তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
বাকেরগঞ্জের দুর্গাপাশায় বিএনপিতে কলহ রক্তক্ষয়ি সংঘাতের আশঙ্কা চিকিৎসক সংকটকে হার মানিয়ে সেবার নজির গড়ছে রাঙামাটির স্বাস্থ্যসেবা সুন্দরবনে বন-বিভাগের অভিযান বিপুল পরিমাণ বিষ ও শুটকি তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযান, ৫২ রাউন্ড এফসিসি গোলাবারুদ উদ্ধার ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বঞ্চিত তিন বাহিনীর ১৫০ কর্মকর্তাকে পুনর্বাসন ও বিশেষ সুবিধা প্রদান ডেঙ্গুর ভয়াবহতা নিয়ে যে তথ্য দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী নজরুল বর্ষ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশকে সহায়তার আশ্বাস দিল চীন নেইমারকে নিয়েই ছক কষছেন আনচেলত্তি ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা ও হালদা থানা অনুমোদন সারাদেশের ন্যায় দীঘিনালায়ও শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা নবাবগঞ্জ থানা মহিলা দলের সভাপতি সহ ১০ জন মহিলা দলের নেত্রীর পদত্যাগ চট্টগ্রামে প্রকাশ্যে গুলি করে যুবককে হত্যা গায়ে হলুদের আগের দিন কনের রহস্যজনক মৃত্যু মৌলভীবাজারে জমিজমা বিরোধের জেরে মতিনকে হত্যা, আপন ৩ ভাই-১ বোন ও ভাইয়ের স্ত্রীসহ গ্রেফতার ৫ নকশাবহির্ভূতভাবে নির্মিত ৭টি ভবন ও অনুমোদনহীন গুদাম সীলগালা আমি এখনো সংসদ সদস্য, ভুলে যাবেন না-রাঙামাটিতে ফিরে দীপেন দেওয়ান সীতাকুণ্ডে গাছ কেটে মহাসড়ক অবরোধ: সওজের মামলা,গ্রেফতার শ্রীমঙ্গলে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগে: প্লেকার্ড হাতে স্থানীয়দের বিক্ষাভ খাগড়াছড়ির জশোয়া দেওয়ান ৪৭তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত জামালগঞ্জে প্রভাবশালী কর্তৃক নীরিহ এক ব্যাক্তির জায়গা জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ জাতীয় স্টার্টআপ প্রদর্শনীতে দেশের সেরা ১০ এ গলাচিপার এন জেড আলিম মাদ্রাসা লায়ন্স ক্লাব অব চাঁদপুর রুপালী মাসিক রেগুলার মিটিং ও পরিচিতি সভা সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার অপরিবর্তিত আনারসের পাশে জায়গা করে নিচ্ছে কাজুবাদাম মধুপুরে ফ্যানের সাথে ঝুলে যুবকের আত্মহত্যা পুলিশ সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর রাজধানীতে সেপটিক ট্যাংকে বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩ আজ থেকে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগে বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে সরকার: সমাজকল্যাণমন্ত্রী খামেনির জানাজায় অংশ নিতে দেশ ছাড়লেন স্পিকার সিরাজগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘দৈনিক যুগের কথা’র ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপিত সাতক্ষীরায় পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে বাসের চাপায় ছেলে নিহত, আহত শিক্ষক পিতা পাটকেলঘাটা বাজারে ইউএনওর অভিযান: ৩ হোটেলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা সবুজায়নে বাঘাইহাট জোনের উদ্যোগ, পাহাড়ি-বাঙালি পরিবারের হাতে গাছের চারা হাতের টানেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং কালিগঞ্জে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে চেয়ারম্যান প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন দেশের পতাকা বিক্রি করেন রেনু মিয়া রোগাক্রান্ত মৌলভীবাজার জেলার অধিকাংশ কমিউনিটি ক্লিনিক সিরাজগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের জিএমের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন নামাজে পড়াতে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল খতিবের রামগড় পাহাড়াঞ্চল গবেষণা কেন্দ্রে কফি চাষে সফলতা, নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন স্বপ্ন পুঁজি করে এগিয়ে চলা: সংগ্রাম পেরিয়ে স্বাবলম্বিতার দীঘিনালার নারী উদ্যোক্তা হালিমা খাতুন নোয়াখালীতে শিশু আসমা হত্যা মামলার রায় আজ, সর্বোচ্চ শাস্তির প্রত্যাশা পরিবারের পরীক্ষানিরীক্ষা করানো কি চিকিৎসকের অক্ষমতার প্রমাণ মেট্রোরেলের ঢাবি স্টেশন ৩ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে ইতিহাস বলছে নরওয়ের কাছে হেরে বিদায় নিবে ব্রাজিল ময়মনসিংহে মাদকের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল এলাকাবাসী রাঙামাটিতে বিশেষ অভিযানে ৫৮ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি আটক দুই বছর পর আবারও তৈলারদ্বীপ সেতুতে টোল আদায়ের উদ্যোগ

আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার:

আজ বৃহস্পতিবার ঐতিহাসিক ৭ মার্চ। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এক অনন্য দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে (তদানীন্তন রেসকোর্স ময়দান) বিশাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন।

এদিন লাখ লাখ মুক্তিকামী মানুষের উপস্থিতিতে এই মহান নেতা বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন, ‘রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরও দেব, এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব, ইনশাআল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একাত্তরের ৭ মার্চ দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ পরবর্তীতে স্বাধীনতার সংগ্রামের বীজমন্ত্র হয়ে পড়ে। একইভাবে এ ভাষণ শুধু রাজনৈতিক দলিলই নয়, জাতির সাংস্কৃতিক পরিচয় বিধানের একটি সম্ভাবনাও তৈরি করে। মূলত বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণের আহ্বানেই মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু করে বাঙালি।
পরে ২৫ মার্চের কালরাতে পাকবাহিনীর নৃশংস গণহত্যার পর ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ। ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয় জাতিসংঘের শিক্ষা বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিকবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো।

একাত্তরের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর এই উদ্দীপ্ত ঘোষণায় বাঙালি জাতি পেয়ে যায় স্বাধীনতার দিক-নির্দেশনা। এরপরই দেশের মুক্তিকামী মানুষ ঘরে ঘরে চূড়ান্ত লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। বঙ্গবন্ধুর এই বজ্রনিনাদে আসন্ন মহামুক্তির আনন্দে বাঙালি জাতি উজ্জীবিত হয়ে ওঠে। যুগ যুগ ধরে শোষিত-বঞ্চিত বাঙালি ইস্পাতকঠিন দৃঢ়তা নিয়ে এগিয়ে যায় কাঙ্ক্ষিত মুক্তির লক্ষ্যে।

১৯৪৭ সালে ধর্মীয় চিন্তা, সাম্প্রদায়িকতার মানসিকতা ও দ্বি-জাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে গঠিত পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ২৩ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতিসত্ত্বা, জাতীয়তাবোধ ও জাতিরাষ্ট্র গঠনের যে ভিত রচিত হয় তারই চূড়ান্ত পর্যায়ে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের পর ছাত্র-কৃষক-শ্রমিকসহ সর্বস্তরের বাঙালি স্বাধীনতা অর্জনের জন্য মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ করে।

বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী হয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় ছিনিয়ে আনে বাঙালি জাতি। এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মানচিত্রে জন্ম নেয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণে গর্জে ওঠে উত্তাল জনসমুদ্র। লাখ লাখ মানুষের গগনবিদারী স্লোগানের উদ্দামতায় বসন্তের মাতাল হাওয়ায় সেদিন পত্ পত্ করে ওড়ে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত লাল-সবুজের পতাকা। লক্ষ শপথের বজ্রমুষ্টি উত্থিত হয় আকাশে। সেদিন বঙ্গবন্ধু মঞ্চে আরোহণ করেন বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে। ফাগুনের সূর্য তখনো মাথার ওপর। মঞ্চে আসার পর তিনি জনতার উদ্দেশে হাত নাড়েন। তিনি দরাজ গলায় তাঁর ভাষণ শুরু করেন, ‘ভাইয়েরা আমার, আজ দুঃখ-ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি…।’ এরপর জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে বাংলা ও বাঙালির স্বাধীনতার মহাকাব্যের কবি ঘোষণা করেন ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম…, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’

মাত্র ১৯ মিনিটের ভাষণ। এই স্বল্প সময়ে তিনি ইতিহাসের পুরো ক্যানভাসই তুলে ধরেন। তিনি তাঁর ভাষণে সামরিক আইন প্রত্যাহার, জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর, গোলাগুলি ও হত্যা বন্ধ করে সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া এবং বিভিন্ন স্থানের হত্যাকাণ্ডের তদন্তে বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠনের দাবি জানান।

বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘ভাইয়েরা আমার, আমি প্রধানমন্ত্রিত্ব চাই না, মানুষের অধিকার চাই। প্রধানমন্ত্রিত্বের লোভ দেখিয়ে আমাকে নিতে পারেনি। ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলিয়ে দিতে পারেনি। আপনারা রক্ত দিয়ে আমাকে ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্ত করে এনেছিলেন। সেদিন এই রেসকোর্সে আমি বলেছিলাম, রক্তের ঋণ আমি রক্ত দিয়ে শোধ করব। আজও আমি রক্ত দিয়েই রক্তের ঋণ শোধ করতে প্রস্তুত।
দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালনের জন্য আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক এবং সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আজ ভোর ৬টা ৩০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু ভবন এবং দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ৭টায় বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন। এ ছাড়া এদিন বিকেল ৪টায় ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ ভবনে (তেজগাঁও) আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

সোনোমসজিদ বন্দরে শতকোটি টাকা শুল্ক ফাঁকি কে এই জুয়েল

স্টাফ রিপোর্টার: দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থল বন্দর উত্তর অঞ্চলের বৃহত্তর বিগত স্বৈরাচারী সরকারের খুনি হাসিনার আমলে দেশের এই দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থল বন্দরে শত শত কোটি টাকা শুল্ক ফাঁকি সহ দুর্নীতি অনিয়ম কোটি কোটি টাকা রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র লিটনের ছত্রছায়ায় থাকা গোদাগাড়ী উপজেলার চেয়ারম্যান বেল্লাল হোসেন সোহেল,সহ তার আস্থাভাজন ছোট ভাই সন্ত্রাসী জুয়েল, কোটি কোটি টাকা ভাগ বাটোরা মধ্য দিয়ে বিভিন্ন ধরনের সরকারি দুর্নীতির কাজ হাতিয়ে নেওয়া সহ আমদানির মাধ্যমে সরকারের শত শত কোটি টাকা শুল্ক ফাঁকিসহ দুর্নীতি অনিয়ামের সাথে জড়িত সোনামসজিদ বন্দর ব্যবহারকারী এলাকার ব্যবসায়ীদের সাথে অনিয়ম বিষয় গুলো এতদিন ধরে চুপ থাকা গোদাগাড়ী উপজেলা এলাকা বাসি সহ স্থল বন্দর সোনামসজিদের ব্যবসাহীদের মুখ খুলতে শুরু করেছেন সোনামসজিদ বন্দরের কয়েকজন আমদানি কারক নাম না জানাতে অনিচ্ছুক শর্তে জানিয়েছেন সোনামসজিদের বিভিন্ন

আরও পড়ুন
language Change