তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
এক মামলায় আপিল বিভাগে ব্যারিস্টার সুমনের জামিন বহাল সুন্দরবনে মুক্তিপন দিয়ে ফিরলেন কয়রার ১৩ মৌয়াল ডিইউজের আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নে সভা, সমবায় পুনর্গঠনের দাবি সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে গুরুতর আহত মৌয়াল পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ঈদুল আজহা উপলক্ষে সারাদেশে বসছে ৩৬০০ পশুর হাট গাজীপুরে পৈত্রিক জমি ফিরে পেতে জেলা রেজিস্ট্রারের দ্বারস্থ সাংবাদিক সূর্য আহমেদ মিঠুন ভাণ্ডারিয়া থানার ওসির কাজে সন্তুষ্ট সাধারণ মানুষ ​প্রকৌশলী মকবুলের লালসার বলি: ভিটেমাটি হারাল এক সাংবাদিক পরিবার দুটি হত্যা মামলায় জামিন পেলেন সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বিএনপি এবং তার অঙ্গ সংগঠনগুলোর কমিটি ঘোষণা নিয়ে সরগরম শত কোটি টাকার সম্পদ লাবলুর : নেপথ্যে অবৈধ অর্থ ও অদৃশ্য শক্তি ভুয়া কোস্টগার্ড না অন্য কিছু? যুবকের সন্ধানে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন সাংবাদিককে হত্যার হুমকি: সোনাইমুড়ীতে রাজপথে প্রতিবাদ দুর্নীতির ছায়া? উদ্বোধনের আগেই বাসাইলের সড়কে ফাটল চা-রাজ্যে ভয়ংকর পরিস্থিতি, জলাধার থেকে মিলল ৩ লাশ আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি যেন পুলিশকে ব্যবহার করতে না পারে: তারেক রহমান পুলিশের মানবিক আচরণ প্রত্যাশা করেন প্রধানমন্ত্রী কাজিপুরে ব্যতিক্রমী উদ্যোগে প্রশংসায় ভাসছেন সংসদ সদস্য সেলিম রেজা উপকূলীয় জীবন বদলে দিচ্ছে এনজিএফ মোংলায় চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ার পর মালিকের উপর হামলার অভিযোগ আবু তালেবের জালিয়াতি: গণপূর্তে শতকোটির হরিলুট ১৮ লাখ টাকার চুক্তিতে পুলিশে চাকরি! ​চাঁপাইনবাবগঞ্জে অভিযান ৭০০ গ্রাম গাঁজাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার​ এডুকেশন এক্সপো ও আইইএলটিএস-অ্যাসেট প্রজেক্টের জাঁকজমকপূর্ণ বিদায় অনুষ্ঠান সেনবাগে এনসিপিতে যোগদানের হিড়িক: অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীর যোগদান ঝিনাইগাতীতে কোরবানির ঈদে ১২ হাজার ১৮২ টি গরু প্রস্তুত কেশবপুরে জামায়াতের উদ্যোগে আত্মকর্মসংস্থান সহায়তা প্রদান শেরপুরে বাসের ধাক্কায় ট্রাক্টর চালক নিহত আফ্রিকায় অফশোর ক্যাম্পাস স্থাপনে ড. আসিফ মিজানের গুরুত্বারোপ সুন্দরবন সুরক্ষাসহ পরিবেশ সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার মোংলায় প্রতিমন্ত্রী বিএনপি করতে গিয়ে মার খেয়েছে, বিএনপি তাদের পাশে দাঁড়াবে-নাটোরে হুইপ নাটোর শ্রমিকদের পরিবারের মাঝে মৃত্যুকালীন টাকা বিতরণ মোংলায় মরহুম বেল্লাল হোসেন স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল অনুষ্ঠিত পরিবেশ রক্ষায় নোয়াখালীতে তরুণদের গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক নোয়াখালীর চাটখিলে জায়গা-জমি বিরোধে ছুরিকাঘাতে আহত ১ চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী সচেতনতায় ডিএনসি’র লিফলেট বিতরণ রাজউকে অনিয়ম-দুর্নীতির রাজা-রানী সবুজ-মলি অতিরিক্ত বৃষ্টিতে রংপুর সদর উপজেলার কাঁচা রাস্তার বেহাল দশা অসুস্থ মায়ের জন্য ছাদবাগান, বদলে গেল আলামিনের ভাগ্য মোংলা উপজেলায় রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস পালিত সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন দীঘিনালায় আবুল খায়ের টোব্যাকো কোম্পানির বিরুদ্ধে তামাক চাষীদের বিক্ষোভ কেশবপুরে মাছ চাষে দক্ষতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত সাংবাদিকের নামে গায়েবি মামলা, তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন? খাগড়াছড়ির রামগড়ে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস কর্মশালা অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে আইইবি’র ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ​চাঁপাইনবাবগঞ্জে অভিযান ১ কেজি গাঁজাসহ দুই নারী গ্রেফতার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শেখ আনসার আলীর প্রয়াণ দিবস ও ক্লাবের ১২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বিএনপিসহ চার সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে: তারেক রহমান

মদিনা সনদ ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা

পাঠক সংখ্যা
638

অনলাইন ডেস্কঃ

মদিনা রাষ্ট্রকে সুখ, শান্তি ও নিরাপদ রাখার জন্য মহানবী (সা.) সব ধর্ম, বর্ণ ও গোত্রের সমন্বয়ে একটি ঐতিহাসিক সনদ রচনা করেছিলেন। ওই সনদে যে ‘উম্মাহ’ কথাটি বলা হয়েছে তা ছিল সব ধর্ম-বর্ণের সমন্বয়ে রচিত উম্মাহ।  মদিনা সনদের ২৬ অনুচ্ছেদে মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, ‘বনু আউফের ইহুদিরা মুমিনদের সঙ্গে একই উম্মাহ। ইহুদিদের জন্য তাদের ধর্ম আর মুসলমানদের জন্য তাদের ধর্ম, তাদের মাওয়ালি বা আশ্রিত এবং তারা নিজেরাও। অবশ্য যে অন্যায় বা অপরাধ করবে সে নিজের এবং তার পরিবার-পরিজনেরই ক্ষতি করবে।’

ধর্মীয় ও গোত্রীয় এই বিভাজন ও বিরোধের অভিশাপ থেকে সমাজ ও রাষ্ট্রকে স্থিতিশীল ও নিরাপদ রাখার জন্য কোরআনের নির্দেশনা হলো—‘তোমাদের ধর্ম তোমাদের জন্য এবং আমার ধর্ম আমার।’(সুরা : আল-কাফিরুন, আয়াত : ৭)

মদিনা সনদের মাধ্যমে মহানবী (সা.) সেই আদর্শ মুসলিম রাষ্ট্রে যে অভাবনীয় সুখ-শান্তির দুয়ার খুলে দিয়েছিল তার সুফল সবাই সমভাবে ভোগ করেছিল। মহানবী (সা.) ইহুদি, খ্রিস্টান ও অন্যান্য ধর্ম বা গোত্রের সঙ্গে যে মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলেন, তার মূল বিষয়বস্তু ছিল সবার ধন-সম্পদ, সামাজিক নিরাপত্তা, আদর্শ ও সম্ভ্রম রক্ষা করা এবং সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে মদিনার স্থিতিশীলতা সংহত করা।

মদিনা সনদের শর্তগুলোর মধ্যে যেমন বলা হয়েছে :

১. অমুসলিমরা শত্রু দ্বারা আক্রান্ত হলে মুসলমানরা তাদের রক্ষা করবে।

২. তাদের ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করা হবে না।

৩. তাদের সর্বপ্রকার নিরাপত্তা দেওয়া হবে।

৪. তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য, সম্পত্তি ও অধিকারের নিরাপত্তা প্রদান করা হবে।

৫. তাদের ধর্ম, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও গির্জা বা উপাসনালয়ের কোনো ক্ষতি করা হবে না।

৬. তাদের কোনো অধিকার ক্ষুণ্ন করা হবে না। ৭. তাদের বিরুদ্ধে সামরিক বাহিনী পাঠানো হবে না।

৮. ধর্মীয় ও বিচারব্যবস্থায় তাদের সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হবে।

ইতিহাস সাক্ষী, প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.) আরবের ইহুদি, খ্রিস্টান ও পৌত্তলিকদের হাতে বিভিন্ন সময় অপমানজনক হয়রানির শিকার হয়েছেন।

তারা মহানবী (সা)-এর ওপর বিভিন্ন সময় হামলা করেছে। তায়েফে ইসলাম প্রচার করতে গিয়ে মহানবী (সা.) বিরোধীদের পাথরের আঘাতে রক্তাক্ত হয়েছেন। এসব জাহেলের শাস্তির জন্য আল্লাহ ফেরেশতা পাঠিয়েছেন। অথচ মহানবী (সা.) তাদের ক্ষমা করে দেন, এমনকি তাদের কল্যাণের জন্য তিনি কায়মনোবাক্যে দোয়া করেন। মক্কার কাফির, মুনাফিক ও পৌত্তলিকরা মহানবী (সা.)-কে চরমভাবে অপমান-অপদস্ত করে মক্কা থেকে বের করে দিয়েছিল। অথচ তিনি তাদের এই হীন কাজের কোনো প্রতিবাদ করেননি; না তাদের কোনো কটু কথা বলেছেন।

এরপর মহানবী (সা.) যখন মক্কা জয় করলেন, তখন তাঁর হাতে একটি মানুষও খুন হলো না। কাফিরদের একটি বাড়িঘরও লুণ্ঠিত হলো না। এমনকি একটি ক্ষেত বা গাছের ফসলের ক্ষতি হলো না। মক্কা বিজয়ের দিনে মহানবী (সা.) মক্কাবাসী কাফিরদের সবাইকে সাধারণভাবে ক্ষমা করে দিলেন। উহুদের ময়দানে মহানবী (সা.) মাথায় আঘাত পেলেন, তাঁর দন্তমোবারক শহীদ হলো, তবু তিনি কারো ওপর প্রতিশোধ নেওয়া তো দূরের কথা তাদের একটি কটু কথাও বললেন না। একদিন মহানবী (সা.) দ্বিন প্রচারের কাজ করছিলেন। তখন কাফির কুরাইশরা তাঁর ওপর আক্রমণ করল। তাঁকে প্রহার করতে লাগল। এ সময় সাহাবি হারেস বিন আবু লাহাব (রা.) দৌড়ে এসে মহানবী (সা.)-কে রক্ষার চেষ্টা করেন। তখন কাফিররা তাঁর ওপর চড়াও হলো। এক কাফিরের তরবারির আঘাতে হারেস (রা.) শহীদ হলেন। তার পরও মহানবী (সা.) কাফিরদের অত্যাচারের জবাব দিলেন না। তিনি আপন কাজে অটল ও অবিচল রইলেন। আরেক দিন কাবাঘরে মহানবী (সা.) নামাজ পড়ছিলেন। এমন সময় কাফির উকবা চাদর দিয়ে মহানবী (সা.)-এর গলায় পেঁচিয়ে ধরল। এতে তাঁর দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হলো। আবু বকর (রা.) এসে সেটি ছাড়িয়ে দিলেন। উকবা ও অন্য কাফিররা আবু বকর (রা)-এর ওপর হামলা করল। তার পরও তাঁরা কাফিরদের কিছুই বললেন না। মুখ বুজে সব সহ্য করলেন। আরেক দিন আবু জাহেল মহানবী (সা.)-এর মাথার ওপর বালু ছুড়ে মারল। মহানবী (সা.) তাতে ভ্রুক্ষেপ করলেন না। এভাবেই আল্লাহর রাসুল শত্রুদের নির্যাতন সহ্য করলেন, তবে তাদের প্রতি কোনো প্রতি-আক্রমণ করেননি।

একটি ইসলামী রাষ্ট্র বা সমাজে অমুসলিমরা সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং সম্মান ও মর্যাদা নিয়ে বসবাস করার অধিকার রাখে। সে তার নিজস্ব ধর্ম ও বিশ্বাস রক্ষা করতে সক্ষম। কেননা, আল্লাহ তাআলা মানুষকে ধর্ম পালন করার স্বাধীনতা দিয়েছেন। আল্লাহ বলেন, ‘দ্বিন সম্পর্কে কোনো জবরদস্তি নেই। সত্য পথ ভ্রান্ত পথ থেকে সুস্পষ্ট হয়েছে। যে তাগুতকে অস্বীকার করবে এবং আল্লাহকে বিশ্বাস করবে সে এমন এক হাতল ধরবে, যা কখনো ভাঙবে না।’ (সুরা : আল-বাকারাহ, আয়াত : ২৫৬)

মহানবী (সা.) অমুসলিম বা সংখ্যালঘুদের স্বাধীনতা রক্ষার ব্যাপরে ছিলেন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। অমুসলিম ও সংখ্যালঘুদের অধিকারের ব্যাপারে তিনি বলেছেন, ‘জেনো রেখো, যে মুসলমান কোনো চুক্তিবদ্ধ (অর্থাৎ অমুসলিম) নাগরিকের ওপর জুলুম করবে, তাদের অধিকার হরণ করবে, কিংবা তার ওপর সামর্থ্যের চেয়ে বেশি বোঝা চাপিয়ে দেবে, কিংবা তার কোনো জিনিস জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেবে, সেই মুসলমানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অভিযোগে আমি আল্লাহর আদালতে অমুসলিম নাগরিকের পক্ষে দাঁড়াব।’(আবু দাউদ)

ইসলাম অমুসলিম নাগরিক ও সংখ্যালঘু নাগরিকদের সব নিরাপত্তা বিধান করেছে। মহান আল্লাহ তাদের সঙ্গে ন্যায়পূর্ণ, স্বাভাবিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ করার তাগিদ দিয়েছেন। আল্লাহ বলেন, ‘যারা দ্বিনের ব্যাপারে তোমাদের সঙ্গে লড়াই করেনি এবং তোমাদেরকে তোমাদের বাড়িঘর থেকে বের করে দেয়নি, তাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার ও ইনসাফ করতে আল্লাহ নিষেধ করেছেন না।’(সুরা : মুমতাহিনা, আয়াত : ৮)

অমুসলিম বা সংখ্যালঘুর জানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে ইসলাম। রাসুলুল্লাহ (সা)-এর সময়কালে একজন অমুসলিমকে একজন মুসলমান হত্যা করলে মহানবী (সা.) হত্যাকারী মুসলিমকে হত্যার নির্দেশ দেন। কারণ ইসলাম ধর্ম মতে, কাউকে হত্যা করা মানে গোটা মানবজাতিকে হত্যা করার শামিল। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো একজনকে হত্যা করল সে যেন দুনিয়ার সব মানুষকেই হত্যা করল। আর যে ব্যক্তি কারো প্রাণ রক্ষা করল সে যেন দুনিয়ার সব মানুষের প্রাণ রক্ষা করল।’ (সুরা : মায়িদা, আয়াত : ৩২)

 

সবা:স:জু- ৬৪৪/২৫

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

এবার সাবেক সেনাপ্রধানের বাড়ি ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

স্টাফ রিপোর্টার: নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে সাবেক সেনাপ্রধান মঈন ইউ আহমেদের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে চৌমুহনী পৌরসভার আলীপুর গ্রামের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ওই বাড়িতে সাবেক সেনাপ্রধানের ছোট ভাই জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি জাবেদ ইউ আহমেদ বসবাস করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ৯টার দিকে শতাধিক যুবক লাঠিসোঁটা নিয়ে মঈন ইউ আহমেদের বাড়িতে হামলা চালায়। এসময় ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। ড্রইংরুমের সোফায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এর আগে একই ব্যক্তিরা চৌমুহনী পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আক্তার হোসেন ফয়সলের বাড়িতেও ভাঙচুর করে। তবে বাড়িগুলোতে কেউ না থাকায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নোয়াখালী জেলা শাখার আহ্বায়ক মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, এসব ভাঙচুর কিংবা অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আমাদের সম্পৃক্ততা নেই। চৌমুহনীতে রাজনৈতিক

আরও পড়ুন
language Change