হাফিজুর রহমান খান,
বরগুনার আমতলী উপজেলায় সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চাঁদা দাবি ও অটোচালককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে মোঃ মনিরুল ইসলাম, মিরাজ ও মেহেদী হাসান নামে তিন জনের বিরুদ্ধে। রবিবার সন্ধ্যায় চালিতাবুনিয়া গ্রামে স্থানীয় অটোচালক কবির হাওলাদারের সঙ্গে সংঘর্ষের পর জনতা মিরাজকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। অপর দুই চাঁদাবাজ পালিয়ে যায়। আহত মনিরুল ইসলামকে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, এ ঘটনায় বরগুনা-১ আসনের সংসদ মাওলানা মোঃ মাহমুদুল হোসাইন অলী উল্লাহ আমতলী থানার ওসিকে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। কিন্তু ওসি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন সাংসদের নির্দেশ অমান্য করে বিএনপি নেতাদের মধ্যস্থতায় মিরাজ সিকদারকে ছেড়ে দেন। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, রবিবার বিকেলে উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামের অটোচালক কবির হাওলাদার যাত্রী নিয়ে তালুকদার বাজার যাচ্ছিলেন। তখন তিনজন মোটরসাইকেলে চড়ে তাকে থামিয়ে যাত্রী নামিয়ে দেন। পরে তাঁকে গাঁজা ব্যবসার অভিযোগে মারধর করে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। অটোচালক চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তাকে পুলিশে ধরানোর হুমকি দেওয়া হয়।
স্থানীয়রা প্রতিবাদ করলে তাদের ওপর চাঁদাবাজরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে স্থানীয় জনতা ও অটোচালক মিলিত হয়ে তাঁদের গণধোলাই দেয়। অটোচালক কবির হাওলাদারের স্ত্রী বলেন, আমরা সাধারণ মানুষ, দিন আনি দিন খাই। ওসির কাছে গিয়ে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছি না। উকিলরা মামলা লিখে দিতে রাজি নয়। আমতলী থানার ওসি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমার কাছে কেউ অভিযোগ দেয়নি। পক্ষদ্বয় মিমাংশা হয়েছে। আমি কাউকে আটকও করিনি, কাউকে ছেড়েওনি। বরগুনা-১ আসনের সাংসদ মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলী উল্লাহ বলেন, আমি বিষয়টি দেখবো। থানার ওসিকে আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছি। আদেশ অমান্য করা হয়েছে কি না তা যাচাই করা হবে।এই ঘটনার মুহূর্তে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা সাংবাদিক পরিচয়ধারী চাঁদাবাজদের বিচারের দাবিতে সরব হয়েছেন।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: কে এম মাসুদুর রহমান, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ মাসুদ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২১/১ নয়াপল্টন (মসজিদ গলি),ঢাকা - ১০০০।
✆ ০১৫১১৯৬৩২৯৪, ০১৬১১৯৬৩২৯৪ 📧dailysobujbangladesh@gmail.com.
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত