তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
দেশ ছাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেক্ষাগৃহে দম শিবগঞ্জে হেরোইন-ইয়াবা উদ্ধার ১৩ জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ে শঙ্কা সড়ক যেন মরণ ফাঁদ-দিঘলিয়ার সেনহাটিতে ইটের সড়কের ভয়াবহ অবস্থা জ্বালানি খাতে অনিয়ম রোধে সরকারকে আইনি নোটিশ তালতলীতে কাবিখা প্রকল্পে অনিয়ম ঈদ শেষে রাজধানীমুখী মানুষের ঢল কবে বিয়ে করছেন কৃতি শ্যানন? এলজিইডি’র পিডি এনামুল কবিরের অনিয়ম দুর্নীতি এক-এগারোর নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য, তালিকায় প্রভাবশালী নাম বাহারি রঙের গোলাপ পরামর্শ না পাওয়ায় দিশেহারা কৃষক জ্বালানি তেল সংকটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে অভিযান ১১ জেলায় নতুন ডিসি প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ বাতিল করল সরকার বিমানের প্রশিক্ষণার্থী নারী পাইলটকে নির্যাতনের অভিযোগ সাদিফ হোসেনের বিরুদ্ধে আইপিএলকে না বলে দেশকেই আগে রাখলেন তারা সিটি নির্বাচনে এনসিপির প্রার্থী চূড়ান্ত, ঘোষণা আজ বটিয়াঘাটায় রাস্তার পাইলিং কাজে চরম দুর্নীতির অভিযোগ ইরান যুদ্ধ কত দিন গড়াতে পারে, জানালেন বিশ্লেষক যমুনা সেতুতে ২৪ ঘন্টায় টোল আদায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা সিন্দুকছড়ি জোন কর্তৃক মেডিকেল ক্যাম্পেইন জ্বালানি সংকটে পুরনো ছায়া র‍্যাবের অভিযান ঢাকাগামী বাসে ৮০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার রানা প্লাজার আলোচিত নাসিমা, পদ্মার সলিলে হার মানলেন ফের পদত্যাগের মিছিল এনসিপিতে এবার সুযোগ পাচ্ছে বুমরাহ-পান্ডিয়ারা হঠাৎ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর পরিদর্শন ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির আভাস, বাড়বে তাপমাত্রা এসএসসি পরীক্ষা কক্ষে সিসি ক্যামেরা স্থাপনসহ ১১ নির্দেশনা ঈদের ছুটি শেষে সংসদের অধিবেশন বসছে আজ যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ সংসদের কার্যক্রমে গতি আনতে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠক দাকোপ ও বটিয়াঘাটায় তরমুজের বাম্পার ফলনের হাতছানি কালিগঞ্জে র‍্যাব ও পুলিশের অভিযানে ডাকাত অস্ত্রসহ গ্রেফতার শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু গোপনে ইরানকে ভয়ংকর ড্রোন দিচ্ছে রাশিয়া ফুলতলায় অস্ত্র ও গুলিসহ দুই যুবক গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে নয়াপল্টনে নেতাকর্মীদের ঢল ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান এটুআই প্রকল্পে সিন্ডিকেট ভাগ্য খুলেছে জামায়াত নেতার ছেলের স্বপ্নের ডাটাবেজ লিক, লাখ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁস টাঙ্গাইলে কালিহাতিতে একই পরিবারের নারী শিশুসহ পাঁচজন নিহত বর্তমান পোশাকে সন্তুষ্ট নয় পুলিশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দীর্ঘদিন তালাবদ্ধ ভান্ডারকোট ২ নং ওয়ার্ড বিএনপি অফিস বনে তিন কর্মকর্তা মিলে কোটি টাকা লুটপাট কালীগঞ্জে পৃথক অভিযানে ২০ কেজি ১৮০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার র‌্যাবের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আহসান হাবীব পলাশ বেস্ট হোল্ডিংয়ের ভয়াবহ জালিয়াতি করে ধরাছোয়ার বাহিরে আমিন রামগড়ে সিএনজি পরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া, ভোগান্তিতে সাধারণ যাত্রী খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক নেতাকে গুলি করে হত্যা

একান্ত সাক্ষাৎকারে মাহবুবুর রহমান শাহীন

একান্ত সাক্ষাৎকারে মাহবুবুর রহমান শাহীন
পাঠক সংখ্যা
638

মো: আলমগীর হোসেন পলাশ ॥

প্রশ্ন ১: সর্বাধিক ভোট পেয়ে উপ–মহাসচিব নির্বাচিত হলেন— অনুভূতিটা কেমন?

মাহবুবুর রহমান শাহীন: এই দায়িত্ব পাওয়া আমার জন্য সম্মানের, আবার একইসাথে বড় একটি দায়িত্বের বোঝা। ৭০ ভোটের ঐতিহাসিক সমর্থন শুধু আমার প্রতি আস্থা নয়—এটি দেশের ক্রীড়াব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার প্রতি মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন। আমি এই আস্থাকে শক্তি হিসেবে নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে চাই।

প্রশ্ন ২: উপ–মহাসচিব হিসেবে আপনার প্রথম ১০০ দিনের কাজের অগ্রাধিকার কী?

শাহীন: আমার তিনটি তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার—
১. ফেডারেশন ও বিওএ–এর সমন্বয় শক্তিশালী করা

২. অলিম্পিক প্রস্তুতি ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন

৩. ট্যালেন্ট ডেভেলপমেন্টকে জাতীয় পর্যায়ে একীভূত করা

প্রথম ১০০ দিনে কাঠামোগত পরিবর্তনের ভিত্তি দাঁড় করাতে চাই, যাতে দীর্ঘমেয়াদে দেশ উপকৃত হয়।

প্রশ্ন ৩: এই দায়িত্ব পেতে চাঁদপুরের ভূমিকা কতটুকু?

শাহীন: চাঁদপুর আমার শক্তি।
এ জেলার মানুষের ভালোবাসা, সমর্থন, এবং ভরসা আমাকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
আমি গর্বিত যে চাঁদপুর আজ জাতীয় ক্রীড়া নেতৃত্বে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পেরেছে।
আমার বিজয় চাঁদপুরের বিজয়।

প্রশ্ন ৪: বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জটা কোথায় দেখেন?

শাহীন: সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ— সিস্টেমের অভাব।আমাদের প্রতিভা আছে, খেলোয়াড় আছে, তবে সমস্যা হলো—
দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণের অভাব স্পোর্টস সায়েন্স ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা ফেডারেশনগুলোর মধ্যে অসামঞ্জস্য
আধুনিক পরিকল্পনা ও মনিটরিংয়ের ঘাটতি আমার লক্ষ্য হলো— বাংলাদেশে একটি একীভূত ক্রীড়া সিস্টেম গড়ে তোলা।

প্রশ্ন ৫: সাঁতার ফেডারেশনের নেতৃত্বে আপনার কাজ কি বিওএ–তে ভূমিকা রাখবে?

শাহীন: অবশ্যই।সাঁতার আমাকে শিখিয়েছে—গতি শৃঙ্খলা ধারাবাহিকতা বিজ্ঞানভিত্তিক প্রশিক্ষণ ট্যালেন্ট ম্যানেজমেন্ট
এই অভিজ্ঞতা অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনে ন_POLICY, দীর্ঘমেয়াদী প্রস্তুতি এবং অ্যাথলেট উন্নয়ন পরিকল্পনায় বিশাল সহায়তা করবে।

প্রশ্ন ৬: দেশের অ্যাথলেটরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পিছিয়ে কেন?

শাহীন: কারণগুলো তিন ধাপে বিভক্ত—
১. প্রস্তুতিতে ঘাটতি এখনো আমাদের ট্রেনিং অনেক ক্ষেত্রে পুরনো ধারার ওপর নির্ভরশীল।
২. খেলোয়াড় ব্যবস্থাপনা অ্যাথলেটদের খাদ্য, ফিটনেস, মনস্তত্ত্ব—সব জায়গায় আধুনিক সহায়তা দেওয়ার সিস্টেম দুর্বল।
৩. প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশের অভাব দেশীয় পর্যায়ে নিয়মিত প্রতিযোগিতা না থাকলে আন্তর্জাতিক সাফল্য আসে না।

প্রশ্ন ৭: অলিম্পিক স্পিরিটকে কীভাবে আরও শক্তিশালী করবেন?

শাহীন: অলিম্পিক স্পিরিট শুধু প্রতিযোগিতায় নয়— এটি একটি সংস্কৃতি।
আমি চাই—স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে অলিম্পিক এডুকেশন প্রোগ্রাম গ্রাসরুট পর্যায়ে অলিম্পিক ভ্যালুস প্রচার
বিওএ–কে দেশের ক্রীড়া উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসা যেখানে শিশুদের মধ্যে থেকেই স্পোর্টসম্যানশিপ, শৃঙ্খলা, সম্মান ও পরিশ্রমের মূল্যবোধ তৈরি হবে।

প্রশ্ন ৮: চাঁদপুরের তরুণ ও অ্যাথলেটদের জন্য আপনার বার্তা কী?

শাহীন: আমি সবসময় বলি— “চাঁদপুর শুধু নদীর জেলা নয়, প্রতিভার জেলা।”
তরুণরা খেলাধুলায় এগিয়ে এলে আমি ব্যক্তিগতভাবে সবসময় পাশে থাকব। চাঁদপুরে সাঁতার, ফুটবল, অ্যাথলেটিকসসহ সব খেলায় নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে নিতে আমরা বৃহৎ পরিকল্পনা নিচ্ছি।

প্রশ্ন ৯: আপনার দীর্ঘমেয়াদী ভিশন কী?

শাহীন: আমার ভিশন একটাই— বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী ক্রীড়া জাতিতে রূপান্তর করা।
এর জন্য দরকার— বৈজ্ঞানিক প্রশিক্ষণ আধুনিক অবকাঠামো পরিকল্পিত প্রতিভা বিকাশ দলের মধ্যে পেশাদারিত্ব
আন্তর্জাতিক এক্সপোজার এই সবকিছু একীভূত করেই আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলব।

শেষ কথা

আমি দায়িত্বে নয়—দায়িত্ববোধে বিশ্বাসী।
বাংলাদেশের তরুণরাই হবে পরিবর্তনের নায়ক।
বিওএ সেই পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দু হবে—এটাই আমার লক্ষ্য।”

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

জাতীয় কবির সমাধির পাশে সমাহিত শহীদ হাদি

জাতীয় কবির সমাধির পাশে সমাহিত শহীদ হাদি

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে শায়িত হলেন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে জাতীয় কবির পাশে হাদিকে সমাহিত করা হয়। এর আগে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় হাদির জানাজা সম্পন্ন হয়। দুপুর ২টা ৩৩ মিনিটে অনুষ্ঠিত জানাজায় সারাদেশ থেকে বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার হাজারো মানুষের উপস্থিত হন। জানাজা শেষে দুপুর ৩টার দিকে হাদির মরদেহ বহনকারী গাড়ি ঢাবির কেন্দ্রীয় মসজিদ এলাকায় নিয়ে আসা হয়। হাদির জানাজার নামাজ পড়ান তার বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক। এসময় পুরো এলাকায় শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। জানা যায়, শনিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে কবর খনন করে প্রস্তুত করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের

আরও পড়ুন
language Change