তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
নৌপুলিশের প্রধান রেজাউল করিম, রংপুরে কমিশনার আবদুল মাবুদ নৃশংস হামলার শিকার সাংবাদিক আলী আশরাফ বোরো মৌসুমের ধান-চাল-গমের মূল্য নির্ধারণ ১০০ বছর বাঁচার উপায় জানুন বিএমইউর নতুন প্রো-ভিসি অধ্যাপক নজরুল ইসলাম গম দুর্নীতি মামলায় মুখোমুখি নুসরাত পাচার অর্থ ফেরাতে সরকারের উদ্যোগ লাশ চুরির ভয়ে সন্তানের কবর পাহারা দিচ্ছেন বাবা সভাপতি-সম্পাদক পদে একক প্রার্থী হয়ে বিজয়ের পথে রাজ্জাক রাজ ও রিপন বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম টেইলার্সের আড়ালে মাদক বিক্রি চানাচুরের প্যাকেটে শহীদ এম. মনসুর আলী থেকে ‘সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ’ বিএনপি সঙ্গে চীনের শীর্ষ নেতৃত্বের দ্বিপাক্ষিক সভা টাস্কফোর্সের বড় সাফল্য বিপুল পরিমাণ হেরোইন ও লক্ষাধিক টাকাসহ আটক ২ সামাজিক বনায়নের গাছ না কেটে বেড়িবাঁধ সংস্কারের অভিযোগ অবশেষে জয়ের দেখা পেল রিয়াল মাদ্রিদ কিশোরগঞ্জের এসপি হলেন মিজানুর রহমান শেলী শেরপুরে টিআরসি কনস্টেবল নিয়োগে ব্রিফিং প্যারেড কনটেন্ট ক্রিয়েটর দের জন্য দুঃসংবাদ  আগুনের ক্ষতিগ্রস্থ কলাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আবারও ক্লাসে ফিরল নকল বীজ বিক্রি ও লাইসেন্স না থাকায় দুই ডিলারকে জরিমানা সরকারি সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত বাস ভাড়া না বাড়ানোর নির্দেশ রাজশাহীতে র‍্যাবের অভিযানে বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার ২৪ ঘণ্টায় সাত খুন, জামায়াত আমিরের ক্ষোভ জাতীয়ভাবে পালন হবে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র বাছাই শুরু সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে, ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড আটক সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নে মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিবাচক: বিএমএসএফ ভারত যাওয়ার ১৯ মাস পর শেরপুর সীমান্তে যুবকের মরদেহ হস্তান্তর ধুতির ওপর অজানা পায়ের ছাপ, ‘গোপালের পদচিহ্ন’ বলছেন ভক্তরা বেলকুচিতে অভিযান চালিয়ে ১৭৪৪ লিটার ডিজেল জব্দ অ্যাম্বুলেন্সে ইয়াবা পাচার স্বামী-স্ত্রী আটক মোংলায় সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রী নিহতের প্রতিবাদে মানববন্ধন কমলো জ্বালানি তেলের দাম কালীগঞ্জে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু বাংলাদেশে বিদেশি ঋণের পরিমাণ ৭৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি রামগড়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পাশে ছাত্রদল এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসে সম্ভাবনা নেই : শিক্ষামন্ত্রী কেশবপুরে উদ্বোধন হলো হাম- রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন পাথরঘাটায় চাঁদা না দেওয়ায় হামলা কতদিন পরপর চুল কাটবেন  চট্টগ্রামে বস্তিতে ভয়াবহ আগুন হাসান নাসিমের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন রেলওয়ের প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা কুদরত-ই-খুদা অর্থ লুটপাট ও নারী কেলেঙ্কারিতে চ্যাম্পিয়ন ২৪ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায় বন সংরক্ষক মোল্লা রেজাউল করিম গিলে খাচ্ছে চট্টগ্রামের বনাঞ্চল ঐশ্বরিয়ার বিয়ের শাড়ি দাম জানলে চোখ কপালে উঠবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সতর্কবার্তা জিয়া শিশু কিশোর মেলা' এর ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিন কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা কক্সবাজারে ৩ জনকে গলা কেটে হত্যা

ফুরিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মিসাইল, ইরানে কতদিন যুদ্ধ চালাতে পারবে

ফুরিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মিসাইল, ইরানে কতদিন যুদ্ধ চালাতে পারবে
পাঠক সংখ্যা
638

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমেই তীব্রতর হচ্ছে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর পরিস্থিতি নতুন করে অস্থির হয়ে উঠেছে। এর মধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ ও দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে টানা ১০ দিনের বেশি সময় ধরে উচ্চমাত্রার সামরিক অভিযান চললে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে ঘাটতি দেখা দিতে পারে। পেন্টাগন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সতর্ক করে জানিয়েছে, অভিযান দীর্ঘায়িত হলে তা কৌশলগত ও আর্থিক-দুই দিক থেকেই বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তবে ট্রাম্প এ দাবি নাকচ করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডারে পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, দেশটির অস্ত্রের মজুদ ‘মাঝারি ও উচ্চতর মাঝারি গ্রেডে’ আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি এবং উন্নত। তার ভাষায়, এই সরবরাহ ব্যবহার করে যুদ্ধ চিরকাল চালিয়ে যাওয়া সম্ভব।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, চলমান অভিযানে আকাশ, স্থল, সমুদ্র ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা মিলিয়ে ২০টিরও বেশি অস্ত্রব্যবস্থা ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে বি-১ ও বি-২ বোমারু বিমান, এফ-৩৫ লাইটনিং এফ-২২ র‌্যাপ্টর, এফ-১৫ ও ইএ-১৮জি গ্রোলার যুদ্ধবিমান। পাশাপাশি ব্যবহৃত হচ্ছে এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন, এম-১৪২ হাই মোবিলিটি আর্টিলারি রকেট সিস্টেম (হিমার্স) এবং টমাহক ক্রুজ মিসাইলের মতো দূরপাল্লার স্ট্রাইক সিস্টেম। জিপিএস-নির্দেশিত জয়েন্ট ডাইরেক্ট অ্যাটাক মিনিশন কিটের মাধ্যমে সাধারণ বোমাকেও ‘স্মার্ট’ অস্ত্রে রূপান্তর করা হচ্ছে।

অভিযান শুরুর সময় মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন ছিল দুটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী- USS Abraham Lincoln এবং USS Gerald R. Ford। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব প্ল্যাটফর্ম পরিচালনায় প্রতিদিনই বিপুল অর্থ ব্যয় হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, সবচেয়ে বড় চাপ পড়ছে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর-বিশেষত থাড ও প্যাট্রিয়ট সিস্টেমে। গত বছর ইসরায়েল-ইরান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলে থাডের দুটি ব্যাটারি মোতায়েন করেছিল। সে সময় ইরান থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে ১৫০টির বেশি থাড ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করা হয়, যা মোট মজুদের প্রায় ২৫ শতাংশ বলে মার্কিন কর্মকর্তারা জানান।

একটি থাড ব্যাটারিতে সাধারণত ৯৫ জন সেনা, ছয়টি ট্রাক-মাউন্টেড লঞ্চার ও ৪৮টি প্রতিরক্ষা মিসাইল থাকে। নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিন–এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে মাত্র নয়টি সক্রিয় থাড ব্যাটারি রয়েছে। স্টিমসন সেন্টারের সিনিয়র ফেলো ক্রিস্টোফার প্রেবল বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল প্রতিরক্ষা বাজেট থাকলেও প্রকৃত সীমাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে ইন্টারসেপ্টর মজুদে। বিশেষ করে প্যাট্রিয়ট ও এমএস-৬ ক্ষেপণাস্ত্রের একটি অংশ ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা প্রতিহত করতে বরাদ্দ রয়েছে। অন্য অংশ মোতায়েন আছে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত মোতায়েন করলে অন্য অঞ্চলের প্রতিরোধ সক্ষমতা দুর্বল হতে পারে।

পেন্টাগন অভিযানের মোট ব্যয় প্রকাশ না করলেও বিভিন্ন অনুমান বলছে, ব্যয় দ্রুত বাড়ছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযানের প্রথম ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ৭৭৯ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। হামলার আগের প্রস্তুতিতে আরও ৬৩০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ করা হয়। ওয়াশিংটনভিত্তিক থিঙ্কট্যাঙ্ক সেন্টার ফর অ্যা নিউ আমেরিকান সিকিউরিটির হিসাব অনুযায়ী, ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ডের মতো একটি ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ পরিচালনায় প্রতিদিন প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, উন্নত প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র মূলত রাশিয়া, চীন বা উত্তর কোরিয়ার মতো প্রতিপক্ষের সীমিত কিন্তু উচ্চতীব্রতার হামলা মোকাবিলার জন্য নকশা করা। সস্তা ও ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যারেজের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহার করলে দ্রুত মজুদ ফুরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। প্রতিটি ইন্টারসেপ্টরের মূল্য কয়েক লাখ থেকে কয়েক মিলিয়ন ডলার, যেখানে প্রতিপক্ষের কিছু ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ব্যয় তুলনামূলকভাবে কয়েক হাজার ডলার। ফলে সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে অস্ত্রভাণ্ডার, আর্থিক ব্যয় এবং বৈশ্বিক কৌশলগত ভারসাম্য-এই তিন ক্ষেত্রেই যুক্তরাষ্ট্রকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হতে পারে। যুদ্ধ কতদিন চালানো সম্ভব-এ প্রশ্নের নির্দিষ্ট উত্তর না মিললেও, বিশ্লেষকদের মতে, সময় যত গড়াবে, চাপ ততই বাড়বে ওয়াশিংটনের ওপর

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

দেশের সব ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে ১ বছরে ঠিক করা সম্ভব নয়: উপদেষ্টা সাখাওয়াত

ডেস্ক রিপোর্ট: শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন বাংলাদেশের সব ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। ১ বছরে তা ঠিক করা সম্ভব নয়। রোববার (৩ আগস্ট) সকালে নাটোর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন শ্রমিক নেতাদের সতর্ক করে বলেন এমনিতেই দেশের পুলিশ এবং প্রশাসনের সব সেক্টর ভেঙে পড়েছে। এখন শ্রমিকরা বিশৃঙ্খলা করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। তিনি বলেন দেশ শুধু গার্মেন্টস এবং জনশক্তি খাতেই রপ্তানি করছে। এই দুটি খাতকে টিকিয়ে রাখার পাশাপাশি রপ্তানিমুখী আরও খাত তৈরি করতে হবে। শিপ বিল্ডিং একটি ভাল খাত হতে পারে। সেটা নিয়ে সরকার কাজ করছে। নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- নাটোরের পুলিশ সুপার

আরও পড়ুন
language Change