তারিখ লোড হচ্ছে...

ফুটবল খেলা দেখা নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া, যুবকের আত্মহত্যা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, লোকালয়ে পানি প্রবেশে চরম দুর্ভোগ হাটহাজারীতে চা দোকানের কর্মচারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ঢাকা সিটি কলেজ: ১৯৮ জন শিক্ষকের মধ্যে ১০৫ জনই অবৈধ বিচারকের স্বাক্ষর ও সিল জাল করে ভুয়া হলফনামা, আইনজীবীর বিরুদ্ধে মামলা এবার পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে আবু সাঈদ-মুগ্ধ-ওয়াসিমের ছবি উৎসে কর যাচাইয়ে এনবিআরের ৫ নির্দেশনা বাংলা সিনেমা দেখা না হলেও, কাজের প্রস্তাব পেলে করতে রাজি : কাজল ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে এআই ক্যামেরা নজরদারি কেশবপুরে স্বাস্থ্যবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত যারা পালিয়ে যায় তারা আর ফেরত আসে না: চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম হামলা হলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে এক ফোঁটা তেল-গ্যাসও যাবে না: ইরান শরিক দলের শীর্ষ নেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোংলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে শিশুর মৃত্য মেসির বিদায় নিয়ে যা বললেন ইব্রা-অঁরিরা ঢাকাসহ ১৩ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত সড়কে যান চলাচল নিয়ে ডিএমপির জরুরি নির্দেশনা বাংলাদেশ শিল্প উদ্যোক্তা এসোসিয়েশন'র মৌসুমি ফল উৎসব ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ২০২৭ সালের মধ্যে ১০ উড়োজাহাজ লিজ নিচ্ছে বিমান সিরাজগঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলার প্রধান গ্রেফতার  বেনাপোল বন্দরের ৯২৫ নম্বর গুদামে পণ্য চুরির অভিযোগের কেন্দ্রে জামাই-শ্বশুর বুড়িচংয়ে প্রবাসীর স্ত্রী ও অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী কন্যাকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ হঠাৎ বন্ধ ফেসবুক-মেসেঞ্জার বিএডিসির ৩৫০ কোটি টাকার সার গুদাম প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ গৃহায়ন প্রকল্পের আড়ালে ১৭ কোটি টাকা লুট যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা মানিকগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে ; নিহত ১, আহত অন্তত ১০ বিশ্বকাপে না খেলেও মোটা অঙ্কের টাকা পাচ্ছে বাংলাদেশ আন্ডাররাইটিংয়ে ভর করে ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা বাড়লো সাবেক যুবদল নেতা জাকির হোসেন নান্নু মারা গেছেন লঞ্চের ধাক্কায় ডুবে গেল ট্রলার ইরানের বিরুদ্ধে বিবৃতি দিল সৌদি আরব শেখ হাসিনা ও আজিজসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন বিলাইছড়ির বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে বাঁধন রাবিপ্রবি ইউনিট দীঘিনালায় ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি তৃতীয় হয়ে যত টাকা পেল ইংল্যান্ড পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি)-এর স্থায়ী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত পাঁচ দিনের সরকারি সফরে তুরস্ক গেলেন সেনাপ্রধান আগামী মাসের মধ্যে প্রবাসী কার্ডের পরীক্ষামূলক কাজ চালু করবে সরকার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাঁতশিল্পকে বিশ্বমানে রূপান্তরই সরকারের লক্ষ্য: মন্ত্রী ইকবাল হাসান টুকু পালিত হচ্ছে মরহুম মির্জা মোরাদুজ্জামানের ৩১তম মৃত্যুবার্ষিকী ইজারা নিয়েও তাহিরপুরের ফাজিলপুর ঘাটের সম্পূর্ণ দখল না পাওয়ার অভিযোগ চুপিসারে বিয়ে সারলেন অভিনেত্রী জেনিফার উইনগেট ফিটনেসহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ সব যানবাহন দ্রুত অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিল নিয়ে উত্তেজনা, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সফিউদ্দিন আহম্মেদ সেন্টু চাঁদাবাজির অভিযোগ ঝিনাইগাতী ক্ষুদ্র বণিক সমবায় লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত অবশেষে জিয়াউর রহমানের পলাতক খুনিকে গ্রেফতার তৃতীয়স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে চায় না ইংল্যান্ড-ফ্রান্স ২০ জুলাই প্রকাশ হচ্ছে না এসএসসি পরীক্ষার ফল ফারুয়ায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে জামায়াতে ইসলামী, দ্রুত পুনর্বাসনের আহ্বান

গৃহায়ন প্রকল্পের আড়ালে ১৭ কোটি টাকা লুট

গৃহায়ন প্রকল্পের আড়ালে ১৭ কোটি টাকা লুট
পাঠক সংখ্যা
638
চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ 
চট্টগ্রামের ফিরোজশাহ ও হালিশহর হাউজিং এস্টেটে সরকারি আবাসন নির্মাণ প্রকল্পে নজিরবিহীন অনিয়ম, নথিপত্রে জালিয়াতি এবং কাজ শেষ হওয়ার আগেই ঠিকাদারকে সম্পূর্ণ বিল পরিশোধের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পের মূল নকশা বা পরিধিতে কোনো পরিবর্তন না এনেই কৌশলে বাড়ানো হয়েছে ১৭ কোটি টাকা। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন প্রকল্পের সাবেক প্রকল্প পরিচালক (পিডি) প্রকৌশলী সোহেল সরকার এবং পরবর্তীতে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী কাজী নজরুল ইসলাম।

অভিযোগকারীদের দাবি-এই দুই কর্মকর্তার খামখেয়ালিপনা, দায়িত্বহীনতা ও রহস্যজনক নীরবতার কারণে সরকারের অন্তত ১৭ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। প্রকল্পের নথিপত্র এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তব চিত্রের মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাত পাওয়া গেছে। সরকারি খাতায় যেখানে প্রকল্পটিকে শতভাগ সম্পন্ন দেখিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে পুরো বিল তুলে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, সেখানে বাস্তব চিত্র পুরোটাই উল্টো। সরেজমিনে ভবন ১/এ এবং ১/বি দশম তলার ছাদ ঢালাই শেষে মাত্র ইটের গাঁথুনি ও প্লাস্টারের কাজ চলছে। ভবন ২ এবং ভবন ৩: অষ্টম তলার ছাদ ঢালাই শেষ করে কেবল নবম তলার ছাদ নির্মাণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। কাঠামো নির্মাণ, প্লাস্টার, ফিনিশিং ও স্যানিটারির মতো মেগা কাজ বাকি থাকতেই কীভাবে একটি প্রকল্পকে ‘সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত’ দেখিয়ে চূড়ান্ত বিল দেওয়া হলো, তা নিয়ে খোদ সরকারি দপ্তরগুলোতেই তোলপাড় চলছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ফিরোজশাহ ও হালিশহরের ১ দশমিক ৪৫ একর জমির ওপর ৩৪২টি ফ্ল্যাট বিশিষ্ট চারটি ১০ তলা আধুনিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। শুরুতে প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল ৯২ কোটি টাকা। পরবর্তীতে সংশোধিত উন্নয়ন প্রস্তাবের (RDPP) মাধ্যমে ব্যয় ১৭ কোটি টাকা বাড়িয়ে ১০৯ কোটি টাকা করা হয়।

মূল প্রশ্ন যেখানে: প্রকল্প এলাকায় অতিরিক্ত কোনো ভবন নির্মাণ করা হয়নি, নকশায় কোনো মৌলিক পরিবর্তন আসেনি এবং দৃশ্যমান কোনো বাড়তি অবকাঠামোও তৈরি হয়নি। তাহলে এই অতিরিক্ত ১৭ কোটি টাকা কার পকেটে গেল? অভিযোগ অনুযায়ী, দুর্নীতির এই চেইনটি তৈরি হয়েছে ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায়। প্রকল্পের শুরুতে প্রকৌশলী সোহেল সরকার পিডি থাকাকালীন তাঁর সময়েই ব্যয় বৃদ্ধির বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক অনুমোদনগুলো দেওয়া হয়। পরবর্তীতে তিনি রাজশাহীতে বদলি হন। প্রকৌশলী কাজী নজরুল ইসলাম নতুন পিডি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর অনিয়ম ঠেকানোর পরিবর্তে তিনি কাজ অসমাপ্ত রেখেই ঠিকাদারের চূড়ান্ত বিল পরিশোধের ফাইলে স্বাক্ষর করেন। সংশ্লিষ্টদের দাবি, মেজারমেন্ট বুক (এমবি), বিল ভাউচার এবং কারিগরি পরিদর্শন প্রতিবেদন নিরপেক্ষভাবে যাচাই করলেই এই জালিয়াতি ও ঘুস বাণিজ্যের অকাট্য প্রমাণ মিলবে।

এই চাঞ্চল্যকর অনিয়মের বিষয়ে বক্তব্য জানতে সাবেক পিডি প্রকৌশলী সোহেল সরকার এবং বর্তমান পিডি প্রকৌশলী কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা কেউই ফোন ধরেননি। এমনকি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কোনো কর্মকর্তাও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।  জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রকৌশল বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি ধাপের জবাবদিহি থাকা বাধ্যতামূলক। কাজ শেষ না করে শতভাগ বিল দেওয়া আর্থিক শৃঙ্খলার চরম লঙ্ঘন।

এই হরিলুটের সত্যতা উন্মোচনে অনতিবিলম্বে একটি উচ্চপর্যায়ের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি উঠেছে। তদন্ত কমিটির আওতায় প্রকল্পের মূল নকশা, ব্যয় বৃদ্ধির ফাইল, মেজারমেন্ট বুক ও স্পট ভিজিটের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য সামনে আনা জরুরি। দোষী প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি, অভিযোগ অসত্য হলে তাও প্রকাশ করে বিভ্রান্তির অবসান ঘটানো উচিত। কারণ এটি কেবল একটি আবাসন প্রকল্প নয়, এটি জনগণের ট্যাক্সের টাকার সুশাসনের প্রশ্ন।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

ঢাকা শহরের একেক এলাকায় তাপমাত্রা, ৫ ডিগ্রিরও বেশি

ঢাকা শহরের একেক এলাকায় তাপমাত্রা, ৫ ডিগ্রিরও বেশি

ডেস্ক রিপোর্টারঃ একই শহরের ভেতরেও ভিন্ন ভিন্ন তাপমাত্রা। যেখানে গাছপালা ও জলাশয় রয়েছে, সেখানে তাপমাত্রা কিছুটা কম; আর যেখানে এসব নেই, সেখানে তাপমাত্রা তুলনামূলক বেশি। তাপমাত্রার এই তারতম্য অব্যাহত থাকলে নিকট ভবিষ্যতে বসবাসযোগ্যতা হারিয়ে ঢাকা শহর বিলুপ্ত শহরের তালিকায় নাম লেখাতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, পরিকল্পনার অভাব, জলাশয় দখল এবং গাছপালা নিধনই এই পরিস্থিতির মূল কারণ। তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ছাদবাগান, সড়কের পাশে গাছ, ভবনের একদিকে সবুজের সমারোহ ও পাখির কলরবে মুখরিত বোটানিক্যাল গার্ডেন ও চিড়িয়াখানা, অন্যদিকে আকাশচুম্বী ভবনে ঘেরা মিরপুর ২। এই দুই এলাকার দূরত্ব মাত্র দুই কিলোমিটার হলেও তাপমাত্রার পার্থক্য প্রায় ৩ ডিগ্রি। যেসব এলাকায় গাছপালা ও জলাশয় আছে, সেসব এলাকার তুলনায় যেখানে নেই সেখানে তাপমাত্রা বেশি। ক্যাপসের গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৭ বছরে গড়ে

আরও পড়ুন
language Change