তারিখ লোড হচ্ছে...

গভীর সমুদ্রে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসতে থাকা ১২ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড লংগদুতে পানিতে ডুবে ৭ বছরের শিশুর মৃত্যু মোংলায় মসজিদের ওয়াকফ সম্পত্তি নিয়ে অনিয়ম কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ শেরপুরে সাপের কামড়ে নিহত শাহিনের পরিবারের পাশে জেলা প্রশাসন মগবান ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সেবার মানোন্নয়নে গণশুনানি সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক মোঃ মিজানুর রহমান চৌধুরীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জেলা জন্মাষ্টমী পর... দীঘিনালায় ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য জুলুস রংপুরের ঘটনায় দ্রুত সময়ে জড়িতদের গ্রেফতার করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ পাকিস্তানের হাসপাতালে ভয়াবহ আগুনে ১৫ নবজাতকের মৃত্যু সম্প্রচারে আসছে দেশের প্রথম হাইব্রিড টেলিভিশন ভিওডি বাংলা সিরাজগঞ্জে সার সংকট নিরসনে জেলা প্রশাসকের জরুরি সভা এমপি আয়নুল হকের গাড়িবহরে হামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার বেহেলী চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৩০০ টাকা আদায় ও চাল কম দেওয়ার অভিযোগ পর্যটন নগরী শ্রীমঙ্গলে হবিগঞ্জ-সিলেট এক্সপ্রেস বাস স্টপেজের দাবিতে মানববন্ধন দীঘিনালায় বন্যাকবলিত মানুষের পাশে জেলা বিএনপি ও জেলা পরিষদ ‎সুন্দরবনে আবারো বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর তান্ডব ট্রলারসহ জিম্মি ৫ রাঙামাটিতে ৮ বছরের শিশুধর্ষণ: আসামির যাবজ্জীবন দণ্ড শ্রীবরদীতে মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় গণপূর্ত কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি-নিয়মিতকরণের দাবি সাতক্ষীরায় নারী ও শিশু ভুক্তভোগীদের সুরক্ষায় পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ নাটোরের সিংড়ায় অটোরিকশা চালকের লাশ উদ্ধার, ছিনতাইয়ের সন্দেহ মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিস্তারে তরুণ প্রজন্ম ধ্বংসের পথে কেশবপুরে বাবার লাশ রেখে জমি বিরোধে দুই ভাইয়ের সংঘর্ষ, কুড়ালের কোপে আহতের অভিযোগ মির্জা ফখরুল ইসলামের আগে দেশে ১৮ জন রাষ্ট্রপতি, কে কতদিন দায়িত্বে ছিলেন সম্পাদক নাছির উদ্দিন পাটওয়ারীর সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল সিরাজগঞ্জে ৪ কোটি টাকার হেরোইনসহ গ্রেপ্তার ২, ট্রাক জব্দ সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কল্যাণ সমিতির যুগ্ম সম্পাদক হলেন ফিরোজ আগামিতে মাস্টার্স পর্যন্ত মেয়দের বিনা বেতনে শিক্ষার পরিকল্পনা করছেন যোগ্য মায়ের যোগ্য উত্তরসূরী প্রধ... সাতক্ষীরায় ন্যাচারাল হেলথ সেন্টারের বিরুদ্ধে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ শান্তিগঞ্জে প্রাইভেটকার থেকে ৪০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, চালক গ্রেফতার রাঙামাটিতে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী নির্যাতন: স্বামীর ৩ বছরের কারাদণ্ড, ২ লাখ টাকা জরিমানা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ করতে হবে-সার্ক ও বিশ্বব্যাংকের কৃষি পরামর্শক ড. নওশের... ঢাকার ৫০ ট্রাফিক সিগনাল পয়েন্টে বসছে এআই ক্যামেরা যে কোনো শর্তে জামিন চেয়েও পাননি উইং কমান্ডার সাইফ লোডশেডিং-গ্যাস সংকটের পর এখন পানি আসছে না, কার কাছে বলব এই দুঃখ কেশবপুরে অসত্য তথ্য প্রচারের প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামীর সাংবাদিক সম্মেলন চাঁদাবাজির প্রতিবাদে সিরাজগঞ্জে চালকল মালিকদের মানববন্ধন সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বালুবাহী ট্রাকচাপায় স্কুলশিক্ষক নিহত বিডা-বেজা-পিপিপিএ একীভূত,নতুন দায়িত্বে চৌধুরী আশিক মাহমুদ যে ৫ ধরনের পরামর্শ এআইয়ের কাছে না চাওয়াই ভালো বাংলাদেশে প্রিমিয়ার লিগের উত্তাপ, দেখা যাবে পুরো মৌসুম ৬ বছর পর রোগী সেজে চিকিৎসক স্ত্রীর সামনে প্রবাসী স্বামী কারা নির্যাতিত বিএনপি নেতা তাজ উদ্দিন তাজুকে অব্যাহতি প্রদানের প্রতিবাদে শ্রীমঙ্গলে বিক্ষোভ মিছিল সুপেয় পানির কষ্ট লাঘবে উপকূলের প্রত্যেকটি ঘরে পানির ট্যাংক পৌঁছে দেয়া হবে প্রতিমন্ত্রী ভারতের কলকাতায় আগুনে নিহত সাতক্ষীরার আলিমুজ্জামানের লাশ ভোমরা স্থলবন্দর হয়ে নিজ বাড়িতে পৌঁছেছে বরগুনায় মাহফুজ চেয়ারম্যানের উদ্যোগে ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৯৬ বোতল মাদকদ্রব্য জব্দ লবণচরার জোড়া খুন: শীর্ষ সন্ত্রাসী সাইফিসহ ৩ জন গ্রেফতার  অস্ত্র উদ্ধার সুনামগঞ্জের লাউড়েরগর গ্রামে আসাদ মিয়ার ঘর থেকে ৩০০ বোতল ফেনসিডিল,ফোসকাসহ ভারতীয় পণ্য জব্দ

পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস

পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস
পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার॥
আগামী শিক্ষাবর্ষের প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের পাঠ্যবইয়ে নানা পরিমার্জন ও পরিবর্তন আনছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড-এনসিটিবি। এর মধ্যে চতুর্থ থেকে নবম শ্রেণির ইতিহাস বইয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস এবং স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি মেজর জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বীরত্বের ওপর আলাদা অধ্যায় থাকবে। চতুর্থ শ্রেণিতে শারীরিক শিক্ষা ও মানসিক স্বাস্থ্য এবং ষষ্ঠ শ্রেণিতে ‘লার্নিং উইথ জয়’ বা আনন্দময় শিক্ষা এবং কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা নামে তিনটি বই বাধ্যতামূলকভাবে যোগ হবে। খেলাধুলা ও সংস্কৃতিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে পাঠ্যবইয়ে। চতুর্থ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি ক্লাসেই সাতটি খেলাধুলা ও দেশীয় সংস্কৃতি নিয়ে আলাদা বই থাকবে।

এ ছাড়া আইসিটি বইয়ে এআই, রোবোটিকস এবং সাইবার নিরাপত্তার মতো যুগোপযোগী বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এর বাইরেও সব বইয়ে তথ্য, শব্দ ও ভাষাগত নানা পরিমার্জন আনা হবে। পাঠ্যবইয়ের প্রচ্ছদ, ছবি, মানচিত্র ও অলংকরণেও নান্দনিকতা আনা হবে। এসব পরিবর্তন এনে জুনের মধ্যেই পরিমার্জনের কাজ শেষ করতে চায় এনসিটিবি। এবার এনসিটিবির সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে পরিমার্জনের কাজ করছে।

এনসিটিবি সূত্র জানায়, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে পাঠ্যপুস্তকসমূহ পর্যালোচনা ও পরিমার্জন করতে গত ৪ মে থেকে ৭ মে পর্যন্ত বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে টানা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে যুক্ত ছিলেন আ ন ম এহছানুল হক মিলন। চার দিনের এ কর্মশালায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, অধ্যাপক এস এম হাফিজুর রহমান, মোহাম্মদ নূর-ই-আলম সিদ্দিকী ও শাহ শামীম আহমদের তত্ত্বাবধানে দেশের ২৫৭ শিক্ষক ও শিক্ষা বিশেষজ্ঞ অংশ নেন। তারা বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সঙ্গে জড়িত।

এ কর্মশালায় অংশ নেওয়া একাধিক শিক্ষক বলেন, সেখানে বর্তমান পাঠ্যবইগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা চুলচেরা বিশ্লেষণ করেছেন। বর্তমান ভুলত্রুটিগুলো খুঁজে বের করার পাশাপাশি ভাষাগত পরিমার্জনে নানা পরামর্শ দেন। অন্য বছর কর্মশালাগুলোতে আমলাদের আধিক্য থাকলেও এবার তা ছিল না। আবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট পরিমার্জনের দায়িত্বে থাকায় শিক্ষকদেরও ভুলত্রুটি বের করা সহজ হয়েছে।

তারা জানান, বিগত বছর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আওয়ামী লীগ আমলের পাঠ্যবইয়ে বড় ধরনের সংশোধন আনায় এবার বেশি পরিমার্জন করতে হচ্ছে না। তবে ইতিহাস এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে। চতুর্থ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সব ক্লাসের এসব বইয়ে জাতীয় বিপ্লব সংহতি দিবস ও স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি মেজর জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বীরত্ব নিয়ে নতুন অধ্যায় যোগ করা হচ্ছে। এ তিনটি বিষয়কে আওয়ামী লীগ আমলে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধসহ আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়া অন্যান্য জাতীয় নেতার যার যে অবদান, তা তুলে ধরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মুক্তিযুদ্ধ শুরুর প্রাক্কালে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন মেজর জিয়াউর রহমান। পরবর্তী সময়ে তিনি ১ নম্বর সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দেন। আওয়ামী লীগ আমলে তার এ ইতিহাস পাঠ্যবই থেকে অনেকটা মুছে ফেলা হয়। এ ছাড়া ১৯৭৫ সালে সমগ্র জাতি যখন অনিশ্চয়তার সম্মুখীন, তখন ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার মিলিত বিপ্লব জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দেয়, যা দেশপ্রেমের এক অনন্য নজির। ওইদিন জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে তারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেন।

তিনি ক্রান্তিময় সেই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেন। এ ইতিহাসও আওয়ামী লীগ আমলে ধামাচাপা ছিল। তবে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে এ দিবসকে গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রতি বছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দিবসটির গুরুত্ব এবার পাঠ্যবইয়ে তুলে ধরা হবে।

এ ছাড়া নব্বইয়ের গণআন্দোলনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অবদানের কথা অস্পষ্ট ছিল। এবার পাঠ্যবইয়ে তার অবদানের কথা তুলে ধরা হচ্ছে।

এনসিটিবির এক কর্মকর্তা বলেন, নবম শ্রেণিতে ওঠার পর মূলত মানবিক শাখার শিক্ষার্থীরা ইতিহাস বই পড়ে। তাই চতুর্থ শ্রেণি থেকেই ইতিহাস এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ে এ ইতিহাসগুলো তুলে ধরা হচ্ছে।

ইতিহাসের বই সংশোধনের দায়িত্বে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বলেন, ‘ইতিহাসের বয়ান হবে নির্মোহ। এখানে কাউকে বড় কিংবা ছোট করে দেখানো হবে না। যার যে অবদান আছে, তা তুলে ধরা হবে। শিক্ষার্থীরা বই পড়ে যাতে সঠিক তথ্য পায়, সেই আলোকে বই লেখার জন্য সংশ্লিষ্ট লেখকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

খেলাধুলা ও সংস্কৃতিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সারা দেশে চালু করেছে। এরই অংশ হিসেবে পাঠ্যবইয়েও খেলাধুলা ও সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। চতুর্থ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সব ক্লাসেই খেলাধুলা ও সংস্কৃতি নিয়ে আলাদা বই থাকবে।

এতে ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার, অ্যাথলেটিকস, কারাতে অথবা দাবা নিয়ে আলাদা অধ্যায় থাকবে। বইয়ে দেশীয় সংস্কৃতিও উঠে আসবে। সংশ্লিষ্টরা জানান, এ বইয়ের পরীক্ষা হবে ব্যবহারিক। অর্থাৎ খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ থেকেই নম্বর দেওয়া হবে। আগে চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির এ বিষয়ে একটি পুস্তিকা থাকলেও এবার মাধ্যমিকেও তা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এ ছাড়া নতুন করে তিনটি বই যুক্ত হচ্ছে। এর মধ্যে চতুর্থ শ্রেণিতে যোগ হচ্ছে শারীরিক শিক্ষা ও মানসিক স্বাস্থ্য নামের একটি বই। আর ষষ্ঠ শ্রেণিতে যোগ হচ্ছে ‘লার্নিং উইথ জয়’ বা আনন্দময় শিক্ষা এবং কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা নামে দুটি বই। এর মধ্যে আনন্দময় শিক্ষার বইটির পরীক্ষাও ব্যবহারিক হবে। ‘লার্নিং উইথ জয়’ মূলত পরীক্ষামূলকভাবে আগামী বছর চালু হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শ্রেণিতে এ বই যুক্ত করা হবে।

বর্তমানে শিক্ষার্থীদের যে বই পড়ানো হচ্ছে, তা ২০১২ সালে প্রণয়ন করা। তাই ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বইয়ে যে পাঠগুলো পড়ানো হচ্ছে, সেগুলো সেকেলে। আধুনিক প্রযুক্তির ধারেকাছেও নেই। তাই এবার আইসিটি বইয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিকস, হার্ডওয়্যার, সাইবার নিরাপত্তাসহ আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক নানা বিষয় যুক্ত করা হবে।

এ ছাড়া বাংলা, বিজ্ঞান, পৌরনীতি ও নাগরিকতাসহ বেশকিছু বইয়ের কিছু কনটেন্টে পরিবর্তন আনার পাশাপাশি এবার পাঠ্যবইয়ের প্রচ্ছদ, ছবি, মানচিত্র, লেখার বিন্যাস ও অলংকরণেও নান্দনিকতা আনা হচ্ছে। বইয়ে যেসব ছবি, বাণী বা প্রবাদ দেওয়া হয়, তা শিক্ষার্থীর বয়সের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করারও চিন্তা রয়েছে। ছবির সামঞ্জস্যতা, ছবির স্পষ্টতা, ক্যাপশন ও ব্রেইল বইয়ের ক্যাপশনেও পরিমার্জন আনা হবে।

সার্বিক বিষয়ে পাঠ্যবই পরিমার্জনের দায়িত্বে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. এস এম হাফিজুর রহমান বলেন, ‘বর্তমানে যে বইগুলো আছে; তাই আগামী বছর শিক্ষার্থীদের দেওয়া হবে। এখানে শুধু তথ্যগত, বানান, শব্দ ও ভাষাগত বিষয়গুলো দেখা হচ্ছে, যাতে ভুল কিছু না যায়। আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিষয়গুলো দেখছি।’

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্র, বানানো হচ্ছে রিলস-টিকটক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্র, বানানো হচ্ছে রিলস-টিকটক

ডেস্ক রিপোর্ট: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাবলিক পরীক্ষার খাতা ছড়িয়ে পড়ছে। বানানো হচ্ছে রিলস ও টিকটকের মতো ভিডিও। অনেক ক্ষেত্রে খাতা শিক্ষার্থীদের দিয়ে মূল্যায়ন করানো হচ্ছে। এমনকি উত্তরপত্র সংরক্ষণে আছে বোর্ড কর্তৃপক্ষের অবহেলাও। দায়ীদের খাতা মূল্যায়ন থেকে বিরত রাখার মতো নামকাওয়াস্তে ব্যবস্থা নিয়েই দায়িত্ব সারছে বোর্ড। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না থাকায় পরীক্ষা সংক্রান্ত এসব অপরাধ বাড়ছে, যার দায় এড়াতে পারে না বোর্ডও। চলমান এইচএসসি পরীক্ষার মধ্যে যেসব বিষয়ের পরীক্ষা শেষ হয়েছে, সেগুলোর উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য তা এরমধ্যেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত পরীক্ষকদের কাছে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু খাতা দেখে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষক বোর্ডে নম্বরপত্র পাঠানোর আগেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উত্তরপত্রের ছবি ছড়িয়ে পড়ছে। বিভিন্ন পোস্টে দেখা যাচ্ছে, কিছু পরীক্ষক নিজেরা খাতা না দেখে, শিক্ষার্থীদের দিয়ে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করাচ্ছেন। খাতা মূল্যায়নের পর পরীক্ষার্থী

আরও পড়ুন
language Change