তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
বিদ্যালয়ের ছাদ থেকে পড়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু ঝিনাইগাতীতে ধান কাটার কৃষকদের সুন্দর দৃশ্য নারী মাদ্রাসার সুরক্ষা: প্রতিষ্ঠান নয় সাংবাদিক এস.এম. শামীমের ওপর হামলা: সাংবাদিক সমাজের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ বাবার সামনে থেকে স্কুলছাত্রী অপহরণ : আসামির ১ দিনের রিমান্ডে আড়াই হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে রেইনকোট দিলো ডিএনসিসি ২৯ দেশের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদেরকে সতর্কবার্তা মাঠের ত্যাগী না অভিজ্ঞ নেতা-ঢাকা বিএনপিতে কোন পথে নতুন নেতৃত্ব লক্ষ্মীপুরে হামলা চালিয়ে প্রবাসীকে রক্তাক্ত পুলিশের পোশাক নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত, কেমন হবে জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ নিয়ে আপত্তি জানালেন মৌসুমী-ওমর সানী কোটি টাকার যন্ত্রপাতি আত্মসাতের অভিযোগ মাদরাসা শিক্ষক- কর্মচারীদের জন্য দারুণ সুখবর অগ্রণী ব্যাংকে শেখ হাসিনার দুই লকারে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষ পদে আলোচনায় যাঁরা ৯ বছর পর চ্যাম্পিয়ন পেশোয়ার জালমি অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রাসেল খানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড় ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ৩ ডিআইজি প্রিজন তৌহিদুলের সম্পদের পাহাড়, দুদকে অভিযোগ বস্ত্র ও পাট কারখানা পুনরুজ্জীবন করতে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ব্যাংক আমানতকারীদের বিক্ষোভ, এক্সিম ব্যাংকে তালা সাত অঞ্চলে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত ঈদ উপলক্ষে মার্কেট ও শপিং মল খোলা রাখার সময় বাড়ানোর দাবি কেশবপুরে গাজা সেবনের অপরাধে কারাদণ্ড বিমানের নেটওয়ার্ক বাড়াতে কেনা হয়েছে নতুন ১৪ এয়ারক্রাফট রামগড়ে ভুয়া ডাক্তারকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা বটিয়াঘাটা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও দুর্নীতির পাহাড় ডিএনসির অভিযানে ৫,২৬০টি ভাং গাছ উদ্ধার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বাস্তুহারা দলের তালা উপজেলার আহ্বায়ক কমিটি গঠন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভোট গণনা শুরু, কে এগিয়ে? সিরাজগঞ্জে চাঁদা দাবির অভিযোগে ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার ‎রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে আবারো ইতিহাস গড়ল লবণচরা থানার নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করলেন কেএমপি কমিশনার দেশে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রে নিহত শিক্ষার্থী লিমনের মরাদেহ নলডাঙ্গায় একই রাতে ৬টি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি ‎নাটোরের গুরুদাসপুরে উপজেলা সরকারী কোয়াটারে ডাকাতি ‎উৎপাদনে আবারো রেকর্ড গড়ল রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে পাসের হার ৮০.৩৬ শতাংশ হাম ও উপসর্গে আরো ১০ শিশুর মৃত্যু ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নতুন অস্ত্র ব্যবহার করছে লেবানন লবণচরা থানার নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করলেন কেএমপি কমিশনার রংপুরে সড়ক উন্নয়ন ও পরিবেশ রক্ষায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্বপ্নের মানবিক সহায়তা বিনা অপরাধে সাংবাদিক কারাগারে থাকবে না: তথ্যমন্ত্রী ​চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৭ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ​ নবম পে স্কেল নিয়ে সুখবর, জানা গেল সম্ভাব্য সময় চলন্ত বিমান থেকে দরজা খুলে ঝাঁপ দিলো যাত্রী এজলাসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা, সুপ্রিম কোর্টের সামনে সাংবাদিকদের মানববন্ধন বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবে মানববন্ধন ম্যারাডোনার মৃত্যুকে ঘিরে এলো নতুন তথ্য

মাঠের ত্যাগী না অভিজ্ঞ নেতা-ঢাকা বিএনপিতে কোন পথে নতুন নেতৃত্ব

মাঠের ত্যাগী না অভিজ্ঞ নেতা-ঢাকা বিএনপিতে কোন পথে নতুন নেতৃত্ব
পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্টারঃ

জাতীয় কাউন্সিলকে সামনে রেখে রাজধানীর রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের সাংগঠনিক পুনর্গঠনের জোর প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ইউনিটকে নতুন করে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে দলীয় হাইকমান্ড, যা ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ইতোমধ্যেই বাড়ছে আগ্রহ ও আলোচনা।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, এবার কমিটি গঠনে প্রাধান্য দেওয়া হতে পারে তুলনামূলক তরুণ, সক্রিয় ও গ্রহণযোগ্য নেতৃত্বকে। তবে একইসঙ্গে অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত নেতাদের সমন্বয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও কার্যকর নেতৃত্ব কাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। নেতৃত্বে নতুন ও পুরনোর এই সমন্বয় সংগঠনের গতিশীলতা বাড়াবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এদিকে, আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংগঠনিক শক্তি আরও মজবুত করার কৌশল নিয়েও কাজ চলছে। তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত সংগঠনকে সক্রিয় করা, নেতাকর্মীদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদার করাই এই পুনর্গঠনের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানা গেছে।

নতুন কমিটি ঘিরে তৎপরতা
নতুন কমিটি গঠনের সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে নীরব তৎপরতা। প্রকাশ্যে খুব একটা সরব না থাকলেও ভেতরে ভেতরে চলছে বিস্তর যোগাযোগ, সমর্থন জোগাড় এবং নিজ নিজ অবস্থান শক্ত করার প্রচেষ্টা। দলীয় বিভিন্ন স্তরের নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা, তৃণমূল পর্যায়ে প্রভাব বাড়ানো এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নজরে আসার জন্য নানা কৌশল অবলম্বন করছেন আগ্রহীরা। বিশেষ করে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও আসন্ন সাংগঠনিক পুনর্গঠনকে সামনে রেখে অনেকেই নিজেদের যোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা তুলে ধরার চেষ্টা করছেন। কেউ কেউ অতীতের আন্দোলন-সংগ্রামে নিজেদের ভূমিকার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে প্রচার করছেন, আবার কেউ সংগঠনের প্রতি দীর্ঘদিনের অবদানকে সামনে আনছেন। তবে এতসব তৎপরতার পরও বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে নারাজ অধিকাংশ সম্ভাব্য প্রার্থী। দলীয় শৃঙ্খলা ও হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে তারা আপাতত নীরব কৌশলই বেছে নিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

নেতৃত্বের মানদণ্ড নিয়ে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি
ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির আসন্ন পুনর্গঠনকে কেন্দ্র করে নেতৃত্ব নির্বাচনের মানদণ্ড নিয়ে দলের ভেতরে দুটি ভিন্ন অবস্থান স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। একাংশের মতে, সাম্প্রতিক ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগ্রামের সময়ে যেসব নেতৃত্ব মাঠে সক্রিয় ছিলেন না বা নেতাকর্মীদের পাশে কার্যকরভাবে দাঁড়াতে পারেননি, তাদের পুনরায় নেতৃত্বে আনা হলে সংগঠনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এতে ত্যাগী ও মাঠপর্যায়ের কর্মীরা কোণঠাসা হয়ে পড়ার পাশাপাশি সংগঠনের গতিশীলতা কমে যেতে পারে এবং অনুপ্রবেশকারী বা স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর সক্রিয় হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

এই অংশের মতে, নেতৃত্ব এমন হওয়া উচিত যিনি সম্পূর্ণভাবে সংগঠনের জন্য সময় দিতে পারবেন, মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখবেন এবং দলীয় কাঠামোকে শক্তিশালী করতে সক্ষম হবেন। তাদের দৃষ্টিতে, দল ও সরকারের দায়িত্ব আলাদা করে দেখে একজন পূর্ণকালীন সংগঠকধর্মী নেতৃত্বই বেশি কার্যকর। তাদের মতে, এমপি বা মন্ত্রী হলে মূল দায়িত্ব হয়ে যায় রাষ্ট্র পরিচালনা, নীতি বাস্তবায়ন ও প্রশাসনিক কাজ। ফলে সংগঠনের জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এতে মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও সাংগঠনিক তদারকি কমে যেতে পারে, যা সংগঠনের

গতিশীলতাকে প্রভাবিত করে।

এছাড়া কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ব্যস্ততা বাড়লে তৃণমূলের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়, ফলে স্থানীয় সমস্যার দ্রুত সমাধান বাধাগ্রস্ত হয় এবং তৃণমূল পর্যায়ে দূরত্ব তৈরি হতে পারে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ক্ষমতার ভারসাম্য। একই ব্যক্তি সরকার ও দলীয় নেতৃত্বে থাকলে সিদ্ধান্ত গ্রহণে এককেন্দ্রিকতার প্রবণতা তৈরি হতে পারে, যা অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র ও নেতৃত্ব বিকাশকে দুর্বল করতে পারে। পাশাপাশি দলীয় ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব একসাথে পালনের ক্ষেত্রে স্বার্থ সংঘাতের ঝুঁকিও তৈরি হয়। অন্যদিকে, মাঠপর্যায়ের ত্যাগী কর্মীদের মধ্যেও হতাশা তৈরি হতে পারে, কারণ তারা মনে করেন শীর্ষ নেতৃত্ব সংগঠনের সঙ্গে নিয়মিতভাবে যুক্ত না থাকায় তাদের ভূমিকা ও অবদান যথাযথভাবে মূল্যায়িত হচ্ছে না।

বিপরীত অবস্থান
অন্যদিকে অপর একটি অংশের নেতাকর্মীদের মতে, যারা ইতোমধ্যে সংসদ সদস্য বা মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, তারা দলীয় মনোনয়ন ও জনগণের ভোটের মাধ্যমে নিজেদের রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করেছেন। তাদের মতে, এটি শুধু নির্বাচনী নয়, বরং নেতৃত্বেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। এই অংশের যুক্তি হলো, অভিজ্ঞ ও দায়িত্বপ্রাপ্ত এসব নেতাদের নেতৃত্বে আনা হলে-সরকারের সঙ্গে দলের সমন্বয় আরও শক্তিশালী হবে, উন্নয়ন কার্যক্রম তৃণমূল পর্যায়ে সুষমভাবে পৌঁছাবে,সংগঠন আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে। এবং তৃণমূল নেতাকর্মীদের সক্রিয়তাও বাড়বে।

দক্ষিণ ও উত্তর মহানগরের সম্ভাব্য নেতৃত্বের আলোচনায় যারা
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির শীর্ষ পদে আলোচনায় আছেন বর্তমান আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু, সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন, পাশাপাশি আ ন ম সাইফুল ইসলাম, সাইদুর রহমান মিন্টু, লিটন মাহমুদ, যুবদল সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না, গোলাম মাওলা শাহীন ও খন্দকার এনামুল হক এনামসহ আরও অনেকে।

একইসঙ্গে জাতীয়তাবাদী প্রচার দলের সভাপতি ও জাসাসের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাহফুজ কবির মুক্তা-এর নামও আলোচনায় রয়েছে। মাহফুজ কবির বলেন, বিএনপিতে কোনো পদই ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার বিষয় নয়; বরং এটি দলের প্রয়োজন ও সাংগঠনিক মূল্যায়নের ওপর নির্ভর করে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির)ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন বলেন যেকোন কমিটি মেয়াদ শেষ হলেই নতুন কমিটির গঠনের কার্যক্রম শুরু হয়। কমিটি গঠন একটি চলমান প্রক্রিয়া।আমাদের প্রস্তুতি চলছে। যারা বিগত ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনে এবং ৫ ই আগস্ট আন্দোলনে রা

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

মরদেহের সঙ্গে মিলল ৫০ হাজার টাকা, মিলছে না পরিচয়

মরদেহের সঙ্গে মিলল ৫০ হাজার টাকা, মিলছে না পরিচয়

নীলফামারী সংবাদদাতা: নীলফামারীর কিশোরীগঞ্জ উপজেলায় বাঁশবাগান থেকে এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহের সঙ্গে পাওয়া গেছে ৪৯ হাজার ৭৫০ টাকা। সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ভেলারপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের বরাতে কিশোরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম জানান, সকালে এক কৃষক ঘাস কাটতে গিয়ে গ্রামের একটি বাঁশবাগানের ভেতর মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ওসি আরও জানান, নিহত ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৫৫ বছর। তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পরনে ছিল একটি হাফশার্ট ও একটি লুঙ্গি। লুঙ্গির গিঁট খুলে দেখা যায়, সেখানে রাখা রয়েছে নগদ ৪৯

আরও পড়ুন
language Change