তারিখ লোড হচ্ছে...

ঘাগড়া গ্রামে প্রায় ৩ যুগেরও বেশি উন্নয়নের ছোঁয়া নেই: চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে সাড়ে ৩ কোটি টাকার স্বর্ণসহ যাত্রী আটক সিরাজগঞ্জে ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বিতরণ বিস্তীর্ণ জঙ্গলে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী চার দশকের রাজপথ পেরিয়ে সা.সম্পাদক পদপ্রার্থী রাশেদুল হাসান রঞ্জন হরিদাস থেকে তাওহীদ, ইলেকট্রিশিয়ান থেকে কোটিপতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে কখনো হারেনি আর্জেন্টিনা কেশবপুরে পানিবন্দি মানুষের পাশে এমপি মোক্তার আলী ঢাকাসহ ১৯ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস রাজধানীতে টানা বৃষ্টিতে স্থবির জনজীবন প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালে আধুনিক প্যাথলজিক্যাল ল্যাব স্থাপন করা হবে সুনামগঞ্জ জেলা জাতীয়তাবাদি পূজা উদযাপন ফ্রন্টের উদ্যোগে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সিটিএফ উদ্বোধন রামগড় বিজিবির উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ আলমারিতে লুকিয়ে থাকা বিষাক্ত সাপরে কামড়ে প্রাণ গেল গৃহবধূর রাঙ্গামাটিতে ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ পদ-বাণিজ্যের সিন্ডিকেট: যুবদলের নির্যাতিত ও ত্যাগী কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করবে কে? বরিশাল পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী, অংশ নিয়েছেন বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহে তদন্ত রিপোর্ট জমার পরও নিষ্ক্রিয় বিভাগীয় পরিচালক বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবসে তরুণদের যোগ্য করে গড়ে তোলার আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের সোমবার দেশব্যাপী শোক পালন করবে বিএনপি হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৬৯ এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর জরুরি নির্দেশনা ছয় মাস পর সুন্দরবনে ফিরল সেই বাঘিনী অবমুক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী চার দশক পর সেমিতে মুখোমুখি ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা ভোলাহাটে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নলডাঙ্গায় পুকুরে ডুবে ৯ বছরের শিশুর মৃত্যু সুলতানপুর চাউল বাজার সমিতির সভাপতি বিপুল, সাধারণ সম্পাদক মামুন অতিবৃষ্টিতে বালিজুরী-ঝুলগাঁও সীমান্ত সড়কে যোগাযোগ ব্যাহত রাঙ্গুনিয়ায় লাকড়ি ধরতে গিয়ে নৌকাডুবি, যুবক নিখোঁজ সুনামগঞ্জে পূজা উদযাপন পরিষদে দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুুিুষ্ঠত শিক্ষা সচিব সাখাওয়াত হোসেনের ৬ টি গ্রন্থের প্রকাশনা ও আলোচনা সভা রাঙামাটিতে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি পরিদর্শনে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বেতন ছাড়ের ৬ দিনে পরেও বেতন পাচ্ছেনা মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীরা নোয়াখালীতে মাদকবিরোধী অভিযানে তিনজনের কারাদন্ড ​সীমান্ত এলাকায় বিজিবির অভিযানে ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ ঢাকার বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, দুই প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অর্ধবার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষা স্থগিত জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা সৌমেন সাহা ব্যবসার নামে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎতের অভিযোগে ১২-২০ গ্রেডের চাকরিজীবীদের বড় সুখবর দিল সরকার জ্বালানি সচিবের ভাওতাবাজি ‘সিন্ডিকেট ভাঙতে এলপিজির বাজারে আসছে বিপিসি’ চট্টগ্রাম বিভাগে বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৩৯, ক্ষতিগ্রস্ত ৯ লাখের বেশি মানুষ ইন্টার্নদের হাত ধরেই চিকিৎসায় বিদেশমুখিতা বন্ধ হবে: প্রধানমন্ত্রী কেশবপুরে হরিহর নদীর পাড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ইউএনও বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান চট্টগ্রামে জোয়ারে ভেসে আসা অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

বিদ্যুৎ খাতে শেয়ারবাজারে ৫ কোম্পানির ভবিষ্যৎ অন্ধকার

বিদ্যুৎ খাতে শেয়ারবাজারে ৫ কোম্পানির ভবিষ্যৎ অন্ধকার
পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্টঃ

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানিগুলোর আর্থিক অবস্থা এখন চরম সংকটের মুখে। সরকারি ক্রয় চুক্তির (পিপিএ) মেয়াদ শেষ হওয়া, নতুন চুক্তির অনিশ্চয়তা, উৎপাদন বন্ধ এবং সম্পদের অতিমূল্যায়নের কারণে এসব কোম্পানির টিকে থাকা নিয়ে ঘোর সংশয় দেখা দিয়েছে।

সর্বশেষ নিরীক্ষা প্রতিবেদন অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত ১১টি বিদ্যুৎ কোম্পানির মধ্যে অন্তত পাঁচটির ব্যবসায়িক ধারাবাহিকতা বা ‘গোয়িং কনসার্ন’ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি জানিয়েছে, এই আর্থিক অনিশ্চয়তা বিনিয়োগকারীদের আস্থায় ফাটল ধরাচ্ছে। তাই কোম্পানিগুলোকে সঠিক তথ্য প্রকাশ ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় জোর দিতে কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদী সরকারি চুক্তি ছাড়া এই খাতে বিনিয়োগ টেকসই হওয়া কঠিন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আল-আমিন ও সিপিডির ড. ফাহমিদা খাতুনের মতে, ফার্নেস অয়েলভিত্তিক প্ল্যান্টের উচ্চ ব্যয় এবং জ্বালানি সংকটের কারণে পিপিএ শেষ হওয়া কেন্দ্রগুলো চালু রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে, যা কোম্পানিগুলোকে গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

আর্থিক অনিয়মের দিক থেকে সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় আছে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি। নিরীক্ষা প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বৈদেশিক ঋণের বিপরীতে ৪ হাজার ৭১৫ কোটি টাকার বিনিময়জনিত ক্ষতি মূলধনে যুক্ত করা এবং ২৭ হাজার ৪৩৬ কোটি টাকার সম্পদের সঠিক পরীক্ষা না চালানোয় প্রকৃত আর্থিক চিত্র আড়াল হয়েছে। গত দুই অর্থবছর ধরে বড় অংকের লোকসানে থাকা কোম্পানিটি বর্তমানে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে অবস্থান করছে। তবে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভেন্ডর চুক্তির সমস্যা ও সুদ ব্যয়ের বিষয়গুলো বর্তমানে সমন্বয়ের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

অন্যদিকে, ডেসকো ৫৬০ কোটি টাকার পাওনা নিয়ে বিপাকে আছে, যার বড় অংশই আদায় অযোগ্য। বিহারি ক্যাম্পের ২৬৩ কোটি টাকার বকেয়া নিয়ে মামলা চলায় সেটির বিপরীতে পর্যাপ্ত প্রভিশন রাখা হয়নি। পাশাপাশি বাতিল হওয়া সাবস্টেশন প্রকল্প এখনো সম্পদ হিসেবে দেখানো হচ্ছে।

ক্রমাগত লোকসানের কারণে ডেসকো গত দুই অর্থবছর কোনো ডিভিডেন্ড দিতে পারেনি। কোম্পানি সচিব জানিয়েছেন, সরকারি সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকা প্রকল্পগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হলে সেগুলো দীর্ঘ মেয়াদে সমন্বয় করা হবে।

বারাকা পাওয়ার এবং খুলনা পাওয়ারের অবস্থাও অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বারাকা পাওয়ার সহযোগী প্রতিষ্ঠানে ১৫৫ কোটি টাকার জামানতহীন ঋণ দিলেও তাদের ফেঞ্চুগঞ্জ কেন্দ্রটি চুক্তি শেষে বন্ধ হয়ে আছে।

খুলনা পাওয়ারের দুটি ইউনিটের পিপিএ শেষ হওয়ায় এবং পাঁচ বছর ধরে লোকসান গুণতে থাকায় এটিও ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নেমে গেছে। সম্পদের মূল্যহ্রাসের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও কোম্পানিগুলো সঠিক মূল্যায়ন করছে না বলে নিরীক্ষায় উঠে এসেছে।

ডরিন পাওয়ারের তিনটি গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রের ভবিষ্যৎ আয় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন নিরীক্ষকেরা। গ্র্যাচুইটি ও দেনা-পাওনার হিসাব নিয়ে অস্পষ্টতা থাকায় কোম্পানিটির ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক পরিকল্পনা এখন প্রশ্নের মুখে। বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্যুৎ খাতের এই কোম্পানিগুলোকে রক্ষা করতে হলে দ্রুত পিপিএ নবায়ন এবং বাজারমুখী টেকসই উদ্যোগ নেওয়া জরুরি, অন্যথায় সাধারণ বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

পরকীয়ায় জড়াচ্ছেন বিবাহিত মধ্যবয়সিরা একপুরুষে নয় বহু পুরুষ লাগে তাদের

মোহাম্মদ মাসুদ॥ কথায় আছে, মেয়েদের বোঝা সহজ নয়। নিন্দুকরা আবারও এও বলেন, মেয়েরা নাকি সম্পর্ক থেকে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে যায়। সম্পর্কের মর্ম বোঝে না তারা। তাই তো সাধ মিটে গেলেই সরে যায়। এমনকী যারা বিবাহিত, তারাও স্বামীর সঙ্গে সারা জীবন থাকায় বিশ্বাসী নয়, বহু পুরুষ তাদের লাগবেই। সমীক্ষা বলছে, সবাই না হলেও ৭৭ শতাংশ মহিলা প্রেমিক বা স্বামীকে প্রতারণা করে। আর এদের মধ্যে বেশিরভাগই প্রতিবেশীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়ায়। একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, পরকীয়ার জন্য অনেক ইয়ালা লুডুর মতো অ্যাপ রয়েছে। সেই অ্যাপে ক্রমশ ভিড় বাড়ছে। এমনই একটি অ্যাপে নাকি এখন সদস্য সংখ্যা ৬ লক্ষ ছাড়িয়েছে। সদস্যদের মধ্যে বেশিরভাগেরই বয়স ২৩ থেকে ৩৯। এদের মধ্যে আবার মহিলার সংখ্যাই বেশি। কিন্তু বিবাহিত মহিলারা কেন পরপুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন? তবে কি সংসারে অশান্তি? সমীক্ষা

আরও পড়ুন
language Change