তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
ঘরে বসেই নিতে পারবেন ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ কো-অর্ডিনেটর শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়া এক নিবেদিতপ্রাণ - মুশফিকুর সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজা সম্পন্ন, প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ঢাকাসহ চার বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস ড. ইউনূসসহ ২৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা সৌদি পৌঁছালেন ৫৯ হাজারের বেশি হজযাত্রী রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির ডিসেম্বরের মধ্যেই জলাবদ্ধতা কমবে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ ভারতে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ আগুন দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই জোড়া আঘাত তাসকিনের যেভাবে কার্যকর হতে পারে নতুন পে-স্কেল রাজধানী জুড়ে পুলিশের কড়া সতর্কতা কুমিল্লা নামে বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী দুই দিনে অভিযানে শতাধিক গ্রেফেতার লিটনের শতকে সম্মানজনক সংগ্রহ বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশ সুপারের পানছড়ি থানা ও খুনের ঘটনাস্থল পরিদর্শন সাংবাদিকবৃন্দের সাথে নবাগত পুলিশ সুপার পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিস্ফোরক ও হেরোইনসহ ৩ জন গ্রেফতার ঝিনাইগাতীতে কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের ২৭তম বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত মোংলায় মাদকের বিরুদ্ধে সাহসী লড়াইয়ে সাংবাদিক মাসুদ কেশবপুরে সাবেক খেলোয়াড় কেসমত আলীর মৃত্যু সুন্দরবনে বনদস্যুদের সঙ্গে কোস্ট গার্ডের বন্দুকযুদ্ধ, আটক ৩ হামলা হলে দায়ী থাকবেন আওয়ামী লীগ নেতা সাত্তারসহ ৩ জন: সাংবাদিক ইন্নার অভিযোগ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থীর ঘোষণা দিলেন আবু সাইদ সুইট পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মচারীর সম্পদের পাহাড় রংপুর সদরে ধান কাটায় ব্যস্ত কৃষক, উৎপাদন ভালো হলেও লাভ নিয়ে শঙ্কা পাকিস্তানকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার হুমকি চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ করাত-কলের বিরুদ্ধে অভিযান শেরপুরের কোরবানির পশুর হাটে মূল আকর্ষণ বাংলার ডন! কুমিল্লায় পথসভায় প্রধানমন্ত্রী শেরপুরের কৃতি সন্তান ড. এমডি মাহফুজুর রহমান পিএইচ ডি ডিগ্রি অর্জন করলেন মোংলায় ট্রলার থেকে পড়ে যুবক নিখোঁজ চলছে উদ্ধার কাজ শহীদ নাসিরউদ্দিন আহাম্মেদ পিন্টুর ১১তম শাহাদাতবার্ষিকীতে স্মরণসভা চট্টগ্রাম বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তার ভিডিও ভাইরাল বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন "আইজিপি ব্যাজ-২০২৫" পেলেন পিরোজপুরের পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আন্তর্জাতিক থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে শাহ্ নেয়ামতুল্লাহ কলেজে সেমিনার অনুষ্ঠিত ভোলা সদর পিআইওর বিরুদ্ধে টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পে তথ্য গোপন ও অনিয়মের অভিযোগ শাশুড়ির পরকীয়া জানানোয় পুত্রবধূকে হত্যার অভিযোগ বিজিবি’র অভিযানে ভারতীয় মোবাইল ফোন, ইয়াবা এবং নেশাজাতীয় ট্যাবলেট জব্দ বটিয়াঘাটায় পুলিশের ‘ওপেন হাউস ডে’ অনুষ্ঠিত পূর্ব সুন্দরবনে বনদস্যু ও বনরক্ষীর মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ জিম্মি ৪ জেলে উদ্ধার যমুনা অয়েলের গনবদলীতে অর্থ লেনদেন ও দ্বৈত নীতির অভিযোগ রংপুরে পোল্ট্রি খামারের বিষাক্ত বর্জ্যে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি, দুই শতাধিক কৃষক পদবি মিটারম্যান অথচ চাকরি দেয়ার নামে হাতিয়ে নিয়েছে কোটি টাকা এসএসপি নির্বাচনে : সভাপতি গোলাম ফারুক, সাধারণ সম্পাদক আবু আবিদ, দপ্তর সম্পাদক মিম চাঁদপুরের উদ্দেশে রওনা প্রধানমন্ত্রী ২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা সৌদি পৌঁছেছেন ৫৫ হাজার ৬৯৩ বাংলাদেশি হজযাত্রী আরব আমিরাতের উপকূলে জাহাজ আটক নেওয়া হচ্ছে ইরানে

রাজউক কর্মকর্তা আমীর খশরুর শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ

পাঠক সংখ্যা
638

নিজস্ব প্রতিবেদক :

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) কর্মকর্তা আমীর খশরুর বিরুদ্ধে শত কোটি টাকা সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। সেই সঙ্গে তার স্ত্রীর নামেও রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে অসংখ্য ফ্ল্যাট।

জানা গেছে, খশরু নব্বই দশকে রাজউকে উপ-ইমারত পরিদর্শক হিসেবে যোগদান করেন। তখন তার বেতন স্কেল ছিল মাত্র ১ হাজার ৪৮০ টাকা, মাসে মূল বেতন ছিল চার হাজার টাকার আশপাশে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে নানা অভিযোগে এক যুগেরও বেশি সময় তিনি সাময়িক বরখাস্ত ছিলেন।

বর্তমানে খসরুর বেতন ৫০ হাজার টাকার কাছাকাছি। তবে রাজধানীতে তার এবং তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ৩৬টি ফ্ল্যাট। উত্তরায় রয়েছে ৩০ কোটি টাকা মূল্যের দুটি প্লট। সব মিলিয়ে শতকোটি টাকার সম্পদের মালিক তিনি।

বাড্ডা পুনর্বাসন প্রকল্পের ১০ নম্বর রোডের ৭৪ নম্বর হোল্ডিংয়ের ছয়তলা বাড়িটির মালিক আমীর খশরু। বাড়ির নিচতলায় পার্কিং, গার্ডরুম, একটি ফ্ল্যাট ছাড়াও বাড়িটিতে ১১টি ফ্ল্যাট রয়েছে। পাশের বাড়ির বাসিন্দারা জানান, এই বাড়ির মালিক আমীর খশরু; রাজউকে বড় পদে চাকরি করেন। এ এলাকায় তার একাধিক বাড়ি রয়েছে বলেও জানান তারা।

একই প্রকল্পের ১১ নম্বর রোডের ৬৯ ও ৭১ নম্বর হোল্ডিংয়ে দুটি প্লটেরও মালিকও এই আমীর খশরু। তিন কাঠা আয়তনের দুটি প্লটকে একত্র করে সেখানে ছয়তলা আরেকটি বাড়ি তৈরি করেছেন তিনি।

ভবনের এক নিরাপত্তাকর্মী ও একাধিক বাসিন্দা জানান, এ বাড়ির তিনটি ফ্ল্যাট বিক্রি করে দিয়েছেন আমীর খশরু। তারা বলেন, একেকটি ফ্ল্যাটের বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় দুই কোটি টাকা। নিচতলায় পার্কিং, গার্ডরুম ও একটি ফ্ল্যাট ছাড়াও ভবনটিতে মোট ১১টি ফ্ল্যাট রয়েছে।

এই রাজউক কর্মকর্তা বলেন,

এই দুটি প্লটের মালিক আমার স্ত্রী। যখন বাড্ডা পুনর্বাসন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়, তখন ক্ষতিগ্রস্তদের কাছ থেকে আমি কয়েকটি অ্যাওয়ার্ড (মালিকানাস্বত্ব) কিনে নিই। তখন একেকটি অ্যাওয়ার্ড ৪০-৫০ হাজার টাকায় কেনা যেত। পরে ডেভেলপারকে দিয়ে বাড়ি করি এবং অর্ধেক ফ্ল্যাট পাই।

বাড্ডা পুনর্বাসন প্রকল্পের ১২ নম্বর রোডের ৬৫ নম্বর হোল্ডিংয়ে তিন কাঠার ওপর আরেকটি ছয়তলা বাড়ির সঙ্গে এই রাজউক কর্মকর্তার নাম জড়িয়ে আছে। এ বাড়িতে ১২টি ফ্ল্যাট আছে। তবে এই বাড়ির মালিকের নাম আসলাম বলে জানিয়েছেন বাড়ির এক নিরাপত্তাকর্মী। আমীর খশরুর এক ঘনিষ্ঠ সহকর্মী জানান, খশরুর ভাগনে হয় এই আসলাম। বাড়িটির মূল মালিক খশরু নিজেই। বোন ও ভাগনের নামে বাড়িটি করেছেন তিনি।

এ বাড়ির বিষয়ে আমীর খশরু বলেন,

“আমার আত্মীয়স্বজনের কার কী সম্পত্তি আছে, তা আমি জানি না।”

আমীর খশরুর প্রথম করা বাড়িটি পশ্চিম শেওড়াপাড়ার ৭৪১ নম্বর হোল্ডিংয়ে। ছয়তলা এ বাড়িতে রয়েছে ১৭টি ফ্ল্যাট। একসময় এই বাড়িতেই থাকতেন তিনি।

বাড়িটির এক নিরাপত্তাকর্মী বলেন, বাড়ির মালিক খশরু তেমন একটা আসেন না। তবে একটি ফ্ল্যাটে তার একজন আত্মীয় থাকেন। সেই আত্মীয়ই ভাড়া তুলে মালিকের কাছে পাঠিয়ে দেন।

এ বাড়ির বিষয়ে আমীর খশরু জানান, পশ্চিম শেওড়াপাড়ার এই বাড়িটিই কেবল তার নামে। তার মা পৈতৃক সূত্রে সেখানে এক কাঠা জমি পেয়েছিলেন। পরে আরও কয়েক কাঠা জমি কিনে তিনি পারিবারিকভাবে বাড়িটি করেছিলেন।

উত্তরার দুই প্লট

উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টরে ৭ নম্বর রোডে ২২/এ নম্বর হোল্ডিংয়ে পাঁচ কাঠার একটি প্লট রয়েছে এই রাজউক কর্মকর্তার। এই প্লটটির বাজারমূল্য আনুমানিক ১৫ কোটি টাকা।

এ ছাড়া উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরের ৮ নম্বর রোডের ৪১ নম্বর প্লটের মালিকও তিনি। এ প্লটটিরও আনুমানিক বাজারমূল্য ১৫ কোটি টাকা।

প্লটের বিষয়ে আমীর খশরু বলেন, ‘একটি প্লট আমার মায়ের নামে।’

ভাড়াটিয়ারা বলছেন, অন্য প্লটটিও আপনার। আপনি ভাড়া তোলেন। এমন প্রশ্নের জবাবে কিছু বলেননি তিনি।

রাজউক কর্মকর্তা-কর্মচারী কোটায় পূর্বাচলে আরেকটি প্লট বরাদ্দ পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বিভিন্ন সময়ে বরখাস্ত থাকার কারণে রাজউক থেকে তাকে প্লটের আইডি দেওয়া হয়নি।

বিভিন্ন প্লটের ফাইল আটকে রেখে বাণিজ্য করার অভিযোগে ওয়ান-ইলেভেনের সময়ে যৌথ বাহিনীর হাতে আটক হয়েছিলেন আমীর খশরু। সে সময় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তার নামে একটি মামলা করে। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ওই মামলা থেকে দায়মুক্তি পান তিনি। তখন তার আইনজীবী ছিলেন বর্তমান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। আমীর খশরু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পরে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে খশরুর বিরুদ্ধে দুদক আবার মামলা করে। সে মামলায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে রাজউক। বর্তমানে মামলাটি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে রয়েছে।

১৯৯৩ সালে রাজউকে চাকরিতে যোগদানের পর থেকে রাজউকের বিএনপিপন্থি শ্রমিক ইউনিয়নে সক্রিয় ছিলেন আমীর খশরু। একসময় ইউনিয়নের সভাপতিও হয়েছিলেন। ওই সময় রাজউকে একচেটিয়া প্রভাব ছিল তার।

গত ৬ আগস্ট দলবল নিয়ে রাজউকের তৎকালীন চেয়ারম্যান ছিদ্দিকুর রহমানকে চাপ দিয়ে ইন্সপেক্টর পদ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবে রাজউক এখনো তাকে কোনো সুনির্দিষ্ট জায়গায় পদায়ন করেনি।

পরে রাজউকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করলে গত অক্টোবরে তাকে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে বদলি করা হয়। তিন মাস পর আমীর খশরু আবার রাজউকে বদলি হয়ে আসেন।

বদলির বিষয়ে তিনি জানান, তাকে অন্যায়ভাবে বদলি করা হয়েছিল। কর্তৃপক্ষ ভুল বুঝতে পেরে তাকে ফিরিয়ে এনেছে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

ভারত ম্যাচ নিয়ে ভক্তদের যা বললেন হামজা

স্পোর্টস রিপোর্ট: নেপালের বিপক্ষে অবিশ্যাস্য বাইসাইকেল কিক আর‘পানেনকা’পেনাল্টির পরও শেষ পর্যন্ত জয় পায়নি দল। সে সময় হতাশার কথা জানালেও পেশাদার ফুটবলে কিভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয় তা ভালই জানেন ইংলিশ ক্লাব লেস্টার সিটিতে খেলা এই ফুটবলার। এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে নিয়ম রক্ষার মর্যাদার লড়াইয়ে ম্যাচের আগে অনুশীলনে সোমবার নিজেদের ঝালিয়ে নিয়েছে দুদলই। জামাল তারিক কাজির পর হামজা জায়ান শমিতদের আগমনে বদলে গেছে বাংলাদেশের ফুটবল। বদলে যাওয়া ফুটবলে উচ্ছ্বাসিত ভক্তদের চাঙ্গা রাখার দায়িত্বও যে তারকা ফুটবলারদের তা আবারও দেখালেন হামজা। সোমবার (১৭ নভেম্বর) মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ নিয়ে স্ট্যাটাস দেন হামজা। পোস্টে তিনি লেখেন,বড় ম্যাচের জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। আপনাদের সবাইকে দেখার জন্য আর আপনাদের উচ্ছ্বাস অনুভব করার জন্য আর অপেক্ষা করতে পারছি না। ইনশাআল্লাহ,দর্শকদের কাছ আজ স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে

আরও পড়ুন
language Change