স্টাফ রিপোর্টারঃ
রাজধানীর মিরপুরের পানির জন্য হাহাকার চলছে। মিরপুরবাসীর কাছে পানি এখন শুধু প্রয়োজন নয়, একটি সংগ্রামের নাম। ওয়াসার তিনটি পাম্প থাকলেও ২০দিন ধরে পানি পাচ্ছে না এলাকার শতাধিক বাসাবাড়ি। বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত দামে পানি কিনে মেটাতে হচ্ছে দৈনন্দিন চাহিদা। ওয়াসা বলছে, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়ায় তীব্র হয়েছে সংকট। চাহিদা মেটাতে এলাকায় আরও আটটি পাম্প বসানো দরকার।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ওয়াসার পানির ট্রাক আসবে এই আশায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছে পূর্ব মনিপুরের কাঠালতলাবাসী। বোতল, বালতি, ড্রাম যার যা আছে তা নিয়ে যেনো যুদ্ধে নামার চেষ্টা চলছে।
জানা গেছে, এই যুদ্ধ একদিনের নয়, বরং ১৫থেকে ২০দিন ধরে তীব্র পানির সংকটে মিরপুরের অনেক এলাকা। তিনটি পাম্প থাকা সত্ত্বেও শতাধিক পরিবারে নেই এক ফোঁটা পানিও। স্কুল-কলেজ অফিসগামীদের পাশাপাশি গোসল খাওয়া নিয়ে চরম দুর্ভোগে তারা।
সংকট যখন চরমে তখন রান্নার পানি না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে খাবার কিনে খেতে হচ্ছে অনেককে। ওয়াসা থেকে ৩২০০ লিটার পানি যেখানে ৪০০ টাকায় পাওয়ার কথা, সেখানে সেটি কিনতে হচ্ছে ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায়।
এ বিষয়ে ওয়াসার জোন-৪ এ গিয়ে জানা যায়,সংকটের বিষয়ে ঢাকা ওয়াসার সেই পুরনো অজুহাত; পানির স্তর নিচে নেমে গেছে।
ঢাকা ওয়াসা জোন-৪ এর নির্বাহী প্রকৌশলী ইমদাদুল হক বলেন, ‘গরমের সময় পানির লেয়ার আরও নিচে নেমে যায়। মধ্য মনিপুর ও পূর্ব মনিপুর এলাকায় কমপক্ষে আরও ৮টি পাম্প বসানো দরকার। কিন্তু বারবার জায়গা চেয়েও পাওয়া যাচ্ছে না।’
বাড়তি টাকায় ওয়াসার পানি কিনে জীবনযাপন এখন মধ্য ও নিম্নবিত্তের মানুষের কাছে বিলাসিতা। মিরপুরের এই পানির সংকট বাড়াচ্ছে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: কে এম মাসুদুর রহমান, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ মাসুদ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২১/১ নয়াপল্টন (মসজিদ গলি),ঢাকা - ১০০০।
✆ ০১৫১১৯৬৩২৯৪, ০১৬১১৯৬৩২৯৪ 📧dailysobujbangladesh@gmail.com.
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত