তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
সীমান্তে ভারতীয় পুশইন প্রতিরোধে শ্রীমঙ্গলে সচেতনতামূলক বৈঠক অনুষ্ঠিত দীঘিনালায় প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আয়োজনে শিক্ষক আবু শামাকে রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা। ভোলাহাটে আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক ও অন্যান্য সভা অনুষ্ঠিত যমুনায় গোসলে নেমে দুই মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু কালীগঞ্জে টেকসই ও সবুজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে কর্মশালা অনুষ্ঠিত রাংটিয়া-গজনী সড়কের মহিলা মার্কেট এলাকায় দুঃসাহসিক চুরি, পিডিবির ট্রান্সফরমার উধাও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিচালক নাফরিজা শ্যামার ‘ডলার বাণিজ্য’ প্রেমের বিয়ে, সাবেক স্বামীর ম্যাসেজে প্রাণ গেল তরুণীর যেভাবে মিলবে ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্য সুখবর শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের শুনানি ২৬ জুলাই প্রথম নারী মহাপরিদর্শক পেল ভূমি নিবন্ধন অধিদপ্তর দেড় বছর পর জনি হত্যা মামলার রহস্য উন্মোচন, আসামি গ্রেফতার খুলনায় হাসপাতাল থেকে চোর ও অজ্ঞানপার্টির  ২ নারী সদস্য আটক দাকোপের কামারখোলা প্রধান সড়ক: মরণফাঁদে পরিণত, জনভোগান্তি চরমে নবাবগঞ্জে ডিএন কলেজের এইচএসসি ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জে শিশু একাডেমির উদ্যোগে রবীন্দ্র নজরুজ জয়ন্তী পালিত সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসকের বক্তব্যের অংশ বিশেষ প্রচারের অভিযোগ দেশে ভয়াবহ হারে বাড়ছে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণু অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টালের জন্য দুঃসংবাদ খাগড়াছড়ির রামগড়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে ইউপিডিএফের গোলাগুলি, নিহত ২ মাদক মামলার জট কমাতে পৃথক ট্রাইব্যুনাল প্রস্তাব করা হয়েছে রংপুরে সরকারি কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমের সঙ্গে জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতার পরিস্থিতি নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত তিস্তা ও অন্যান্য নদী ব্যবস্থাপনায় দুই দেশের ঐকমত্য মোংলায় বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ষড়যন্ত্রমূলক মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন পাটালি গ্রুপের দুই ছিনতাইকারী গ্রেফতার  ৮০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে শেরপুর পৌরসভা   ১৭ বছর পরও অমলিন পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসন দেশের বাজারে আবারও কমলো সোনার দাম চট্টগ্রাম বন্দরে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্প: নিহত ৩২, আহত ৭০০ ম্যাচ শেষে কান্নায় ভেঙে পড়লেন নেইমার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ চীনে বাংলাদেশের প্রথম বিনিয়োগ কার্যালয় খোলার ঘোষণা: প্রধানমন্ত্রী মোংলায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ বাগেরহাটে ২ কেজি গাঁজা ও ২০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক শিল্প-কলকারখানার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ সুরক্ষায় সাব- কন্ট্রাক্টিং কনফারেন্স অনুষ্ঠিত ভোলায় পুলিশের ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) পদে নিয়োগ পরীক্ষা রাজস্ব কর্মকর্তা শেখ হারুনুর রশিদের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতি অভিযোগ দুই দিনের রিমান্ডে আলভী একটি গোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে : রিজভী কেমন থাকবে আগামী পাঁচ দিনের আবহাওয়া দুই কোটি ৩৫ লাখ শিশু পাবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ২০২৭ সাল থেকে এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে: শিক্ষামন্ত্রী বরগুনায় অসুস্থ ও শয্যাশায়ী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান ‎সুন্দরবনে সক্রিয় ১৫০ বন্যপ্রাণী শিকারি চক্র গোয়েন্দা নজরদারিতে গ্রেফতারের পরদিন কারাগারে মারা গেলেন চট্টগ্রামের যুবলীগ নেতা ৪ বিঘা জমি কিনে ৬৫ বিঘার প্রকল্প বিক্রি করছে ছুটি রিসোর্ট মাছ ধরতে গিয়ে সাপের কামড়ে প্রাণ গেল শিশুর সিরাজগঞ্জে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে কার্যনিষিদ্ধ লীগের ৩ নেতা আটক

হরমুজ প্রণালি যুদ্ধাঞ্চলে পরিণত হয়েছে

হরমুজ প্রণালি যুদ্ধাঞ্চলে পরিণত হয়েছে
পাঠক সংখ্যা
638

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

হরমুজ প্রণালি এখন আগের তুলনায় অনেক বড় কৌশলগত যুদ্ধাঞ্চলে পরিণত হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌ শাখা। বাহিনীটির রাজনৈতিক উপপ্রধান মোহাম্মদ আকবরযাদেহ স্থানীয় সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজকে বলেন, আগে হরমুজ প্রণালিকে সীমিত এলাকা হিসেবে দেখা হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে এর পরিধি বহুগুণ বেড়েছে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, আগে যেখানে এই জলপথের কার্যকর সীমা ছিল মাত্র ৩২ থেকে ৪৮ কিলোমিটার, এখন তা বিস্তৃত হয়ে প্রায় ৩২০ থেকে ৪৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছেছে। জাস্ক উপকূল থেকে সিরি দ্বীপ, কেশম দ্বীপ ও বৃহত্তর তুনব এলাকা পর্যন্ত একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিরক্ষা বলয় তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।ইরানের দাবি, আঞ্চলিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হরমুজ এখন শুধু একটি প্রণালি নয়, বরং পূর্ণাঙ্গ সামরিক অভিযান পরিচালনার এলাকা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত এপ্রিল থেকে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যায়। এরপর থেকেই বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে বাণিজ্যিক চলাচল ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

পালাবদলে বড় ভাইয়ের অপরাধ সাম্রাজ্যে ছোট ভাইয়ের চোখ

স্টাফ রিপোর্টার: চট্টগ্রামে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে প্রকাশ্যে ছাত্রদের উপর হামলাকারী শীর্ষ সন্ত্রাসী ও যুবলীগ নেতা নুর মোস্তফা টিনু আত্মগোপনে যাওয়ার পর তাঁর অবৈধ সাম্রাজ্য ঠিকিয়ে রাখতে মাঠে নেমেছে তাঁর আপন সহোদর নুরুল আলম শিপু। তিনি যুবদলের নাম ব্যবহার করে চকবাজার থানা এলাকার মাইকিং করায় অস্বস্থিতে পড়েছেন অত্যাচারের শিকার ব্যবসায়ী ও বাসিন্দররা। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে চট্টগ্রামের চকবাজার, জামালখান, বহদ্দরহাট, পাঁচলাইশ এলাকায় মূর্তিমান আতঙ্কের নাম ছিল নূর মোস্তাফা টিনু। চাঁদাবাজি, দখলসহ হেন কাজ নেই তিনি করতেন না। সরকার পতনের পর সে আত্মগোপনে গেলে স্বস্তি নামে ব্যবসায়ী ও সাধারণ লোকজনের মনে। চকবাজার এলাকার একাধিক ব্যবসায়ীরা জানান, চকবাজার থানা এলাকায় ফুটপাতে অবৈধ ব্যবসা, অবৈধ যানবাহন চলাচল, মদ-জুয়ার আসর, কোচিং সেন্টার ও অসংখ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে মাসে ২০ লাখ টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

আরও পড়ুন
language Change