সমুদ্রে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসতে থাকা ১২ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড লংগদুতে পানিতে ডুবে ৭ বছরের শিশুর মৃত্যু মোংলায় মসজিদের ওয়াকফ সম্পত্তি নিয়ে অনিয়ম কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ শেরপুরে সাপের কামড়ে নিহত শাহিনের পরিবারের পাশে জেলা প্রশাসন মগবান ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সেবার মানোন্নয়নে গণশুনানি সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক মোঃ মিজানুর রহমান চৌধুরীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জেলা জন্মাষ্টমী পর... দীঘিনালায় ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য জুলুস রংপুরের ঘটনায় দ্রুত সময়ে জড়িতদের গ্রেফতার করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ পাকিস্তানের হাসপাতালে ভয়াবহ আগুনে ১৫ নবজাতকের মৃত্যু সম্প্রচারে আসছে দেশের প্রথম হাইব্রিড টেলিভিশন ভিওডি বাংলা সিরাজগঞ্জে সার সংকট নিরসনে জেলা প্রশাসকের জরুরি সভা এমপি আয়নুল হকের গাড়িবহরে হামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার বেহেলী চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৩০০ টাকা আদায় ও চাল কম দেওয়ার অভিযোগ পর্যটন নগরী শ্রীমঙ্গলে হবিগঞ্জ-সিলেট এক্সপ্রেস বাস স্টপেজের দাবিতে মানববন্ধন দীঘিনালায় বন্যাকবলিত মানুষের পাশে জেলা বিএনপি ও জেলা পরিষদ ‎সুন্দরবনে আবারো বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর তান্ডব ট্রলারসহ জিম্মি ৫

কাস্টমস কর্মকর্তা ওয়াসেক বিল্লাহর বিরুদ্ধে ঘুষ-চোরাচালান সিন্ডিকেটের অভিযোগ

পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোটারঃ

সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) ওয়াসেক বিল্লাহ বর্তমানে ঢাকা কাস্টম হাউসে কর্মরত। চাকরিজীবনের শুরু থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে নজিরবিহীন দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই শিক্ষার্থী ২০১৮ সালে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে যোগদানের পর থেকেই ধীরে ধীরে দুর্নীতির একটি শক্তিশালী বলয় গড়ে তুলেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ওয়াসেক বিল্লাহর গ্রামের বাড়ি নওগাঁয়। তিনি দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের একজন সহযোগী অধ্যাপককে-যাঁর নাম গোপন রাখা হলো-বিয়ে করেছেন। তবে তাঁর ব্যক্তিগত পরিচয়ের চেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে তাঁর কথিত রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা এবং অবৈধ উপায়ে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ।

পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ওয়াসেক বিল্লাহ নিজেকে তৎকালীন প্রভাবশালী নেতা সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের আত্মীয় হিসেবে পরিচয় দিতেন। এই রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব কাজে লাগিয়ে ২০২০-২১ সালে তিনি ঢাকা এভ-এর সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ প্যানেল থেকে বাগিয়ে নেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এমনকি ওয়াসেক বিল্লাহ নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মন্নু হাজরাকে ‘গুরু’ বলে সম্বোধন করতেন। আরও অভিযোগ রয়েছে, ছাত্র-জনতার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলন দমনে নজরুল ইসলাম মন্নু হাজরাকে ওয়াসেক বিল্লাহ অর্থের জোগান দিয়েছিলেন।

তৎকালীন রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রভাব কাজে লাগিয়ে ওয়াসেক বিল্লাহ উত্তরার বিতর্কিত কিংফিশার বার-এর লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন করিয়ে নেন। বর্তমানে বারটি তাঁর এক বন্ধুর নামে পরিচালিত হলেও কাস্টমস অঙ্গনে এর প্রকৃত মালিকানা ওয়াসেক বিল্লাহর-এমন দাবি ‘ওপেন সিক্রেট’ হিসেবে প্রচলিত রয়েছে বলে উল্লেখ রয়েছে।

ওয়াসেক বিল্লাহর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের সূত্রপাত চট্টগ্রাম ভ্যাটের অধীন বান্দরবান সাব-ডিভিশনে কর্মরত থাকার সময় থেকে বলে জানা যায়। সেখানে তিনি তাঁর সহযোগী মানিক দত্তকে সঙ্গে নিয়ে স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীদের জন্য আতঙ্কের কারণ হয়ে উঠেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁরা নিয়মবহির্ভূতভাবে বিভিন্ন হোটেল ও রিসোর্টে অভিযান চালাতেন, গেস্ট রেজিস্টার ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র তছনছ করতেন এবং পর্যটকদের কক্ষে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করে হয়রানি করতেন। এসব অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে মোটা অঙ্কের ঘুষ আদায় করা-এমন অভিযোগও রয়েছে।

ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা ও প্রশাসনিক হয়রানির ভয় দেখানো হতো। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২২ সালের ৫ এপ্রিল বান্দরবান হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন তৎকালীন জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজির কাছে ওয়াসেক বিল্লাহর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক স্মারকলিপি দিতে বাধ্য হয়েছিল বলে জানা যায়।

বান্দরবানে বিতর্কিত ভূমিকার পর ওয়াসেক বিল্লাহ আরও উচ্চাভিলাষী হয়ে ওঠেন এবং তৎকালীন বিতর্কিত সংসদ সদস্য ও ইয়াবা সম্রাট হিসেবে পরিচিত আব্দুর রহমান বদির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

বদির রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে তিনি কৌশলগতভাবে টেকনাফ শুল্ক স্টেশনে পদায়ন লাভ করেন এবং সেখান থেকেই তাঁর কথিত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আরও বিস্তৃত হয় বলে দাবি করা হয়েছে।অভিযোগ রয়েছে, টেকনাফে কর্মরত থাকার সময় তিনি সরাসরি ইয়াবা চোরাচালান সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত হন। কাঠের গুঁড়ি ও আচারের প্যাকেটের ভেতরে করে ইয়াবা পাচারের কাজে তিনি অন্যতম হোতা হিসেবে ভূমিকা পালন করতেন-এমন গুরুতর অভিযোগও রয়েছে।

এই মাদক কারবারের মাধ্যমেই তিনি বিপুল অর্থের মালিক হয়ে ওঠেন এবং তাঁর কথিত অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে ওঠে। বর্তমানে প্রায় ১০ মাস ধরে ঢাকা কাস্টম হাউসে কর্মরত ওয়াসেক বিল্লাহর বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানটিকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করার অভিযোগ উঠেছে।

তিনি এয়ারফ্রেইট ইউনিটের ডেলিভারি গেট-১ নিয়ন্ত্রণ করেন বলে জানা যায়। এই গেট দিয়ে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার পণ্য খালাস হয়। অভিযোগ রয়েছে, এখান থেকে তিনি প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০ লাখ টাকা ঘুষ আদায় করেন।

আরও অভিযোগ করা হয়েছে, ওয়াসেক বিল্লাহ বর্তমানে মিথ্যা ঘোষণার আড়ালে বিপুল পরিমাণ মদ, মাদক এবং নিষিদ্ধ পণ্য ‘ভিআইপি মর্যাদায়’ অবৈধভাবে খালাস করে দিচ্ছেন। এসব পণ্য তাঁর কথিত নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান কিংফিশার বারে সরবরাহ করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এই কথিত সিন্ডিকেটে সহযোগী হিসেবে আরেক সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেনের নামও উল্লেখ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, সাধারণ ও বৈধ ব্যবসায়ীদের কাছে ওয়াসেক বিল্লাহ একজন আতঙ্কের নাম। প্রতিটি ফাইলে স্বাক্ষরের জন্য তিনি ১ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দাবি করেন এবং ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ করেন না-এমন অভিযোগ রয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকে ভিউ ব্রিড বাংলাদেশ লিমিটেডের সিইও মহসিন হোসেনের দেওয়া একটি লিখিত অভিযোগের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, গত ছয় মাসে ওয়াসেক বিল্লাহ রাজস্ব ফাঁকি ও ঘুষের মাধ্যমে প্রায় অর্ধশত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, ঢাকা কাস্টমস হাউসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ওয়াসেক বিল্লাহ কোনো ধরনের যথাযথ ঘোষণা ও আমদানি শর্ত প্রতিপালন না করেই মিথ্যা ঘোষণায় বিভিন্ন পণ্য ‘ভিআইপি মর্যাদায়’ খালাস করে দিচ্ছেন।

এর ফলে সরকার প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে এবং এসব অবৈধ ও আমদানি নিষিদ্ধ পণ্যে বাজার সয়লাব হয়ে যাচ্ছে- মন দাবি অভিযোগপত্রে করা হয়েছে। মহসিন হোসেনের অভিযোগ অনুযায়ী, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলে বৈধ ব্যবসায়ীরা অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়ছেন এবং অনেক ব্যবসায়ী মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পথে বসার উপক্রম হয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, রাজস্ব ফাঁকির মাধ্যমে যে অর্থের ক্ষতি হচ্ছে, তা অসাধু কাস্টমস কর্মকর্তা ও চোরাচালান সিন্ডিকেটের সদস্যদের পকেটে যাচ্ছে।

জানা যায় ঢাকা কাস্টমস হাউসের এই সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা বর্তমানে বাংলাদেশ কাস্টমসের নিয়মকানুন ও আইনের তোয়াক্কা করছেন না। অভিযোগ অনুযায়ী, আমদানি নিষিদ্ধ,আমদানি শর্তযুক্ত এবং উচ্চ শুল্কের বিভিন্ন পণ্য চোরাচালানের মাধ্যমে নিয়মিত খালাস করে দেওয়ার ফলে রাষ্ট্রের বিপুল আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। একই সঙ্গে বৈধ ব্যবসায়ীরাও ক্ষতির শিকার হচ্ছেন ।

ওয়াসেক বিল্লাহর কথিত বিপুল অবৈধ সম্পদের একটি অংশের তথ্য রাজধানীর মিরপুরের বাউনিয়া মৌজায় পাওয়া গেছে । সেখানে ৩৬৪৯৭ নম্বর খতিয়ানে তাঁর নামে ৩৩ শতাংশ জমি কেনা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকা কাস্টম হাউসের একাধিক কর্মকর্তার জানান সাধারণ ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে ওয়াসেক বিল্লাহ যে কথিত অপরাধের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন, তা বন্ধ করা এখন সময়ের দাবি।

তাঁদের মতে, কথিত চোরাচালান সিন্ডিকেট ধ্বংস করার পাশাপাশি এর সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সাধারণ ব্যবসায়ীরা যাতে বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন, সে জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষ থেকে পৃথকভাবে তদন্ত করা উচিত বলেও তাঁরা মত দিয়েছেন।

উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ওয়াসেক বিল্লাহর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

পরবর্তীতে খুদে বার্তার মাধ্যমে তাঁকে মোট ১৪টি প্রশ্ন পাঠানো হলেও তিনি কোনো প্রশ্নেরই উত্তর দেননি। উল্লেখ্য, উত্থাপিত অভিযোগগুলোর স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা হয়নি। এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ চিত্র স্পষ্ট হবে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

জামায়াত নেতারা রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র করছিলেন: পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেলসহ গ্রেপ্তার নয় নেতাকর্মী রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র করতে গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন বলে দাবি করেছে পুলিশ। এই অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলার পর আদালতে তুলে রিমান্ড চাওয়া হবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সোমবার রাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এর আগে সন্ধ্যায় রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকা থেকে নয়জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা হলেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, অ্যাসিস্টেন্ট সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ, রফিকুল ইসলাম খান, নির্বাহী পরিষদ সদস্য ইজ্জত উল্লাহ, মোবারক হোসেন, আব্দুর রব, ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ইয়াসিন আরাফাত এবং জামায়াতের কর্মী মনিরুল ইসলাম ও আবুল কালাম। জামায়াত নেতাকর্মীদের থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার মামলা দিয়ে তাদের আদালতে তুলে রিমান্ড চাওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন
language Change