তারিখ লোড হচ্ছে...

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘ছোটদের পত্রিকা কানামাছি'র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী মতামত, অনুমান কিংবা অ্যাক্টিভিজম দিয়ে সাংবাদিকতা হয় না: তথ্যমন্ত্রী সাংবাদিক শফিকের মুক্তির দাবিতে তেজগাঁও কলেজ সাংবাদিক সমিতির মানববন্ধন অনুসন্ধানী সাংবাদিক শফিকের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে গেন্ডারিয়া থানা রিপোর্টার ক্লাবের মানববন্ধন বরগুনায় জনদুর্ভোগ কমাতে নিজস্ব অর্থায়নে সাংবাদিক নেতার সেতু সংস্কার বাগেরহাটে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে আইনজীবী নিহত নিহত ৪৩ সাংবাদিকের হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি বিপিজেএফের নলডাঙ্গায় মাদক মামলায় ভ্রাম্যমাণ আদালাতের অভিযান মতিঝিল মেট্রো স্টেশনের নিচ থেকে বোমা উদ্ধার রামগড় বিজিবির মাসিক নিরাপত্তা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত শাপলা চত্বর হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু ২৭ জুলাই কালীগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ওকৃষি উন্নয়নের প্রণোদনা বিতরণ  কালীগঞ্জের শিশু ফারজানা হত্যার প্রধান আসামি আল মামুনকে আটক  চাঁদপুরের রামচন্দ্রপুরে ডাকাতিয়ার ভাঙ্গন আতঙ্ক চট্টগ্রামে সাংবাদিক আসিফ কে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ পদত্যাগের পর সাহাবুদ্দিনের পুরোনো বক্তব্য ভাইরাল কেশবপুরে নিষিদ্ধ মাগুর চাষ‌: ব্যবসায়ীকে জরিমানা সংসদ অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবে সেপ্টেম্বরে: আইনমন্ত্রী সাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে নেলসন ম্যান্ডেলা শান্তি পুরস্কার দীঘিনালায় জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বশীল সমাবেশ অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জের মাছ লুট,ইজারাদারকে হত্যার হুমকিতে সংবাদ সম্মেলন গুজবে সাতক্ষীরার পাম্পে তেল কেনার ভিড়, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার দাবি প্রশাসনের ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি পাবে বাংলাদেশ মিথ্যা মামলায় সাংবাদিক শফিকের গ্রেফতারের প্রতিবাদে চট্টগ্রামে সিআরএর মানববন্ধন স্বাস্থ্যে দুর্নীতির স্বর্গরাজ্য, নেতৃত্বে সচিব কামরুজ্জামান সাংবাদিক হাফিজুর রহমান শফিকের মুক্তির দাবিতে কদমতলী থানা প্রেসক্লাবের মানববন্ধন ফরিদপুরে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে শওকতকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ইশরাক হোসেনকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন প্রচারের অভিযোগে প্রতিবাদ ​অভিযোগ ভুল প্রমাণিত: স্বপদে ফিরলেন ডিএসসিসির প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ প্রতিপাদ্যে রাঙামাটিতে বৃক্ষমেলার উদ্বোধন দুদকের মামলায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের স্ত্রীর ৩ বছরের কারাদণ্ড চট্টগ্রামে তীব্র গ্যাস সংকট: মহেশখালীর টার্মিনালে ত্রুটির কারণে কমেছে সরবরাহ কেশবপুরে দেশীয় ফল ও প্রদর্শনী মেলার আয়োজন রামগড় উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ইউএনও কাজী শামীম, সদস্য সচিব সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন নোয়াখালীতে বাসি খাবার বিক্রির অভিযোগে দুই বিরিয়ানি হাউজে জরিমানা ​নলডাঙ্গায় অপরাধ দমন ও জনসচেতনতায় ওপেন হাউস ডে অনুষ্ঠিত আরসিইপিতে সম্পৃক্ত হতে সিঙ্গাপুরের সমর্থন চেয়েছে বাংলাদেশ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬.৪৭ বিলিয়ন ডলার দেশের অর্থনীতি ট্রিলিয়ন ডলারের নিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ: শিক্ষার্থীদের যে বার্তা দিলেন মোদি ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে জিয়া হত্যার আসামি মোজাফফরকে সাংবাদিক শফিকের মুক্তি না দেয়ার প্রতিবাদে সাধারণ সাংবাদিকদের মানববন্ধন গাজী নজরুল ইসলামকে শ্যামনগরে অবাঞ্চিত ঘোষণা, নোয়াখালীতে দুই চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার ৩ আসামিকে আটক কালীগঞ্জে সাবেক ইউপি সদস্যের জমি দখলের অভিযোগ রাঙ্গুনিয়ায় স্কুল ছুটির পর ৭ বছরের শিশু অপহরণ অভিযোগের পাহাড়ে চাপা রাজউক জোন ৬/১: সুমন আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিস্ফোরণ, তদন্তে গড়িমসি কেন? সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ার আহ্বান

ই-অরেঞ্জের মালিক সোহেল রানা বিএসএফের হাতে আটক

পাঠক সংখ্যা
638

মাহফুজ বাবু॥

ই-কমার্স ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের অন্যতম মালিক বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ সোহেল রানাকে আটক করেছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী-বিএসএফ।

অবৈধ পথে ভারত থেকে নেপাল প্রবেশের সময় বিএসএফ তাকে আটক করেছে। শুরু থেকেই ই-অরেঞ্জের সঙ্গে পুলিশের বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ সোহেল রানার নাম আসে। তবে বরাবর তিনি তা অস্বীকার করে আসছিলেন। তবে হাতে আসা প্রতিষ্ঠানটির কিছু নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ‘অরেঞ্জ বাংলাদেশ’ নামে প্রতিষ্ঠান খুলতে যে টিআইএন সনদ নেওয়া হয়, সেখানে পরিচালক হিসেবে সোহেল রানার নাম আছে। সোহেল রানা শুধু পরিচালক নন, প্রতিষ্ঠানটি থেকে আড়াই কোটি টাকা বিভিন্ন সময় তুলেও নিয়েছেন। আরও কয়েকজন এভাবে টাকা তুলে নিয়েছেন। সব মিলিয়ে ই-অরেঞ্জের দুটি ব্যাংক হিসাব থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে ৩৪৯ কোটি টাকা। এসব টাকা লোপাট করা হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। একাধিক সংস্থা বেহাত হওয়া অর্থের অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, দুটি বেসরকারি ব্যাংকে ই-অরেঞ্জের অ্যাকাউন্ট থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ২০ জুলাই পর্যন্ত একটি ব্যাংকের হিসাবে জমা পড়ে ৬২০ কোটি ৬৭ লাখ ২০ হাজার ৭২৯ টাকা। এর প্রায় পুরোটাই পরে তুলে নেওয়া হয়। ব্যাংকের হিসাব বিবরণীর তথ্য অনুযায়ী, মোট ৬২০ কোটি ৪৪ লাখ ৭১ হাজার ৯৯২ টাকা তুলে নেওয়া হয়। ওই হিসাব নম্বরে এখন ২২ লাখ ৪৮ হাজার ৭৩৭ টাকা জমা আছে। আরেকটি ব্যাংক হিসাবে ৩০ জুন পর্যন্ত জমা পড়ে ৩৯১ কোটি ৬৭ লাখ ৬১ হাজার ৮৭৯ টাকা। সেখানে এখন জমা আছে দুই কোটি ৮৯ লাখ ৬৫ হাজার ৬১৯ টাকা। তুলে নেওয়া হয়েছে বাকি ৩৮৮ কোটি ৭৭ লাখ ৯৬ হাজার ২৫৯ টাকা।

ডিবির এক কর্মকর্তা জানান, দুই হিসাব থেকে ৬৬০ কোটি টাকার মতো স্থানান্তর হয়েছে পণ্য বিক্রেতা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে। তারা ই-অরেঞ্জে পণ্য সরবরাহ করতেন। পণ্যের দাম বাবদ এই অর্থ পরিশোধ করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। আর তাদের দুই হিসাবে স্থিতি আছে তিন কোটি ১২ লাখ ১৪ হাজার ৩৫৬ টাকা। প্রতিষ্ঠানের দুটি ব্যাংক হিসাব নম্বর থেকে বাকি সাড়ে তিনশ কোটি টাকা কোথায় গেল এটা জানা যাচ্ছে না।

ব্যাংকের নথিপত্র বলছে, পরিদর্শক শেখ সোহেল রানা গত বছরের নভেম্বর থেকে ছয় মাসে একটি হিসাব থেকে তুলেছেন দুই কোটি ৪৭ লাখ ২৮ হাজার টাকা। বাকি টাকা ই-অরেঞ্জের মালিকসহ নানা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে তোলা হয়। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্টস অফিসার অদিতি প্রায় তিন কোটি টাকা তুলেছেন। ফজলু নামে একজন প্রায় ১১ কোটি ও মিলন নামে একজন পাঁচ কোটি টাকা তুলেছেন। প্রতিষ্ঠানটির মালিক সোনিয়া নিজে তুলেছেন প্রায় তিন কোটি টাকা। এ ছাড়া ই-অরেঞ্জের মূল প্রতিষ্ঠান অরেঞ্জ বাংলাদেশের হিসাবে গেছে প্রায় চার কোটি টাকা। টাকা তুলে নেওয়া সবাই সোহেল ও সোনিয়ার আত্মীয় এবং প্রতিষ্ঠানটির কর্মী বলে জানা গেছে।

আরেকটি সূত্র বলছে, ই-অরেঞ্জ সোহেল রানার পারিবারিক প্রতিষ্ঠান ছিল। গুলশানের একটি ঠিকানা থেকেই অরেঞ্জ বাংলাদেশ ও ই-অরেঞ্জ পরিচালনা করা হয়। অরেঞ্জ বাংলাদেশের ই-টিনে অথরাইজড পারসন হিসেবে আছেন নাজমা সুলতানা পিয়া। তিনি সোহেল রানার সাবেক স্ত্রী।

গোয়েন্দা প্রতিবেদনে পুলিশ কর্মকর্তা সোহেলের ব্যাপারে বলা হয়, সোনিয়া মেহজাবিন জুঁই ই-অরেঞ্জের প্রধান নির্বাহী। ভাইয়ের প্রায় সব ব্যবসা দেখভাল করছেন জুঁই। তার স্বামী মুসিকর রহমান সুমন একটি বড় মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের ডিজিএম। এ ছাড়া ই-অরেঞ্জের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সোহেল রানার একাধিক বিয়ের কথা ওই প্রতিবেদনে বলা হয়। লন্ডনে পড়তে গিয়ে ডলপিউ নামে একজনের সঙ্গে পরিচয় হয় সোহেলের। তার হাত ধরে ই-অরেঞ্জের পথচলা। কিছু দিন লন্ডনে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম ছিল। পরে বাংলাদেশে তারা কার্যক্রম শুরু করেন।

২০১৯ সালের ৩০ জুলাই ই-অরেঞ্জের ই-টিন ইস্যু করা হয় সোনিয়া মেহজাবিনের নামে। তবে চলতি বছরের জুলাইয়ে ট্রেড লাইসেন্স সংশোধন করে মালিকানা বদল করা হয়। নতুন মালিক বীথি আক্তারও সোহেল রানার ‘ঘনিষ্ঠ’ বলে বিভিন্ন সূত্র দাবি করেছে। এক সময় গুলশানের কোরিয়ান ক্লাবে চাকরি করতেন বীথি। সেখানে যাতায়াতের সূত্র ধরেই সোহেল রানার সঙ্গে তার পরিচয়। বীথিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে একাধিক সংস্থা। এ ব্যাপারে জানতে গতকাল সোহেল রানাকে ফোন করা হলেও কেউ কল রিসিভ করেননি।

গ্রাহকের টাকা আত্মসাৎসহ অন্যান্য অভিযোগের বিষয়ে ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমান ও চিফ অপারেটিং অফিসার আমানউল্লাহ চৌধুরীকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান বিভাগের উপকমিশনার মো. আসাদুজ্জামান  বলেন, তাদের জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। মামলার অভিযোগের আলোকে আমরা বোঝার চেষ্টা করছি, তাদের ব্যাংক হিসাবের টাকাগুলো কীভাবে এসেছে এবং কোথায় গেছে। এর মধ্যে নিয়মবহির্ভূত কিছু ঘটেছে কিনা তা আমরা খতিয়ে দেখছি। পুলিশ পরিদর্শক সোহেল রানার নামে যে টাকা তোলা হয়েছে, সেগুলো তিনিই তুলেছেন কিনা আমরা নিশ্চিত নই। ই-অরেঞ্জের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি এখনও প্রমাণিত নয়। তবে প্রতিষ্ঠানটির সবচেয়ে বাজে বিষয় ছিল ‘ডাবল ভাউচার’ অফার। এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা মেনে করা হয়েছিল কিনা, তারা ভালো বলতে পারবে।

গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত ১৭ আগস্ট ই-অরেঞ্জের মালিকসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা হয়। তাহেরুল ইসলাম নামে ভুক্তভোগী এক গ্রাহক বাদী হয়ে মামলাটি করেন। এ মামলায় প্রতিষ্ঠানের মালিক সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমান ও চিফ অপারেটিং অফিসার আমানউল্লাহ কারাগারে রয়েছেন। বীথি আক্তার ও কাউসার আহমেদ নামে দুই আসামি এখনও পলাতক।

মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম  জানান, এরই মধ্যে সোহেলের কাছে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ব্যাখ্যা জানতে চাওয়া হয়। তার দাবি, বোনের অনুরোধে ই-অরেঞ্জের হিসাব থেকে টাকা তুলে দিয়েছেন তিনি।

গ্রেপ্তারের সপ্তাহখানেক আগে ই-অরেঞ্জের চিফ অপারেটিং অফিসার আমান উল্লাহ চৌধুরী প্রতিষ্ঠানটির ৬৬৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক কর্মকর্তা নাজমুল আলম রাসেলসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় মামলা করেন। মামলার ভাষ্য, নাজমুল মোটরসাইকেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের অসাধু কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশে কোম্পানির টাকা আত্মসাৎ করেছেন। প্রতিষ্ঠান টাকা দিলেও গ্রাহকরা মোটরসাইকেল বুঝে পাননি। এ ঘটনায় নাজমুলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ওই মামলাটি তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ডিবির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ওয়াহিদুল ইসলাম  বলেন, প্রতিষ্ঠানটির দুটি ব্যাংকের হিসাব বিবরণী সংগ্রহ করে তা পর্যালোচনা করা হয়েছে। তাতে দেখা যায়, জমা পড়া টাকার বেশিরভাগই ভেন্ডরদের কাছে গেছে। তবে বাকি টাকার ক্ষেত্রে কিছু ঝামেলা রয়েছে।

মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির তেজগাঁও জোনাল টিমের পরিদর্শক শেখ লিয়াকত আলী  বলেন, মোটরসাইকেল সরবরাহকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে ৬৬০ কোটি টাকার বেশি স্থানান্তর হয়েছে। তবে গ্রাহকরা মোটরসাইকেল বুঝে পাননি। এ ক্ষেত্রে কী ঘটেছে তা ডিবি তদন্ত করে দেখছে।

এদিকে ই-অরেঞ্জ কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে ১৩ লাখ টাকার ভ্যাট ফাঁকির প্রমাণ পেয়েছেন ভ্যাট গোয়েন্দারা। গত আগস্ট মাসে গুলশান-১ নম্বরের ১৩৬/১৩৭ নম্বর সড়কের ৫/এ নম্বর ভবনে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে কর্মকর্তারা দেখতে পান, প্রতিষ্ঠানটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করলেও তাদের কমিশনের ওপর আরোপ করা ভ্যাট যথাযথভাবে জমা দেয় না।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ফিলিং স্টেশন পরিদর্শনে  বিএসটিআই কর্মকর্তারা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ফিলিং স্টেশন পরিদর্শনে  বিএসটিআই কর্মকর্তারা

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জঃ পর্যাপ্ত তেল না থাকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের অধিকাংশ ফুয়েল স্টেশনের যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি ফুয়েল স্টেশনের ট্যাংকে অন্তত ৭৫০ লিটার জ্বালানী মজুদ রাখা বাধ্যতামূলক। তবে চলমান জ্বালানী সংকটের কারণে অনেক স্টেশন মালিক সেই নির্দেশনা মানছেন না বলে জানিয়েছেন বিএসটিআই এর রাজশাহী বিভাগীয় সহকারী পরিচালক আজিজুল হাকিম। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিশ্বরোড মোড়ে মেসার্স হোসেন পেট্রোলিয়াম- ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, ফুয়েল স্টেশনের ট্যাংকে অন্তত ৭৫০ লিটার জ্বালানি মজুদ থাকা বাধ্যতামূলক। এমন পরিস্থিতিতে তেল উত্তলন করলে ওজনে কম পাওয়া যাবে এবং পাম্পের যন্ত্রাংশ নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি বাড়বে। তাই আমরা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছি এবং স্টেশন মালিকদের সতর্ক করছি। তবে সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে হলে সরবরাহ সংকট কমানো এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয়

আরও পড়ুন
language Change