তারিখ লোড হচ্ছে...

‎বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপে সমুদ্রবন্দর গুলোতে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত অবাধ ও গ্রহণযোগ্য সিবিএ নির্বাচনই আমাদের লক্ষ্য, শেখ মাহমুদ পারভেজ ঝিনাইগাতীতে রক্তদান সংগঠনের ৫৫০তম রক্তদান সম্পন্ন খুলনায় এনা পরিবহনের স্টাফকে গলা কেটে জখম প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ শনিবারের মধ্যে ক্লিনিকে ডেলিভারি রুম না করলে লাইসেন্স বাতিল জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার নাছির নামে বেনামে গড়েছে সম্পদের পাহাড় সিরাজগঞ্জ পৌর নির্বাচনে আলোচনায় বিএনপির চার হেভিওয়েট প্রার্থী, ক্ষোভের ‘কাঁটা’ আব্দুস সাত্তার! প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ফাঁসি চাওয়া সেই এয়াকুবের নিয়ন্ত্রণে এখন যমুনা অয়েল কোম্পানি গণঅভূত্থানের দুই বছর: এখনো ফ্যাসিবাদের দোসরদের দখলে বিসিক! বিআইডব্লিউটিএতে ‘সুলতান সাম্রাজ্য’ এখনো সক্রিয়! হত্যা মামলা থেকে বাঁচতে ৫ কোটি টাকার মিশন বিপিসির আহম্মদুল্লাহর সম্পদের পাহাড় জুলাই অভ্যুত্থান কোনো দল বা ব্যক্তির নয়, গণতন্ত্রকামী মানুষের অর্জন: প্রধানমন্ত্রী খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাড়ে চারশ নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ধনবাড়ীতে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শনে (ইউএনও) সাথী সিলেট শিক্ষাবোর্ড ও উপজেলা প্রশাসনের মানবিক উদ্যোগে শ্রীমঙ্গলে এইচএসসি পরীক্ষায় বসলো ৮ শিক্ষার্থী বাকেরগঞ্জের দুর্গাপাশায় বিএনপিতে কলহ রক্তক্ষয়ি সংঘাতের আশঙ্কা চিকিৎসক সংকটকে হার মানিয়ে সেবার নজির গড়ছে রাঙামাটির স্বাস্থ্যসেবা সুন্দরবনে বন-বিভাগের অভিযান বিপুল পরিমাণ বিষ ও শুটকি তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযান, ৫২ রাউন্ড এফসিসি গোলাবারুদ উদ্ধার ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বঞ্চিত তিন বাহিনীর ১৫০ কর্মকর্তাকে পুনর্বাসন ও বিশেষ সুবিধা প্রদান ডেঙ্গুর ভয়াবহতা নিয়ে যে তথ্য দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী নজরুল বর্ষ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশকে সহায়তার আশ্বাস দিল চীন নেইমারকে নিয়েই ছক কষছেন আনচেলত্তি ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা ও হালদা থানা অনুমোদন সারাদেশের ন্যায় দীঘিনালায়ও শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা নবাবগঞ্জ থানা মহিলা দলের সভাপতি সহ ১০ জন মহিলা দলের নেত্রীর পদত্যাগ চট্টগ্রামে প্রকাশ্যে গুলি করে যুবককে হত্যা গায়ে হলুদের আগের দিন কনের রহস্যজনক মৃত্যু মৌলভীবাজারে জমিজমা বিরোধের জেরে মতিনকে হত্যা, আপন ৩ ভাই-১ বোন ও ভাইয়ের স্ত্রীসহ গ্রেফতার ৫ নকশাবহির্ভূতভাবে নির্মিত ৭টি ভবন ও অনুমোদনহীন গুদাম সীলগালা আমি এখনো সংসদ সদস্য, ভুলে যাবেন না-রাঙামাটিতে ফিরে দীপেন দেওয়ান সীতাকুণ্ডে গাছ কেটে মহাসড়ক অবরোধ: সওজের মামলা,গ্রেফতার শ্রীমঙ্গলে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগে: প্লেকার্ড হাতে স্থানীয়দের বিক্ষাভ খাগড়াছড়ির জশোয়া দেওয়ান ৪৭তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত জামালগঞ্জে প্রভাবশালী কর্তৃক নীরিহ এক ব্যাক্তির জায়গা জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ জাতীয় স্টার্টআপ প্রদর্শনীতে দেশের সেরা ১০ এ গলাচিপার এন জেড আলিম মাদ্রাসা লায়ন্স ক্লাব অব চাঁদপুর রুপালী মাসিক রেগুলার মিটিং ও পরিচিতি সভা সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার অপরিবর্তিত আনারসের পাশে জায়গা করে নিচ্ছে কাজুবাদাম মধুপুরে ফ্যানের সাথে ঝুলে যুবকের আত্মহত্যা পুলিশ সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর রাজধানীতে সেপটিক ট্যাংকে বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩ আজ থেকে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগে বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে সরকার: সমাজকল্যাণমন্ত্রী খামেনির জানাজায় অংশ নিতে দেশ ছাড়লেন স্পিকার সিরাজগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘দৈনিক যুগের কথা’র ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপিত সাতক্ষীরায় পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে বাসের চাপায় ছেলে নিহত, আহত শিক্ষক পিতা পাটকেলঘাটা বাজারে ইউএনওর অভিযান: ৩ হোটেলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি
পাঠক সংখ্যা
638

লালমনিরহাট সংবাদদাতা:

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ফুলেফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী। বুধবার (১৩ আগস্ট) বিকেল ৩টায় হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা ব্যারেজ ডালিয়া পয়েন্টে পানি সমতল রেকর্ড করা হয় ৫২.১৯ মিটার। যা বিপদসীমার উপরে। এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে পানি ছিল বিপদসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর। রাতের ভারি বৃষ্টিতে কয়েক ঘণ্টায় বেড়ে যায় নদীর পানি।

তিস্তায় পানি বৃদ্ধির ফলে লালমনিরহাটের পাঁচ উপজেলার তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অন্তত ১০ হাজার পরিবার। বন্যায় ডুবে গেছে গ্রাম, ফসল ও সড়ক। নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে জেলার সদর, হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী ও পাটগ্রাম উপজেলার তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল এবং চরাঞ্চলের বহু গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে হাতীবান্ধার গড্ডিমারী, দোয়ানী, ছয়আনী, সানিয়াজান, সিঙ্গামারী, সিন্দুর্না, হলদিবাড়ী, ডাউয়াবাড়ী; কালীগঞ্জের ভোটমারী, শৈলমারী, নোহালী আদিতমারীর মহিষখোচা, গোবর্ধন, বাহাদুরপাড়া, পলাশী এবং সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ, কুলাঘাট, রাজপুর ও গোকুন্ডা ইউনিয়নের নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ফলে মানুষের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাড়িয়েছে।

লালমনিরহাট সদর উপজেলার কালমাটি গ্রামের মর্জিনা বেগমের বাড়িতে ঢুকে পড়েছে পানি। ডুবে গেছে চুলা ও সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। বাধ্য হয়ে তিনি আশ্রয় নিয়েছেন কালমাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বারান্দায়। ষাটোর্ধ্ব বুলবুলি বেগমও একই দুর্দশায়। চুলায় রান্না করা যাচ্ছে না, সব জিনিস ভিজে গেছে। স্কুলের বারান্দায় দিন কাটাচ্ছি বলেন মর্জিনা বেগম। জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের নদী পাড়ের বাসিন্দা অটোচালক সেলিম ইসলাম জানান, পশুপাখি, শিশু, বৃদ্ধ আর প্রতিবন্ধীদের নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছি। আমাদের বাড়িতেও পানি ঢুকছে। কিন্তু কেউ খোঁজ নিচ্ছে না।

তৃতীয় দফায় এই বন্যায় আমন ধান ও পাটসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফসল তলিয়ে গেছে। অনেক কৃষকের জমির ফসল ভেসে গেছে পানির স্রোতে। পানির চাপের কারণে বহু বাঁধ ও রাস্তা ঝুঁকিতে রয়েছে। বিশেষ করে কালীগঞ্জের দক্ষিণ ভোটমারীতে ইস্ট্রাকো সোলার প্যানেল এলাকার কাছে তিস্তার মূল স্রোত লোকালয়ের দিকে ঢুকে পড়ছে। যা ভাঙনের ঝুঁকি বাড়িয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সোলার প্যানেল স্থাপন করায় নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে লোকালয়ে প্রবেশ করছে পানি। যা বাঁধ ও বসতভিটার জন্য হুমকি। স্থানীয় বাসিন্দা সামসুল আলম বলেন, সোলার প্যানেলের কারণে পানির চাপ পড়ছে লোকালয়ের রাস্তা ও বাঁধে। এগুলো রক্ষা না করা হলে হাজার হাজার বসতভিটা আর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড লালমনিরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার বলেন, উজানে ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় আগামী দু’দিন পানি বিপদসীমার ওপর দিয়েই প্রবাহিত হতে পারে। পরিস্থিতি ও ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে দ্রুত ত্রাণ ও সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

বড় পরিবর্তন আনছে বাংলাদেশ ব্যাংক

ডেস্ক রিপোর্ট: ‎ দেশের ব্যাংকখাতের তদারকিতে সময়োপযোগী এবং মৌলিক পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। লক্ষ্য হচ্ছে তদারকি ব্যবস্থাকে আরও দক্ষ, কার্যকর ও আধুনিক করে তোলা। এ জন্য ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি (রিস্ক বেসড সুপারভিশন) ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি বিস্তৃত কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। সোমবার (৭ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের সব তফসিলি ব্যাংকে পর্যায়ক্রমে এ নতুন কাঠামো বাস্তবায়ন করা হবে। এরই মধ্যে কিছু ব্যাংকে পরীক্ষামূলকভাবে ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি চালু করা হয়েছে এবং তা ইতিবাচক ফল দিয়েছে। তাই আসছে জুলাই থেকে ধাপে ধাপে সব তফসিলি ব্যাংকে এই পদ্ধতি বাস্তবায়ন শুরু হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এই নতুন তদারকি কাঠামোর আওতায় প্রতিটি ব্যাংকের

আরও পড়ুন
language Change