তারিখ লোড হচ্ছে...

সাতক্ষীরায় ন্যাচারাল হেলথ সেন্টারের বিরুদ্ধে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ শান্তিগঞ্জে প্রাইভেটকার থেকে ৪০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, চালক গ্রেফতার রাঙামাটিতে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী নির্যাতন: স্বামীর ৩ বছরের কারাদণ্ড, ২ লাখ টাকা জরিমানা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ করতে হবে-সার্ক ও বিশ্বব্যাংকের কৃষি পরামর্শক ড. নওশের... ঢাকার ৫০ ট্রাফিক সিগনাল পয়েন্টে বসছে এআই ক্যামেরা যে কোনো শর্তে জামিন চেয়েও পাননি উইং কমান্ডার সাইফ লোডশেডিং-গ্যাস সংকটের পর এখন পানি আসছে না, কার কাছে বলব এই দুঃখ কেশবপুরে অসত্য তথ্য প্রচারের প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামীর সাংবাদিক সম্মেলন চাঁদাবাজির প্রতিবাদে সিরাজগঞ্জে চালকল মালিকদের মানববন্ধন সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বালুবাহী ট্রাকচাপায় স্কুলশিক্ষক নিহত বিডা-বেজা-পিপিপিএ একীভূত,নতুন দায়িত্বে চৌধুরী আশিক মাহমুদ যে ৫ ধরনের পরামর্শ এআইয়ের কাছে না চাওয়াই ভালো বাংলাদেশে প্রিমিয়ার লিগের উত্তাপ, দেখা যাবে পুরো মৌসুম ৬ বছর পর রোগী সেজে চিকিৎসক স্ত্রীর সামনে প্রবাসী স্বামী কারা নির্যাতিত বিএনপি নেতা তাজ উদ্দিন তাজুকে অব্যাহতি প্রদানের প্রতিবাদে শ্রীমঙ্গলে বিক্ষোভ মিছিল সুপেয় পানির কষ্ট লাঘবে উপকূলের প্রত্যেকটি ঘরে পানির ট্যাংক পৌঁছে দেয়া হবে প্রতিমন্ত্রী ভারতের কলকাতায় আগুনে নিহত সাতক্ষীরার আলিমুজ্জামানের লাশ ভোমরা স্থলবন্দর হয়ে নিজ বাড়িতে পৌঁছেছে বরগুনায় মাহফুজ চেয়ারম্যানের উদ্যোগে ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৯৬ বোতল মাদকদ্রব্য জব্দ লবণচরার জোড়া খুন: শীর্ষ সন্ত্রাসী সাইফিসহ ৩ জন গ্রেফতার  অস্ত্র উদ্ধার সুনামগঞ্জের লাউড়েরগর গ্রামে আসাদ মিয়ার ঘর থেকে ৩০০ বোতল ফেনসিডিল,ফোসকাসহ ভারতীয় পণ্য জব্দ নোয়াখালীতে ৩০০ জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা লংগদুতে মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে পুলিশের মাদকবিরোধী র‍্যালি  বিএনপি নেতা বুলবুল এর উদ্যোগে অসহায় পরিবারকে মানবিক সহায়তা ও টিনের ঘর উপহার কাশিয়ানীতে ধর্ষণচেষ্টার শিকার আপন দুই শিশু বোন ১৭ বছর সংবাদমাধ্যমের হাত বেঁধে রাখা হয়েছিল: তথ্যমন্ত্রী সিলেট বালাগঞ্জ বিএনপি’র নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের অভিযোগ, ক্ষুন্ন হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড পরিকল্প... হারানো ৫৩ মোবাইল ফোন উদ্ধার করে মালিকদের হাতে হস্তান্তর সিরাজগঞ্জে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা খুলনায় স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও জনসভা মোংলায় কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক আটক এনওসি ছাড়াই বিদেশ সফরে খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডিপিএইচইতে কোটি টাকার দুর্নীতির সিন্ডিকেট প্রধান প্রকৌশলী আবদুল আউয়ালের জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল রক্ষায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু সোনার কিরণের ক্ষমতার ১৮০ দিন অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ফারিয়াকে চুরির অপবাদ দিয়ে শ্লীলতাহানি নোয়াখালীতে বেদেপল্লীতে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদে বিক্ষোভ-সমাবেশ নাটোরের অশ্লীলতার কবলে হালতিবিল শ্রীমঙ্গল বিএনপির অব্যাহতিপ্রাপ্ত নেতা তাজ উদ্দিন তাজুর সংবাদ সম্মেলন দলের দুঃসময়ের সারথি দুদু, তবু কেন আড়ালে? চুয়া সেলিম গ্রেফতার গোপন আস্তানা থেকে কেশবপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা পিতার রুহের মাগফিরাত কামনায় চারা বিতরণ সুনামগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ আব্দুস সাত্তার নামে এক মাদক কারবারি আটক সাতক্ষীরা সার্জিক্যাল ক্লিনিকে র‌্যাবের অভিযানে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, ক্লিনিক বন্ধের নির্দেশ নতুন সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কবে, যা জানা গেল ‎সুন্দরবনে অবমুক্ত করা বাঘিনীর ৪০টি ক্যামেরায় মিলছে না অস্তিত্ব পারস্পরিক আস্থা অর্জনের পর প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর : উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: জিয়া ও খালেদা জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা  তালতলীতে অবৈধ পিস্তল ও গুলিসহ আটক-০৫

বিএনপিই এখন ভরসা, জনগণের আস্থা

পাঠক সংখ্যা
638

মাহবুবুর রহমান:

৫ আগস্ট গণ অভ্যুথানের পতন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের। দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এরপরই  দেশের হাল ধরেন অন্তবর্তি সরকারের প্রধান হিসেবে নোবেল বিজয়ী ড. মোহাম্মদ ইউনুস।
আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর সাথে পালিয়ে যান দলের শীর্ষ নেতারাও। এরপর থেকে কার্যত অচল হয়ে পড়ে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকান্ড। ঐতিহ্যবাহি দলটি হারায় তাদের সংগ্রামী ঐতিহ্য। কি হতো যদি শেখ হাসিনা দেশে ছেড়ে পালিয়ে না যেতেন? হয়তো তিনি গ্রেফতার হতেন। কিন্তু বেচে যেতো আওয়ামী লীগ। মামলা মোকাবেলায় করতো সাথে থাকতো রাজপথে আন্দোলন। কিন্তু তা হয়নি। নেত্রী পালিয়ে গেছেন।
জুলাই আগস্ট গণ হত্যার দায় পড়ে হাসিনার উপর। গঠন করা হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যাল। শুরু হয় হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার। এরপরই গেলো সপ্তাহে সামনে আসে জাতিসংঘের প্রতিবেদন। সেই প্রতিবেদনে যা বলা হয়েছে তাতে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফিরে আসাটা অনেকটাই কষ্টকর। অসম্ভবও বটে।
কারণ: আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে এখন তৈরী হয়েছে নেতৃত্ব শুণ্যতা। শেখ হাসিনার প্রতি ঘৃণা। তার নেতাকর্মীরা এখন পলাতক। কারণ তারা জনগণের কাছে ঘৃণিত, ধিক্কিত। সাধারণ মানুষও বিশ্বাস করে শেখ হাসিনা বা বঙ্গবন্ধু পরিবার এবার মাইনাসে পড়ে গেছে। নতুনভাবে ফিরে আসতে চাইলে আওয়ামী লীগকে আসতে হবে শেখ পরিবারের বলয়মুক্ত হয়ে। এক্ষেত্রে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতি ফিরে আসাটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। তার উপর তাদের কাধে আছে মানুষ হত্যার দায়। নতুন ভাবে ফিরে আসলেও তাদের মেনে নেবে জনগণ? এমন প্রশ্নটাও অবান্তর নয়।
আওয়ামী লীগেরসব অপকর্ম যায়েজ করে গেছে জাতীয় পার্টি। গেলো ৩টি নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে যেভাবে সমর্থন করেছে তাতে দলটি এখন জনবিচ্ছিন্ন। কোনো রাজনৈতিক কর্মকান্ড করতে পারছে না জাতীয় পার্টি। আবার একথাও একেবারে অবান্তর নয় যে, হুসেন মাহুম্মদ এরশাদের মৃত্যুর পর থেকেই  জাতীয় পার্টি এখন আঞ্চলিক দলে রুপান্তরিত হয়ে গেছে। রংপুর অঞ্চলে কিছু প্রভাব ছাড়া, সারাদেশে জাতীয় পার্টির অবস্থা এককথায় নেই বললেই চলে।
আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোটে আর যেসব দলগুলো আছে ভোটের হিসেবে তারা অনেকটাই নিস্প্রাণ। সব মিলিয়ে আওয়ামী লীগ তা শরিক মহাজোটের ভোট সারাদেশে যদি ২০২৪ এর নির্বাচন ধরি তবে তা হবে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ। এর বেশী না। ধরে নেই ২০ শতাংশ ভোট আছে আওয়ামী রীগের নেতৃত্বে মহাজোটের। গনাভ্যুথানের পর সেই হিসেবে নিম্নমুখি।
গণ অভ্যুথানের পর রাজনীতিতে আবারো সক্রিয় হয়ে উঠে জামায়াত ইসলামী। তাদের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্থানে বসিয়ে নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টায়মত্ত দলটি। জরিপে দেখা যায়, জামায়াতের মোট ভোট আছে ৭ থেকে ১০ শতাংশ। গন অভ্যুথানে পর আরো যদি বাড়েও তবে তা ১৫ শতাংশের বেশী না। জামায়াতের রাজনীতিতে কিছু মানুষের আস্তা থাকলেও সেটা সরকার গঠনের জন্য যথেষ্ট নয়।
মহাজোট ও জামাত মিলিয়ে মোট ভোট ৩৫ শতাংশ। বাকী আছে আরো ৬৫ শতাংশ। এরমধ্যে ৫ শতাংশ ভোট আছে বড়দলের শরীক দলগুলো। বাকী এখনো ৬০ শতাংশ। এরমধ্যে ১৫ শতাংশ ভোট আছে ভাসমান ভোট। তারপরও আছে ৪৫ শতাংশ। ২ শতাংশ ভোট বাদ পড়বে ভোটারের পেশাগত কারণে। সবমিলিয়ে বিএনপির ভোট আছে ৪৩ শতাংশ।
তারমানে,এখনপর্যন্ত ৪৩ শতাংশ মানুষের আস্থায় আছে বিএনপি। গণ-অভ্যুথানের পর সেই সংখ্যা আরো বেড়ে গেছে। বেড়ে গেছে দ্বায়িত্বও। সাধারণ মানুষ মনে করে বিএনপি একমাত্র দল যার প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান দেশের বহুদলয়ি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করে বিএনপিই এবার তাদের কাছ থেকে লুট হওয়া ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেবে। এক্ষেত্রে বিএনপি যদি ভুল করে আর সেই ভুলে কারণে আবারো আওয়ামী লীগ রাজনীতি শুরু করে তবে তা হবে ভয়াবহ।
প্রতিহিংসায় আওয়ামী লীগ ফিরে আসলে ফিরে আসবে আরো হিংস্র ও তান্ডবিক পন্থায়। দেশকে পরিণত করবে সন্ত্রাসের নগরি। রক্তে রঞ্জিত হবে মানচিত্র। যেমনটা হয়েছিলো সদ্যগত ২০২৪ সালে। তার ইঙ্গিত কিন্তু দিয়েছে শেখ হাসিনা। সাধারণ মানুষের সাথে কথা বললে, তারা বলে শেখের বেটি একটা খুনি। তিনি ফিরে আসলে কাউকেই রাখবে না। থাকবে না গণতন্ত্র। সেই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে চায় সাধারণ মানুষ। যে কারণেই তাদের আস্থার ঠিকানা এখন বিএনপি।
বিএনপি যদি ভুল করে তার মাশুল গুনতে হবে পুরো জাতিকে। বিএনপি যদি ভুল করে তবে আবারো কবর রচনা হবে গণতন্ত্রের। সেই কাজটি করতে দেয়া যাবে না।
কিন্তু কোনোভাবেই আটকানো যাচ্ছে না বিএপির তৃণমুলকে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যারে বারবার নির্দেশের পরও ঠেকানো যাচ্ছে না বিএনপি নেতাকর্মীদের চাদাবাজি ও দখলবাজিকে। এই অবস্থা থেকে ঘুরে দাড়াতে হবে দলকে।
কি করতে হবে বিএনপিকে? সাধারণ মানুষের কাছে যেতে হবে। প্রচারণা চালাতে হবে, মানুষ হত্যার। তবেই সাধারণ মানুষ আওয়ামী লীগের আসল রুপ ভুলে যাবে না। সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে বিভিন্ন আসনের আওয়ামী লীগের এমপিদের  দুর্নীতি ও অনিয়ম তথ্য। জানাতে হবে কেমন ছিলেন আওয়ামী লীগের নেতারা। জনগণের কতো টাকা তারা তসরুপ করেছেন। প্রতিহিংসা না করে এসব ছড়িয়ে দিলেই জনগণ জানতে পারবে কি করেছে। তখন তারাই বলছে, নো হাসিনা, নো আওয়ামী লীগ।
নো হাসিনা, নো আওয়ামী লীগ মানেই বিএনপির প্রতি জনগণের আস্থা আরো বেড়ে যাওয়া। বেড়ে যাবে প্রত্যাশা। যে প্রত্যাশা ইতিমধ্যে বিরাজমান কোটি বাংলাদেশীর মনে। সারাদেশের মানুষ এখন মনে করে তাদের ভোটাধিকার আর গনতন্ত্র ফিরিয়ে আসবে তারেক রহমানের হাত ধরেই। তিনি বাংলাদেশের আগামীর রাষ্ট্রনায়ক। শুভকামনা তারেক রহমান আপনাকে আগামীর বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অভিযাত্রায়। © মাহবুবুর রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

আইনজীবী হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো চিন্ময়কে

স্টাফ রিপোর্টার: রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় কারাগারে থাকা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায়ে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার (৫ মে) ৬ষ্ঠ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আলাউদ্দিন শুনানি শেষে আবেদন মঞ্জুর করেন। সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলায় চিন্ময়কে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আবেদন করে পুলিশ। আদালত আবেদন মঞ্জুর করেছেন। চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের নিরাপত্তা ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা আদালতে হাজির করা হয়নি কিন্তু ভার্চুয়াল শুনানিতে জেলখানা থেকে সংযুক্ত করা হয়। জানা গেছে, চিন্ময়কাণ্ডে কোতোয়ালি থানায় দায়ের হওয়া চারটি মামলার মধ্যে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে খুনের একটি এবং পুলিশের কাজে বাধাদান, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে আরও তিনটি মামলা রয়েছে। হত্যা মামলার শুনানি সোমবার ভার্চুয়াল আদালতে

আরও পড়ুন
language Change