বিনোদন প্রতিবেদকঃ
বাংলা সিনেমা দেখা না হলেও, কাজের প্রস্তাব পেলে করতে আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন বলিউডি অভিনেত্রী কাজল। কদিন আগে কলকাতায় এসে আনন্দবাজার ডট কম-এর বছরের সেরার সম্মান হাতে নিয়ে এ কথা বলেছেন তিনি। কাজল বাঙালি পরিবারের মেয়ে; তার মা তনুজা মুখার্জি বাংলা সিনেমার এক সময়ের ডাকসাইটে অভিনেত্রী ছিলেন, বাবা পরিচালক সোমু মুখোপাধ্যায়।
কাজল কী মায়ের মত হতে পেরেছেন? এই প্রশ্নে তিনি বলেন, এখনও চেষ্টা করে চলেছি। মা অনেক বড় মাপের অভিনেত্রী। সারাজীবন মায়ের দেখানো পথেই হেঁটে এসেছি। কাজের ক্ষেত্রে নিজের সম্পর্কে কাজলের ভাষ্য, আমি ভীষণ শৃঙ্খলাপরায়ণ। বলিউডের খুব কম লোক আছেন, যারা সঠিক সময়ে সেটে আসেন, আমি কিন্তু তাদের মধ্যে এক জন। আবার ঠিক সময়ে সেট থেকে বেরিয়েও পড়ি। এটাই আমার স্বভাব। আনন্দবাজারের পুরস্কার পাওয়ার পর স্পষ্ট হয় কাজলের কলকাতার যাত্রার কারণ। শহরে এসে দক্ষিণেশ্বরে পূজায় দিয়েছেন তিনি।
১৯৯২ সালে ‘বেখুদি’ সিনেমা দিয়ে চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন কাজল। প্রথম সিনেমা হিট না হলেও কাজলের অভিনয় প্রশংসা পেয়েছিল। এরপর অভিনয় দিয়েই বলিউডে স্থান পাকা করে নেন এই অভিনেত্রী। ১৯৯৩ সালে শাহরুখ খানের বিপরীতে কাজলের ‘বাজিগর’ সুপারহিট হয়। এই অভিনেত্রীর ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে ভারতের সবচেয়ে ব্যবসাসফল সিনেমার একটি।
কাজল এরপর গুপ্ত,পেয়ার কিয়া তো ডরনা কেয়া,পেয়ার তো হোনাহি থা, দুশমন,কুছ কুছ হোতা হ্যায়, হাম আপকে দিলমে রেহেতে হে,কাভি খুশি কাভি গাম,ফানার এর মতো একের পর এক হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন। নব্বইয়ের দশকে একের পর এক হিট সিনেমা করে কাজল যখন জনপ্রিয়তার তুঙ্গে তখন ১৯৯৯ সালে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। বিয়ে করেন সে সময়ের নায়ক অজয় দেবগণকে।
কিছুদিন আগে সালাম ভেঙ্কি সিনেমায় মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন তনুজা কন্যা। আর তার আগে তানহাজি এবং দ্য আনসাং ওয়ারিয় সিনেমায় দেখা গেছে কাজলকে। ইদানিং ওটিটিতে কাজল নিজের ব্যস্ততা বাড়িয়েছেন। এর মধ্যে দ্য রোমান্টিকস, লাস্ট স্টোরিজ ২, দ্য ট্রায়াল’সহ আরও সিরিজে কাজল অভিনয় করেছেন।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: কে এম মাসুদুর রহমান, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ মাসুদ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২১/১ নয়াপল্টন (মসজিদ গলি),ঢাকা - ১০০০।
✆ ০১৫১১৯৬৩২৯৪, ০১৬১১৯৬৩২৯৪ 📧dailysobujbangladesh@gmail.com.
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত